বাঁচাও প্রাণ !

সৃষ্টি কর্তার মহব্বতে ভরা
উপাসনা বন্দেগীতে যারা
পরকালে মুক্তি পায় তারা!

রাব্বুল আল আমিন যিনি
মাফ করতেই খুজেন তিনি
দয়ার সাগর আমরা জানি!

অন্তর মজিলে তাঁর প্রেমে
সবে স্মরণ করি দমে দমে
সুখ শান্তি পাবো দেহ তনে!

রাখো তুমি চরণ ছায়াতলে
দিওনা মোদের দূরেই ঠেলে
অফুরন্ত রহমতে সব মিলে!

সীমাহীন তোমার গুন গান
কাংগালদের কর পরিত্রাণ
অসংখ্য দয়ায় বাঁচাও প্রাণ!

Similar Posts

  • উন্নতির শিখর

    এ জগতে ব্যস্ত মানুষ যতোযদি সঠিক ভাবে সবে সময়ভালো আর মহৎ কাজকর্মেকাটায় তারা হয় কত উন্নত। ব্যক্তি পরিবার আর সমাজসবার সম্মিলিত ঐকান্তিকপ্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নয়নেরশিখরে এগিয়ে পরায় তাজ। দশের লাঠিটি একের বোঝামিলে মিশে দায়িত্ব ঠিক মতআদায় করে গেলেই অত্যন্তকঠিন কাজটিও হয় সোজা। যাঁরা কর্তব্য নিষ্ঠো সচেষ্ট হয়তাঁদের মাধ্যমে প্রত্যেক দেশগোষ্ঠী জাতি আর সমাজ যাকল্যাণের পথেও চলতে…

  • মুক্ত হলো !

    হৃদয় আমার স্মরণ করেছোট বেলার কত কাহিনীউল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী যাসুপ্ত রেখেছি অন্তরে ভরে। বাড়ী থেকে বের হয়ে পরেরাস্তায় চলতে বন্ধুকে নিয়েগাছের চূড়াতে উঠে খোঁজকরতে থাকে পাখির নীড়ে। বন্ধুকে পাখি টোকর মারেকতো চিৎকার ডাকাডাকিকরে এতেও থেমে যায় নিছানা দু’টিসহো নামে পরে! মা পাখিটির চিৎকার শুনেআরো পাখিরা জড়ো হয়েউড়োউড়ি করে ডাকে এরকষ্ট মুই অনুভব করি মনে! বন্ধুকে বলি…

  • আমরা কৃতজ্ঞ !

    হে দয়াময় মোদের সৃষ্টিকর্তা প্রভুতোমার কৃপায় আমরা পৃথিবীতেআশরাফুল মাখলুকাত হিসেবেইজন্ম গ্রহণ করে কতো ভাগ্যবানহয়েছি তাই গর্বিত মোরা কখনোদয়া হতে দূরে যেন না থাকি কভু! সৃজন করেছো উপাসনার তরেএকান্ত তোমার অসীম করুণারফলে সকলে ধরণীর বুকে সুখীসমৃদ্ধভাবে জীবন যাপন করেইযাচ্ছি অনবরত এগুলোর জন্যকৃতজ্ঞতা জানাই বন্দেগী করে! হে খোদা তুমি কতো মেহেরবানআমরা সবে ভুমিষ্টের পর থেকেঅফুরন্ত প্রয়োজনীয় যতো…

  • রৌদ্র ছায়ার চিত্র

    হাজারো রঙ এক রঙে বাস করেহালকা গাঢ় মধ্যম স্বচ্ছ চকমকেঝলমলে আলোকোজ্জ্বল রেশমীসুরমাই নেকাব ঢাকা মিশেল ধরে। কানামাছি খেলা রৌদ্রছায়ার চিত্রঅনন্য হয়েই উড়তে থাকা অথবাজাহাজের গম্ভীর যেন নোঙর যারওপর দিয়ে ঢেউ বয়ে যায় বিচিত্র। তারপরও যার ওপর শান্তির ছায়াছেয়ে থাকে তার তলদেশে পাহাড়ীঝর্ণার গতি চঞ্চলতা অনুসন্ধানেরজ্বলন্ত শিখা কামনার উন্মত্ত মায়া। অসংখ্য তরঙ্গ ভিন্ন রকম ছোট বড়যখন…

  • ধোঁয়াশাচ্ছন্ন

    খোদা পৃথিবীর উপর পাহাড় রেখেছেন যত,সৃষ্টি করেছেন টিলা আরো পর্বত মালা কত।জমিতে ফসলাদির বরকত আমাদের তরে,ভোজনের আর পানীয় কত গাছ বৃক্ষে ধরে।ভূগর্ভে সুষম রূপে খাদ্য অসীম মজুদ রাখা,গাছ গাছালী তরুলতার আছে কতই শাখা।আকাশ মণ্ডল প্রথমেই ছিল ধোঁয়াশাচ্ছন্ন,বর্ষাকাল এবং বৃষ্টির দিনে থাকে মেঘাচ্ছন্ন।সপ্তাকাশ আরো পৃথিবী পুঞ্জীভূত হয়েছিল,আল্লাহ তায়ালা এ দু’টির পরে সূচনা দিল।চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিজ্ঞান ক্লান্ত…

  • দুর্বিষহ

    সময়ের উল্টো গতি,ঠিক নেই মতিগতি।বাজার মূল্যের চড়া,মন ছানাবড়া।তেলের তেলেছমাতি,পিয়াজের উর্ধগতি,মানবকূলের দূর্গতি।জীবনের তাগিদ জিবীকার,চতুর্দিকে হাহাকার ।ভিষন্ন মন,সময় ক্ষেপন!কিংকর্তব্য বিমোড়ের মত,চিন্তা – ফিকির অবিরত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *