কতো হাহাকার

ধনীদের সংখ্যাই বাড়ছে বাংলাদেশে অতি
যাদের কাছে অনেক বেশি সম্পদ রয়েছে
তাদের যেন বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোকেও
হার মানিয়েছে কিন্তু দেশে এতো পুঁজিপতি
থাকা সত্ত্বে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে
উঠছে না নতুন কর্মসংস্থানের বাড়েনি গতি।

কমছে না যেনোও বেকারত্বেরই কোনো হার
দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতার গ্লানি মুছে না
ধনী গরিবের তারতম্য কমছে না কিন্তু কেন
কারা কিভাবে রাতারাতি সম্পদেরই পাহাড়
গড়তে সক্ষম হলো দেশের সাধারণ নিম্ন ও
মধ্য আয়ের মানুষ কতোই করছে হাহাকার !

কিছু লোকে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে
সমাজের স্বজন তোষী পুঁজিবাদী আরোও
অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারণে অর্থ ব্যবস্থায়
এ ধরনের ব্যক্তি মালিকানা আরো মুনাফা
বণ্টনের ক্ষেত্রে অবাধ স্বাধীনতাও রয়েছে
তবে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সব যায় বিফলে।

উৎপাদন মুনাফা ইত্যাদির ক্ষেত্রেই অর্জন
হালাল হারাম ও বৈধ অবৈধের সীমারেখা
কোনো চিহ্নিত করা হয়নি ফলে শোষণও
জুলুমের দ্বারই অবাধ উন্মুক্ত হয় লুটপাট
সুদ ঘুষ দুর্নীতি প্রতারণা দ্রব্যে ভেজালও
কালোবাজারিরা করে কত তর্জন গর্জন।

মানুষের অনৈতিক মানসিকতা গড়েই ওঠে
এক ধরনের চাহিদা লাগামহীন বেড়ে যায়
বাড়তি চাহিদাসৃষ্ট অভাবের তাড়নায় সর্বত্র
অবৈধ পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে সমাজের
অর্থ উপার্জনের তৎপরতা শুরু হয়ও অন্য
শ্রেণীর মানুষের যা সম্পদের চাহিদা মিটে।

Similar Posts

  • পাল তুলে দে

    কোনো মাঝি থাকে না যদিনদী নালা অতিক্রম করতেবৈঠা হাতে নিয়েই মনানন্দেবেয়ে যেতে থাকো নিরবধি। বসে থাকলেই গুটিয়ে হাতলক্ষ্য স্থানেতো ঠিক সময়েপৌঁছা সম্ভব না হয়ে আরোহয়ত সেথা রবে বেশী রাত। বাতাস যদি বইতে রয় তবেকষ্ট সহ্য করে দাঁড় টানবারবৈঠা নৌকাতে রেখে তখনিমাস্তুলেও পাল তুলতে রবে। ছেড়ে দিও না কখনো হালদাঁতে দাঁত রেখে কষ্টগুলোচেপে ধরো হয়তো বাতাসেগন্তব্যে…

  • কষ্ট সফল

    ভূমিষ্টের পর মানব শিশু কত অসহায়,মা বাবা আত্নীয় সজন একমাত্র সহায়।ঘুম পাড়ানো খাবার গোসল মা করায়,কান্নাকাটি করলেই মায়ের ঘাম ঝরায়।কত আরাম আয়েসে থাকতে পারে সে,চিন্তা ফিকির প্রতিনিয়ত করে থাকে যে।দিন মাস বছর পেরিয়ে একটু বড় হয়,হাঁটা চলা দৌড় ঝাপ করতে তখন রয়।মায়ের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকে হোচট নি খায়,পড়ে গিয়ে কখনো কি কোন ব্যথা পায়।সময়ের বিবর্তনে…

  • অলস মস্তিষ্ক

    ফেলে দিওনা কঠিন ভেবেআরম্ভ করো মনোযোগেরসাথে কঠোর পরিশ্রম আরতপস্যায় সম্পন্ন হয়ে যাবে। কাহারো অলস মস্তিষ্ক হলেকাজ কর্মে তখন ভয় পেয়েউদ্দেশ্য সফলে বিফল হয়েসব কিছু রেখে দেয় ফেলে। সাহস আরো মনোবল নিয়েকর্ম সম্পাদনের মনোনিবেশকরে ঐকান্তিক চেষ্টার ফলেভয় ভীতিও ত্যাগ করে দিয়ে। সময়ের মূল্যায়ন করে যাবেদুনিয়া ও আখেরাতের কর্মেআল্লাহর মেহেরবানীতে সুখশান্তি সদা সর্বদা পাবে তবে।

  • মনুষ্য !

    কত মানুষ নামধারীতারা অমানুষের দলতাদের আছে যতোজোর শক্তি ও বল! ভালো সময়ে তারাযা ঘনিষ্ঠ হয়ে চলেস্বার্থ সিদ্ধির জন্যেরসের কথাও বলে! ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেসহজ প্রকৃতির যারাধান্দাতে পড়ে সর্বস্বহারিয়ে ফেলে তারা! দুষ্টদের মিষ্ট আচরণেকেউ মুগ্ধ হয়ে গেলেঅবশেষে তার ভাগ্যেকতো দুঃখ কষ্ট মিলে!

  • স্নেহের বন্ধন !

    কতো সহজ নাম সরলাশান্তশিষ্ট আর শুদ্ধমতিতোমার কত মন ভালা। শ্ৰদ্ধার ভাব হয় অন্তরেঅনেক শিশু ভক্তিভরেবলে মা সম্বোধন করে! তোমার কোন কর্মফলেতুমি যে মোর সাথী হলেচলে গেলে একা ফেলে! আমিও বাঁধা স্নেহ ঋণেসদা ভাবনায় নিশিদিনেপ্রাণ বাঁচে না তুমি বিনে! দয়াল তোর দয়ার বলেজন্ম হয়েছে শুদ্ধ জলেপবিত্র হৃদয়ে সব মিলে! সৃষ্টি কুলের শ্রেষ্ঠই যাঁরাখোদার করুণাতে সেরাইবাদতে শান্তি…

  • ব্যতিক্রম !

    এ জগতে কতো ব্যতিক্রম চলেদেখা যায় রাস্তা ঘাটে বের হলেছোট বড় যুবকও অনেক মিলে। আজব থাকে তাদের ভাব ভংগীপরনেই রয় সার্ট প্যান্ট বা লংগীসাথে রয় আরো অসংখ্য সংগী। তারা আশে পাশে অগনিত রয়তাদের বল শক্তি খুব বেশী হয়নিরীহ মানুষ যত নির্যাতন সয়। বয়োজ্যেষ্ঠ মুরব্বি আছে যতোঅবজ্ঞা করেই তারা চলে ততোআনকোরা আনাড়ি শত শতো। অনেকের দিন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *