যৌতুক
চতুর্থ শ্রেণীর পর ভাগ্যে নেই স্কুলে পড়ার
দুর্ভোগ দুঃখ কষ্টে শুরু হয় জীবন গড়ার।
বার বছর বয়স পর তার বিয়ে হয়ে গেল
পঁচিশ বছর বয়সেরই একজন বর পেল।
বিশ বছর বয়সে হলেন তিন সন্তানের মা
এই সময় ঘটলো মর্মান্তিক এক ঘটনা যা!
বেদনাদায়ক মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে গেল
যৌতুকের পণের জন্যেই বিতাড়িত হলো!
দুশ্চিরিত্রা হিসাবেও বদনামে তাকে পায়
নির্মম প্রহারের আঘাতও সহ্য করে গায়।
মূর্ছা গেলে স্বামী মনে করে মরেই গেছে
গোয়ালঘরেও তাকে টেনে হিঁচড়ে নিছে!
সে সময় তিনি সন্তান সম্ভবা যেন ছিলেন
গোয়াল ঘরেই তাঁর কন্যা সন্তান পেলেন!
তিনি নিজে কাটেন তারতো নিজের নাড়ী
স্বামীর ঘর হতে বিতাড়িত হন তাড়াতাড়ি!
বাপের ঘরে আশ্রয়ে মিললো না যে ঠাঁই
অবশেষে শশ্মান ছাড়া থাকার স্থান নাই!
শবদেহ পোড়ানোর খাবার ছিটানো হতো
সেসব খেয়ে তার ক্ষুধা নিবৃত করে নিতো!