অবমূল্যায়ন হয়
আজ থাকছে ত মাথাব্যথার যাপিত রম্য
নানা ধরনের উপমা ব্যবহার ও দৈনন্দিন
জীবনে উদাহরণ হিসেবে যেসব বিষয়ের
কথাও বলা হয় সমান যোগ্যতা থাকলেই
কেন অবহেলিত রয় তাহাই নয় বোধগম্য।
কথা বলতে গিয়ে আমরা যে সব উপমায়
স্বাভাবিকভাবে বাস্তবতার অনেক কিছু ই
ফেলে রেখে যাই আর এসব নিয়ে কাহার
কোনো মাথাব্যথাই নেই বিশেষ করে বলে
‘এক মাঘেই শীত যায় না’দৃষ্টান্ত রয়ে যায়।
পৌষ আর মাঘ মাস নিয়েই শীতকাল হয়
অথচ বাগ্ধারায় ‘ এক মাঘে শীত যায় না’
লেখা হয়,এক পৌষে শীত যায় না , এমন
বাগ্ধারা কোথাও লেখা নয় অবহেলাতেই
আরোও এ ছন্দের অবমূল্যায়ন যতো রয়।
মানুষ বলেছে ‘পিনপতন নিস্তব্ধতা’র কথা
সব সময়েই নৈঃশব্দ্য বোঝাতে সূক্ষ্ম ভাবে
মাপলে কংক্রিটের মেঝেতে পিন পড়লেই
কিছুটা হলেও শব্দ হয় তুলাপতন নিস্তব্ধই
যোগ্য বলে তো তুলা স্বাভাবিক ছিল সেথা।
সময়ের আবর্তে ঘোল বা মাঠার বর্ণনা হয়
এ ব্যবহার প্রায় হারিয়ে যাওয়ার খবর কয়
মাঠা খাওয়ার বিষয় তো আর আগ্রহী নয়
তার চেয়েও বেশি লাচ্ছির স্বাদ অধিক রয়
‘দুধের স্বাদ লাচ্ছিতে মেটানো’র প্রসঙ্গ নয়।
আমরা উদাহরণ দিতে গিয়েও বলি কতো
‘ হাতের পাঁচ আঙুল কখনো সমান হয় না ’
অথচ পায়ে যে পাঁচ আঙুল আছে হাতের
মতো যে অসম ‘পায়ের পাঁচ আঙুল সমান
হয় না ’ ইহা কেউ আর কখনো বলেনিতো।