বিদ্যার্জন

বাল্যকালে রত যেই বিদ্যার সেবায়,
চীর দিন সুখে সেই জীবন কাটায়।
অবহেলা করি বিদ্যা নাহি শিখে যেই,
মূর্খ হয়ে চীর দিন দূঃখ পায় সেই।
তাই বলে শিশুগণ বিদ্যা শিক্ষা কর,
আল্লাহ পাকের নাম নিয়ে জীবন গড়।

Similar Posts

  • গোছালো জীবন

    জিনিসপত্র গুছিয়ে সবখানেই রাখুনকর্মস্থল অথবা আপনার বাড়ির যতঅগোছালো জিনিসপত্র মনের শান্তিনষ্ট করবে তাই গোছালো হয়ে থাকুন। উপভোগ করার আশা তো ঠিক নয়বড় কোন ঘটনার তাই সূর্যাস্ত সঙ্গীতমজার খাবার ইত্যাদির মাধ্যমে যতোমুহূর্ত উপভোগ্য করলে ই সুখের হয়। বাড়ি ভালোভাবে তে পরিষ্কার করুননির্দিষ্ট সময় অন্তর সব পুরনো ফেলেদিন অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যতোসঙ্গে সঙ্গে মনকে হালকা করে রাখুন। জিনিস…

  • বানোয়াট

    মিথ্যা সাক্ষী ও প্রবঞ্চনা মামলায় কতহয়রানির খবর যেন শুনা ও যায় শত। “সত্য বলিব কোন মিথ্যা বলিব না” বলেশপথ নিয়ে মিথ্যা কত সাক্ষী দেয়া চলে। আদালতে শপথ বাক্যে ওয়াদাবদ্ধ হয়মিথ্যা জবানবন্দীর ও শত প্রমাণ রয়। প্রতিপক্ষ চরম হয়রানি শ্রান্ত-ক্লান্ত যতঘায়েল নাজেহালের আশংকা রয় তত। মিথ্যা মামলা রাষ্ট্র যন্ত্রকেও করে বিভ্রান্তপ্রতিপক্ষকে ঘায়েল আর করে সর্বস্বান্ত। বানোয়াট…

  • শীতের সকাল

    হেমন্তের আমেজ হতে না হতেই শেষশীতের সকাল হাজির শীত নিয়ে বেশ!কুয়াশায় ঢেকে যায় নির্জন বন ও মাঠনদীর কূল আর খাল বিল পুকুর ঘাট!উত্তর দিগন্তে বরফ চূড়ার হিম নিঃশ্বাসপ্রকৃতি জড়ো হয়েই ফেলে শীতল শ্বাস!শীতের দীর্ঘ রাতেই কুয়াশা বরণ গায়েসুবহে সাদিক ও আযানের ধ্বনি লয়ে।গাছে গাছে সকালে পাখিদের মুখরিতঘুম ভাঙে কলো-কাকলিতে ও সুস্মিত।সত্যিই সকাল অনেক বৈচিত্র্য শীতেরখড়…

  • চীর শত্রু

    অভ্যাসের দাস আমরা মানুষ,যদি মোদের না থাকে হুশ।আমাদের চীর শত্রু শয়তান,পথ ভ্রষ্ট করা তাদের ধ্যান।প্রতিনিয়ত কুমন্ত্রণাই দেয়,ছলনা কৌশলে ভূলিয়ে নেয়।কুসংগ সংশ্রবে থাকে যারা,খারাপ অভ্যাসে চলে তারা।কু অভ্যাসের পরিনাম মন্দ,তাদের মনে সদা নিরানন্দ।সৎ সংগে যাদের বাস,স্বর্গ পেতে তারাই পাশ।ভালো অভ্যাসের দাস যারা,জীবনে কল্যাণ পায় তারা।

  • ডিজিটাল বিশ্ব

    ডিজিটাল সক্ষমতা অর্জন উন্নত বিশ্ব করেপ্রায় সব ধরনেরই সেবা ব্যবস্থা তার মাধ্যমেউন্নয়ন ঘটিয়েছে সুকৌশলে বহু আগে চিন্তাভাবনা আমরা সেটার এখন করছি যা পরে। চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর পূর্বেও পেনশন পেতেনস্কান্ডিনেভিয়ান কোনো দেশের অবসরপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যাক্তি দেশের সামাজিক ও নিরাপত্তাবলয়ের অধীনে বাড়িতে যে একা থাকতেন। রেফ্রিজারেটরের দুধ ফলমূল আরোও রুটিসপ্তাহান্তে না ফুরালে ঐ সব হয়ে যেত বাসিফেলে দিয়ে সে…

  • পরিবেশ

    কত যে মহা জটিল স্থান এই পরিবেশ!আমরা দেখি যতটা স্বাভাবিক ভাবেতার থেকে অনেক বেশি অস্বাভাবিকব্যাপার দৈনন্দিনই ঘটছে স বিশেষ। পিঁপড়া ও ঘাসফড়িং এর কাহিনি গল্পপড়েছি সকলে মোরা যেথা গ্রীষ্মকালেপিঁপড়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের কত ঘটনাঅবগত সবাই অধিক না হলে ও সল্প। পিঁপড়া একান্ত পরিশ্রমই করে নির্ঘুমস্বাভাবিক ভাবে কখনো যে না ঘুমিয়েঅনবরত খাবার জোগাড় করে যায়যখন আমরা অনেকে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *