দৈন্যের নিগ্রহ !

ধনী-গরিবের মাঝে একটা দূরত্ব তৈরি হয়
পুঁজিপতিরা নিজের সঞ্চয়ের ভাণ্ডারকেই
ভারি করতে অধীনস্থদের ওপর অশালীন
আচরণ শোষণ-নির্যাতন করতে কখনোই
করে না দ্বিধাবোধ যা সমাজে প্রচলন রয়।

সম্পদ আহরণ যে কোনোও প্রকারে চায়
একক মালিকানার একচেটিয়া প্রভাবেও
পুঞ্জীভূতকরণ পুঁজিবাদীরা কোনো রকম
এমন দৃষ্টি ভঙ্গির কারণে রাতারাতি তারা
সম্পদের পাহাড় গড়ার যত সুযোগ পায়।

সমাজের অন্যান্য মানুষ ফল ভোগ করে
মানব গোষ্ঠীর বিশাল অংশকে সমাজের
অর্থনৈতিক দৈন্য ও নিগ্রহের শিকারে যা
হয় এবং তারা ন্যূনতম প্রয়োজন গুলোও
পূরণ করতে ব্যর্থতার খেসারত দেয় পরে!

উৎপাদন আরো ভোগে অসামঞ্জস্য মিলে
তাই সমাজে বেকারত্ব বাড়ে ধনী-গরিবের
বিস্তর তারতম্য সৃষ্টি হয় সম্পদ আহরণের
ক্ষেত্রে কেউ অবাধ মালিকানার অধিকার
লাভে শান্তি হয় যদি সে শরীয়ত মত চলে!

বৈধ পন্থায় আয়-উপার্জন ও ব্যয় করলে
সুদ ঘুষ জুয়া প্রতারণা সকল প্রকারেরও
হারাম লেনদেন পরিত্যাগ করত: বাজার
ব্যবস্থার ওপর দখল দারিত্ব থেকে বিরত
হলে ভেদ সৃষ্টি হত না সত্যের পথ ধরলে!

Similar Posts

  • জীবন বাজি

    রাত পোহালে ছুটে চলে যায়অনেকে কতো মাট ঘাট নদীনালা খাল বিল পাহাড় পর্বতঅতিক্রম করে যার তার রুচিঅনুযায়ী পোশাক পরে গায়। কার গন্তব্যস্থান কোথায় রয়অন্যরা অনেকে তা জানেনাসেথা পৌছিতে যত সীমাহীনদু:খ কষ্ট দুর্ভোগ দুর্গতি আরকতো মাথার ঘাম ছুটেই বয়। প্রত্যেকের যেন উদ্দেশ্য থাকেকেহ প্রমোদ ভ্রমণে দল বেঁধেছুটে চলে যায় আরো অনেকেকর্তব্য কাজে যোগ দিলে পরেশতো কষ্টে…

  • অপ্রাপ্তির বেদনা !

    কান্নার জল সকলে দেখেহৃদয়ের যতো কষ্ট কেহোকখনো কোনো দিন তাহাকদাচিৎও দেখেনি চোখে। পাওয়ার সুখ শান্তি থাকেআর অপ্রাপ্তির বেদনা যাসারা জীবনে ভোলার নয়ভোগের মধ্যে রাখে যাকে। অন্যকে এমন কথাই বলোযে কথা বার্তায় কারো মনেকখনো কষ্ট দুর্গতি না দেয়তা সর্বদা লক্ষ্য করে চলো। কারোও মনে আঘাত দিলেসে যাতনার কারণে আল্লাহতায়ালার আরশ নড়ে আরতাঁর যতো অসন্তোষ্টি মিলে!

  • জগৎ স্বামী !

    দয়াল বন্ধু আমার মনে রাখিওবেড়ানো কালে তুমি সাথে নিওআঘাত ব্যথা পেলে শান্তি দিও। স্নেহের বন্ধু কখনোই ভুলো যদিবুঝতে পারব আমার বিধি বাদিনিরবে আসবেই তখন গুণনিধি। আখি মুদলে যে রূপ দেখা যায়আঁধারে আলো তাকে মনে চায়ধৈর্য ও প্রতীক্ষাতে বন্ধুকে পায়। তাই বারংবার আর বলব কতোআসবে সামনে আরো সুখবসন্তজন্মের মতো দেখে করিও শান্ত। এখন তোমাকেই কী বলব…

  • চিত্তহারী

    সামনে ঐ বিস্তীর্ণ পথগন্তব্যে গিয়ে মেশে,পশ্চাতেতে চিত্তহারীমনোহারিণী বেশে। স্নেহের টানে থেমে গেলেগন্তব্যেতে পৌঁছান দায়,সম্মুখ পানে এগিয়ে গেলেস্নেহ ছিন্ন হয়ে যায়। চিত্তহারীর প্রতি দুর্বললক্ষ্যেতেও অবিচল,কোথায় যাবো রে মনতুই-ই আমায় বল। কেন এমন হয় রে জীবনতুই কি বলতে পারিস?ছাতি ফাটে পিপাসাতেপানিতে থাকে তো বিষ। মৃত্যু শুধু সময়ের ব্যাপারপান করি কিংবা না করি,জনম ভরে দোটানাতেইবেঁচে থেকেও ধুঁকে মরি।

  • বন্যা পীড়িত

    অবিরাম বৃষ্টিরই জলঝরো ঝরো অনবরতযার শব্দ হয় ছলছল। মাঠ ঘাট আরো নদীজলেতে ভরপুর হয়েক্ষতিগ্রস্ত হয় নিরবধি। সবদিকেই শুধু পানিটইটম্বুর যতো বন্যার্তসকলে টানছে গ্লানি। বানবাসিদের যা কষ্টবসতঘরে পানি ঢুকেঅনেক কিছু হয় নষ্ট। গরু ছাগল আর হাঁসবন্যার পানিতে ভেসেমানুষের হয় সর্বনাশ। স্রষ্টা ছাড়া উপায় নাইকায়মনে প্রার্থনা করিযেনো সবে শান্তি পাই!

  • হাসায় – কাঁদায় !

    আধুনিক যুগের মেশিন আছেসকল লোকের মায়েরই কাছেকেউরে হাসায় কেউরে কাঁদায়আর কলের পুতুল কলে নাচে! যেমন চুম্বকের ন্যায় আকর্ষণকতো পুরুষের ধন করে হরণকেউবা যে অকস্মাৎ হয় মরনশীত আর গরম করে নিয়ন্ত্রণ! খোদাপাক স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিধারাএই দুনিয়াটাতে আসিল যারামায়ের গর্ভেতে সকলতো গড়াএতেও দ্বিমত নেই নিরব সাড়া! যার অন্তরে যত রয়েছে শান্তিআছে যে তার সঠিক ভাবমূর্তিচলেছে দূরে যেনো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *