যতো গন্ডগোল !

চলে কতো আবুল তবুল
সৃষ্টি করে যতো গন্ডগোল

পরিবেশ যা ঘোলাটে হয়
শত অসন্তোষ লেগে রয়।

দোষীও মাত্র কয়েক জন
ভোগে কতোও লোকজন।

তারা সকল দেশের শত্রু
কখনো তো হবে না মিত্র।

ওদের দ্বারা কলুষিত দেশ
পলায়ন করে যায় বিদেশ।

বিদেশেতে যদি তারা যায়
সুখ শান্তি আর নাহি পায়।

আল্লার রাস্তার যারা চলে
জীবনে কতো শান্তি মিলে!

তিনি অসংখ্য আরাম দেন
দুর্ভোগ অশান্তি দূরে নেন!

Similar Posts

  • শৈশব

    হাঁটি হাঁটি পা পা করে,কোথাও কিছু না ধরে।চলতে শিখেছি আমি,ফেলে যেওনা তুমি।পারবেনা যেতে একা,গেলে হতে পার বোকা।আমি কিন্তু বুঝতে পারি,করবনা মোরা মারামারি।চলবো হাতে ধরাধরি,করতে যাবনা জুরাজুরি।থাকবো করে গলাগলি,উড়াবোনা ধুলোবালি।একত্রে চলবে খাওয়া,থাকবেনা বেশী চাওয়া।মিলেমিশে মোরা পড়ব,সুন্দর জীবন গড়ব । তাপদাহবইতেছে কত প্রখর রোদ,অতিরিক্ত গরমের ক্রোধ।প্রচণ্ড রোদের তীব্রতায়,তাপদাহের অতিষ্টতায়।রাস্তা – ঘাট মাঠ পথ প্রান্তর,খা খা রোদে হয়…

  • ব্যাথার জ্বালা !

    কতো শতো লোক কষ্টে আছেকেহো জানে না তাদের ভাগ্যেকি বা যায় ঘটে আর সুখ শান্তিঅনেকের বেশ দূরে চলে গেছে! অনেকে ব্যাধি যাতনায় ভোগেদুর্বিষহ অবস্থা আর কত যেনব্যাথা যন্ত্রণার মধ্যে যত সময়অতিক্রম করছে কঠিন রোগে! কষ্ট সহ্য করে সবে চলতে হয়জীবনে যার যতো কিছুই ঘটেসব কিন্তু আল্লাহর আদেশেরফলে যা সকলের ললাটে রয়! সৃষ্টি কর্তা অসংখ্য মেহেরবানতাঁর…

  • তুমি মেহেরবান !

    সকলে চলো ধৈর্য্য ধরেআল্লাহকে স্মরণ করে! খোদার পথে যারা চলেসর্বস্থানেও শান্তি মিলে! অভাব অনটন দূর হয়পরিবারে যা শান্তি রয়! সৃষ্টিকর্তার করুনা কতমুক্তি পায় অসংখ্য যত। আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতিকল্যাণের হবোই সাথী! ইহ পরকালে মুক্তি চাইখোদার কৃপা যেন পাই! তিনি কতো মেহেরবানহাশরে পাইযে পরিত্রাণ!

  • মা বাবার সন্তোষ্টিতে সব সুখ

    পথের ধারে বাড়ি তার সেথায় তারা রয়তার ছোটো ভাই বোন মুকুল আর পুতুলসংসারে মা বাবা সহ মোট পাঁচ জন হয়। রাতুল বড়ো তাই ধরেছে সংসারেরই হালসর্বদা রুজি রোজগারের ধান্দায় থাকেওকখনো মাঠে মাছ ধরতে নিয়ে যায় জাল। বয়ষ্ক মা ও বাবা এখন কাজ কর্মে অক্ষমভাই বোন তিন জনের মধ্যে রাতুল যে বড়খানা খাদ্য যোগাড় করতেই ব্যস্ত…

  • ঘুমমগ্ন কতো

    কে তুমি জুরে ডাক দিলেকত আরামের ঘুম টাকেকেনোই যেন কেড়ে নিলে? গভীর ঘুমমগ্ন থেকে উঠেআরামের বিছনা ছেড়েইদরজা খুলতে গেলে ঘটে। দেখলাম বাল্য বন্দু মোররিক্সায় বসেই আছে সেঘায়ে ছিল ওর যত জ্বর। বলি তোকে মনে কত চায়ঠিক আছে এসো ভেতরেযা প্রতীক্ষায় তোমার দায়। মোরা সামনা সামনি বসিছোট বেলার যতো আরোখেলতে করছি রেষারেষি। জিজ্ঞেস করলে সে বলেডাক্তার…

  • বিকশিত

    পিতৃহীন বা অভিভাবকহীন অসহায়শিশুরাই মূলত অনাথ ইয়াতিম শিশুজ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হওয়ার প্রাক্ষালেযারা পিতৃ স্নেহো হতে বঞ্চিত হয়েছেঅন্যের আদর ও যত্নো তাদের সহায়। অনাথ এতিমদের পুরো দায়িত্ব নিলেআর পরিশেষে তাদের প্রতি উদারতাদেখিয়ে আল্লাহর সন্তোষ্টি উপার্জনেরলক্ষ্যে দায়িত্ব পালন করে গেলে পরেইবাদতের মধ্যে শামিলের নেকি মিলে। ইয়াতিম মিসকিনদের প্রসঙ্গেই মিলেমহান আল্লাহর বাণী,” তুমি কি এমনলোক চিন যে দ্বীনকে অস্বীকার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *