চৈত্র সংক্রান্তি

চৈত্র মাসের শেষ দিনটিতে সংক্রান্তি হয়
প্রতি বছর এর উদযাপনও ঐ দিনে রয়।

চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালির জীবনে আসে
কত লোক নির্ধারিত স্থানে গিয়েও মিশে।

আনন্দ উল্লাস করে যতোই শিশুদের দল
একত্রিত হয় সকল আরো রয় কোলাহল।

কয়েক গ্রাম মিলে একস্থানে বাজার চলে
সেথায় অনেক কিছু আরো কিনতে মিলে।

হিন্দু সম্প্রদায় পালন করে নিজেদের মত
চৈত্র সংক্রান্তির দিনে তারা ফুর্তি করে যত।

শাস্ত্র লোকাচার অনুসারে পালন করে স্নান
প্রভৃতি ক্রিয়া কর্ম করেও উপবাস ব্রত দান।

চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে চলে আসছে মেলা
অনুষ্ঠান পূজা পার্বণ পালনে করে না হেলা।

ঐ দিনটিকে যেন আরো বেসমা’র দিন বলে
উত্তর বঙ্গে চৈত্র সংক্রান্তির পার্বণ যত চলে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এ পার্বণটি পালন করেন
সমাজের সকলেও কত ফুর্তির পথই ধরেন।

Similar Posts

  • আত্ন সম্মান

    পরিকল্পনায় বিশেষ ত্রুটির জন্যপরিবেশের কত কিছু নষ্ট হওয়ায়ঘুরছে চতুর্দিকের মানুষ হয়ে হন্য। সর্বোপরি দায়ী আমাদের সভ্যতাঅসুন্দর অশালীন যত চলাফেরাবন্ধ না করলে সৃষ্টি হয় অসভ্যতা। অসচেতনতায় ডেকে আনে দূর্ভোগযেথায় উপযুক্ত দূরদর্শিতার অভাবসেথায় ভোগ করে সবে কত দূর্গতি ! স্বার্থপরতা ভোগান্তির সকল দায়জন হিতার্থে আত্নত্যাগ না করলেমানব সমাজ সর্বত্র অশান্তি পায় ! অর্থ লিপ্সায় বিদ্বেষী ভাব ও…

  • দেশ প্রেম

    কতো লোক নিজেকে সুখী ভাবেতারা জানে কারো কাছেতে কিছুপ্রত্যাশা করলে দু:খ বেড়েই রবে। জীবনে অশান্তি ও কষ্ট কতো মনেআল্লাহর উপর ভরসা রেখে শতোচেষ্টায় রয় সুখ কেমন করে আনে৷ প্রাপ্তি প্রত্যাশার পার্থক্য হল দুঃখনিজের প্রত্যাশাটা একটু কমিয়েফেললে উপস্থিত হয়ে থাকে সুখ। পকেটে ভর্তি কারো রয় যদি টাকাঅনেক কাজ কর্মের সুযোগ থাকেটাকা না থাকলে গুণীও হয় বোকা।…

  • তারুণ্যের উল্লাস

    মুক্তি লাভের সংগ্রামে একটি জাতির রক্ত এতকত নিষ্ঠুরতা অবিচার-আধুনিক সমাজে যেনবটেই সভ্যতার ইতিহাসে বিরল অর্থ-সম্পদেরক্ষেত্রে নয় শুধু চাকরি ব্যবসা শিক্ষা স্বাস্থ্য এবংব্যবস্থাপনার অধিকার এমনকি রাষ্ট পরিচালনাসবখানেতো প্রকট বৈষম্য রয়েছে আরো যতো। বাঙালির জন্য কোন ব্যবস্থা পাকিস্তান রাখেনিপ্রাকৃতিক দুর্যোগ বৈদেশিক আক্রমণ টেকাতেএ দেশটাকে পাক শাসকরা উপনিবেশ বানিয়েশোষণই করেছে শুধু তাই নয় ভাষা-সংস্কৃতি ওসমাজ বিকাশের পথটাকে তো…

  • দুর্বিষহ

    সময়ের উল্টো গতি,ঠিক নেই মতিগতি।বাজার মূল্যের চড়া,মন ছানাবড়া।তেলের তেলেছমাতি,পিয়াজের উর্ধগতি,মানবকূলের দূর্গতি।জীবনের তাগিদ জিবীকার,চতুর্দিকে হাহাকার ।ভিষন্ন মন,সময় ক্ষেপন!কিংকর্তব্য বিমোড়ের মত,চিন্তা – ফিকির অবিরত।

  • পরশ রতন !

    মায়ের দোয়া লাগে যার গায়তাকে সাক্ষাৎ হলে চেনা যায়প্রমাণ হয় তার ভাব ভঙিমায়। পঞ্চরস মেখে আছে যেজনকতো রসিক সুজন মহাজনআত্মা অন্তর যে পরশ রতন। সঠিক রাস্তা যার ভাগ্যে ঘটেআঁধার কালে তার চন্দ্র ওঠেআয় উন্নতি হয় জীবন হাটে। উপাসনা আরাধনা করে চলএসব করছে যত শান্তি হলোশান্তি সমৃদ্ধিতে জীবন গেলো! ইবাদত ও বন্দেগীর কষ্ট সয়আল্লাহ রাসুলের রাস্তায়…

  • মুক্তির পণ !

    আল্লাহ বলেন তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করোপালনকর্তার নিকট তিনি অত্যন্ত দয়াবানতোমরা সকলে কল্যাণ লাভের পথ ধরো! তোমাদের ওপর বৃষ্টিধারা নাজিল করবেনঅজস্র ধন সম্পদ সন্তান-সন্ততি নদী-নালাসবুজ শ্যামল উদ্যান স্থাপন করে রাখবেন! গোনাহ মাফ কেবল পরকালের চিন্তায় নয়তাওবা ইসতেগফার যা দুনিয়ায় কল্যাণওসুন্দর জীবন-যাপন করার রাস্তা সুগম হয়! কোরআন হাদিসেতে এ কথা সুস্পষ্ট যেনোএটা এমন এক বড়ো আমল যাতেই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *