তফাৎ

দেখতে সুঠাম দেহ,
কথায় চমক মোহ।
চলনে খাতির জমায়,
কেইবা তারে থামায়।
হউক সে গন্ড মূর্খ,
কেহই জোড়েনা তর্ক।
জোরে সুরে বুলি তার,
যুক্তি তর্ক করলে মার।
দাপটের বাহাদুরি যার,
তাদের গর্জনই সার।
বিজ্ঞ জ্ঞানী গুনি যারা,
সসম্মানে চুপ থাকে তারা।
মূর্খরা সমাজ করছে ধ্বংস,
কোন উন্নতি করেনি বংশ।
সুশিক্ষায় শিক্ষিত জন,
অনুসরণে উন্নতি হয় মন ।

Similar Posts

  • সুর লহরী

    গুন গুন শুরে গান গেয়ে যায়অংগভংগী সুরের তালে তালেহেলে দুলে মনে যা শান্তি পায়। সুর লহরী মনোহর যেন কতোঅস্পষ্ট হলেও ভংগিমায় বুঝাযায় তাহা মনোমুগ্ধকর শতো। একটু পরে তাকে দেখা গেলোতার বন্ধু বান্ধবদের সাথে একবস্তিতে গিয়ে সে মিলিত হলো। সবে মিলে জুরে সুরে করে শুরুগানে গানেই চমৎকার পরিবেশসৃষ্টি করে নির্দেশনায় ছিল গুরু। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে চলছিল গাননৃত্যের…

  • কতো ব্যথা সয় !

    সন্তান যখনি বাড়ি থেকে বের হয়তার বিরহ ব্যথা যতো মাতায় সয়! রাস্তায় চলতে চলতে এগিয়ে যায়অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় মায়! কতো অশান্তিতে যেন মাকে পায়পেট ভরে খানা খাদ্যও নাহি খায়! আরাধনা উপাসনায় লেগে থাকেঅনুনয় বিনয়ে আল্লাহকে ডাকে! সুখ শান্তিতে যেন থাকে বাছাধনতাসবীহ তাহলীল করে দিয়ে মন! সন্তানের বালা মুসিবত দূরে নাওতার অন্তরে যতো সুখ শান্তি…

  • উদ্বিগ্ন

    হে পথিক কেনো ত্রস্তে চলোএকটু দাঁড়াওনা কথা আছেকি হয়েছে এখন তুমি বলো। কি আছে যেব তোমার মনেযাবে তুমি যেন কোন খানেএতো দৌড়াচ্ছ জানে প্রাণে। লোকটি তখন গেলো থেমেকথাও বলছে কোনো মতেআরো শরীরটা গেছে ঘামে। তার তখন কথা হলো শুরুবলতে গিয়ে হাঁফিয়ে ছিলোসে বলে অসুস্থ আমার গুরু।

  • লুকোচুরি খেলা

    ঝরো ঝরো বৃষ্টির চলে যত শব্দঝির ঝির বাতাসের মৃদুমন্দ গন্ধ। তারাদের মিট মিট লুকোচুরি খেলাভাল থেকো তা নিয়ে সারাটা বেলা। বৃস্টি ভেজা পায়েও এলে মনে হয়আকাশের বুকে যে জল ছবি রয়। আরো হাসলে তুমি মনে হয় কতোস্বপ্ন মগ্ন পাখিও ডানা মেলে যতো। বসন্তের অনেক ফুল তোমায় দিবকোকিলের মধুর গান শুনতে পাব। প্রচন্ড তাপ গৃষ্মের দিব…

  • শীতের সকাল

    হেমন্তের আমেজ হতে না হতেই শেষশীতের সকাল হাজির শীত নিয়ে বেশ!কুয়াশায় ঢেকে যায় নির্জন বন ও মাঠনদীর কূল আর খাল বিল পুকুর ঘাট!উত্তর দিগন্তে বরফ চূড়ার হিম নিঃশ্বাসপ্রকৃতি জড়ো হয়েই ফেলে শীতল শ্বাস!শীতের দীর্ঘ রাতেই কুয়াশা বরণ গায়েসুবহে সাদিক ও আযানের ধ্বনি লয়ে।গাছে গাছে সকালে পাখিদের মুখরিতঘুম ভাঙে কলো-কাকলিতে ও সুস্মিত।সত্যিই সকাল অনেক বৈচিত্র্য শীতেরখড়…

  • মূসা(আ:)

     আল্লাহকে দেখতে যখন   ইচ্ছা করলেন  মূসা (আ:)   উত্তরে বলেন খোদা তখন।   সামনে তুমি এগিয়ে যাও ফেরাও দৃষ্টি পর্বতের দিকে   দেখতে ই তাকে যদি পাও।  স্থিতিশীল আছে অবস্থানে  ধৈর্যশীল থেকে মনে প্রাণে  অটল থেকো তোমার স্থানে। তবে আমাকে দেখতে পাবে মনে প্রাণে অন্তরে তৃপ্তি ভরে  সাক্ষাতের ভাসনা দূরে যাবে। যখন আল্লাহ এসে দেখা দেন  পর্বতের ওপর…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *