সর্বনাশা নদীরে !

ঘুরে বেড়াই পুরো দুপুর পারে পারে
কোথা থেকে আসছো তুমি কোনো
মিলনমুখে বয়ে-যাওয়া কতোখানি
গভীরতা এসব বিষয়েই বিষদভাবে
জানতে আমি জিজ্ঞেস করি কারে?

উদ্‌গত এ ঢেউ তোমার বুকেতে রয়
আন্দোলিত করে কত ভালো লাগে
মাছের চঞ্চল মুদ্রার মতো উচ্ছলতা
অঞ্জলিতে ভরে নিলে জল কোথায়
গিয়ে তাও একদম যেন অদৃশ্য হয়!

বসে ই থাকি তোমার উষ্ণ বালুতটে
আর সেথা ওপর থেকে বালু সরালে
একটি স্তর উঠে আসে শীতল স্পর্শ
যে শীতলতা তুমি বিছিয়ে রাখো যা
শীতের মৃদুমন্দ বাতাসের মতো ঘটে!

খেলতে থাকি বালিতে ঝিনুক নিয়ে
যতবার লিখে দেই বালির বুকে নাম
গভীর থেকে গভীর তর অবাক হয়ে
দেখিও কী নিপুণতায় আমার সমস্ত
রচনা ধীরে ধীরেই মুছে রাবার দিয়ে!

Similar Posts

  • অবহেলিত হলে

    আন্তরিকতার মানুষগুলো এমনই করো আসলেপ্রতীক্ষায় থাকলে কাঁদাও যখন ছুটে পালায় মুখঘুরিয়ে কিংবা রোজকার কষ্টের সাথে লড়তে যেতুমি টাতো এক সময় হয়ে যায় তোদের বিফলে। এই তোমরাই সেদিন আবার ফিরে এসে তো বলোসেদিন আবার সে মানুষটাকে আমার ফেরত চাইবড্ড বদলে গেছ তুমি কী করে পারলে এত বদলেযেতে যেন বদলে যাবার সমস্ত দায় তোমার হলো! অস্বীকার করবার…

  • প্রাক্তন

    রাস্তা ঘাটে গরুর গাড়ি,জমি জমায় হাল।বর্ষায় চলে রংবেরঙের,ডিঙি নৌকার পাল।আগের যুগের মাটির কলস,মাটির কলসির জল।ঘরের শোভা রঙিন শিখা,কই যে গেল বল!শকুনদেরে যায় না দেখা ,বিরল দেখি কাক!রাতের বেলা শিয়ালদের,যথায় তথায় ডাক।পুরাতন শিল আর পাটা,কষ্টের ভাটা ঝাল।এখন নাই কাঠের ঢেঁকি,ঢেঁকির ছাঁটা চাল।প্রাচীন কালের পালকি চলার,নাই রে কোন সুর।ঠেলার গাড়ি হারিয়ে গেল,হায়রে! গেল যে কত দূর।না ঘুমিয়ে…

  • শীতল ছায়া !

    বিশাল পৃথিবীর সমান শব্দটা বাবা যেনোসব শ্রদ্ধা দায়িত্ব আর ভালো বাসায় ঘেরাসন্তানদের শুধু নয় তাঁর ভালো বাসা শেষজীবনের নিশ্চয়তাটুকু দিতে উজাড় করেতিনি করেন না দুবার চিন্তা কখনো কোন! তাঁর কাছে দামি সন্তানের চেয়ে নেই আরসন্তানকে তার বাবা যে প্রতি মুহূর্তে ছায়ারমতোও আগলে রাখেন গ্রীষ্মের খর তাপেবটমূলের ছায়া যেন করে শীতল সকলকেমাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্ট…

  • ইন্টারেস্টিং

    জানতেও চেষ্টা করুন অতীত নিয়ে বাবারআপনাকে নতুনভাবে যেন জীবনে ভাবতেশেখাবেই সামনের চলাচলে এগিয়ে যাবার। ইন্টারেস্টিং কাজের মাধ্যমে ভালো থাকেতাঁর মন যাতে সে দিকে লক্ষ্য রেখে সর্বদাসেবা শুশ্রূষাতে খেদমত করে যাবে যাঁকে। বুঝতে পারেন বাবার বাড়ি মহব্বতের মর্মএকটা কন্যার বিয়ে পরক্ষণে কর্তব্য বাড়েঅন্যের মন যোগাতে করে যায় সকল কর্ম। কোন সন্তান পায় না বাবার থাকা অবস্থায়কিছুতে…

  • যত গন্ডগোল

    যথাযথ কাজ যদি করোজীবনভর কখনো কোনঅশান্তি স্থায়ী রয়না যদিসময় মতো দায়িত্ব সারো। সুখ শান্তি বয়ে যেতে রয়সময়ের দায়িত্ব সময়মতসম্পন্ন করার ফলেই তোআরো কতোই উন্নতি হয়। কর্তব্যটুকু ফেলে না রেখেযথা সময়ে তা সেরে নিলেআরাম আয়েশে অবশেষেভোগতে থাকে শান্তি সুখে। অলসতা যে অশান্তির মূলকর্তব্য কাজে অবহেলাতেপরিশেষে অনেকের মাঝেবেজে উঠে কত গন্ডগোল।

  • চেয়ে চেয়ে দেখলাম —

    শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি কতো আরউপস্থিত সকলে তাকিয়ে রই যারপ্লেন উড্ডয়ন করার সময়েই তাররানওয়ের মুহুর্তে কতো যে বাহার! দূর থেকে আমরা হাত ছানি দেইশীঘ্রই উড়োজাহাজ চললো যেইঅপলক দৃষ্টিতে চেয়ে দেখি সেইঅগোচরে চলে গেলো পরক্ষণেই! পরিচিতদের সাথেও সাক্ষাৎ হয়স্বজনের আগমনে প্রতীক্ষায় রয়কত বিদায়ের অপেক্ষার কষ্ট সয়বিদায় বা আগমন সংবাদও কয়! পাশের এক রেস্তোরাঁয় সকল যাইসেথায় বন্ধু…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *