তুমি মোর চাঁদ

চলে যেতে চাও কেন তুমি বলো
দুর্নাম তোর লাগি জগতে হলো।

নিজের মধ্যে রয় অনেক বিবাদ
দেখবো তোমার মনে কতো সাধ।

তুমি আমার চাঁদ সবে কয় কালো
জীবনে মরণে যা আশার আলো।

যাকে সর্বদা দেখি স্নেহের চোখে
সুন্দর মনে স্থান দেই তারে বুকে।

দুঃখে বুক ভেসে যায় নয়নজলে
বলতো যত ব্যথা পাইলে নিরলে।

কষ্ট সহ্য করে যথেষ্ট আশা ছিলো
কেমনে ভুলে যাওয়ার মনেও হল।

সুখী হলে তার জন্যে কতই ভালো
সে জ্বেলে দিতো জীবনের আলো!

খোদা পাক রহমানুর রাহিম কত
মাফ করেন তিনি গুনাহগার যত!

Similar Posts

  • মা বাবা হারা ছেলে

    দিনরাত কাটে রাজধানীর হাতির ঝিলেবিষণ্ন মনে আছে বসে মাবাবা হারা একছেলে বিকেলে কৃষ্ণচূড়া গাছের উপরেচোখ আটকে যায় উড়ন্ত কাক ও চিলে। গাছের ছায়ায়ও এক ঘুমন্ত শিশু ছিলমাছি কয়েকটা তার ঠোঁটে নাকে মুখেবারবার বসে উৎপাত করছে সে ঘুমেরমধ্যেই হাত ও পা নাড়া চাড়া করে নিল। শিশুটিও তাড়ানোর চেষ্টা করছে মাছিআরও কয়েকটি শিশু আশ পাশে ব্যস্তদৌড়ঝাঁপে কিন্তু…

  • বিরহ যাতনা !

    হে প্রাণের বন্ধু কেমন আছো ভাইদীর্ঘদিন ধরে কতো প্রতিক্ষা করেতোমার কোনো খোঁজ খবরই নাই। অনেক অনুসন্ধান করেও হয়ে হন্যদিক বিদিক ছুটা ছুটি করেই যাচ্ছিআমি তোমার জন্যে কতোই নগন্য। তুমি বল আমি এখন কোথায় যাইঅনোন্যপায় হয়ে দিশে হারার মতসুখ শান্তি আরাম কবে আরো পাই? তোমাকে ছাড়া শান্তি পাব কোথায়যদি আর কোনো শান্তির তথ্য পাইযত দূরে হউক…

  • ভুলি নাই ভূলবনা !

    আমরা কয়েক জন বন্ধু মিলেবেড়ানোর উদ্দেশ্যে এক সাথেবাসা থেকে কতো দূরে গেলামআনন্দ আর ফুর্তি করার ছলে। অনেক গল্প গুজব আরম্ভ হয়সবার মন খুশিতে ভরে আরওহৈ হুল্লোড়ে কৌতুক তামাশায়হৃদয় ভরে খুশির জোয়ার বয়। দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে চলে যাইঅবশেষে একটি খেলার মাঠেউপস্থিতির পরে দর্শক হিসেবেখেলা ভোগ করে আনন্দ পাই। আমরা সবে খেলা ভোগ করিসন্ধ্যার পূর্বেই খেলা…

  • এসো হে বৈশাখ

    পহেলা বৈশাখে বাঙ্গালী উৎসবে মেতে উঠেজাতীয় জীবনের অন্যতম ইহা একটি দিনবাঙ্গালী জাতি দল-মত নির্বিশেষেই অনেকঅনুষ্ঠান করে আনন্দ ও উল্লাস আরো ঘটে। প্রাচীনকাল হতে বৈশাখের চলছে উদযাপনপহেলা বৈশাখ এক সময় গ্রামীণ জীবনেরঅংশ থাকলেও বর্তমানে গ্রাম আরো শহরউভয় স্থানে সমানভাবে পালিত হয় অনুষ্ঠান। গ্রাম কয়েকটি মিলে করা হয় বৈশাখী মেলাপণ্যের দোকান সেথায় হরেক রকম থাকেশিশুদের নাগর দোলা…

  • বার্ধক্যের কষ্ট

    বার্ধক্য আসলেই মানুষ কষ্টে পড়ে যায়হাসি খুশি চলা ফেরায় শান্তি নাহি পায়। বয়স্করা সবার থেকে যত ই বেশি করেআগ্রহ আকাংখা বাড়ে অন্যেরও তরে। যৌবনকালে বেশী করে যত কিছু করোবার্ধক্যের স্মরণে তা সঠিক রাস্তা ধরো। তরুণদের মূলমন্ত্র থাকে আদর্শ জীবনসুন্দর সঠিক পথ আনে কল্যাণের মরণ। বয়স্করা যুদ্ধের অনেক আহ্বানও করেতারুণরা নিজেতো সেই যুদ্ধ করে মরে। যুবক…

  • কতো গুণগান !

    নামাজ পড়তে চল যাইআর কারো ভরসা নাইআল্লাহর গুণগান গাই। বান্দা সকল চির রোগীভব রোগে শোকে ভুগিমন্দ স্বভাব হবো ত্যাগী। আল্লাহর আশ্রয় নিলেমন ধাবিত করে দিলেদিন পাতে শান্তি মিলে! সৃষ্টিকর্তা আঁধারের বাতিইবাদাত বন্দেগীর সাথিভবে যত মুসলিম জাতি! খোদা ও রাসুলের পথেসুখ সমৃদ্ধি আছে যাতেসময় যায় শান্তির সাথে! ধরায় সৃষ্টির জীব সেরাপৃথিবীতে ছড়িয়ে যারাইবাদতে সুখী হব মোরা!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *