কলির যুগ !

নিত্য নতুন কতো কিছু দেখি
আজগুবি আরোও যত লিখি!

পূর্বে অস্তিত্বই ছিলো না কোন
প্রতিনিয়ত এখন চলছে যেন!

কতো কিছু আর লিখে যাবো
জানিনা কবে যে শান্তি পাবো!

পথে ঘাটে যতো বাসা বাড়িতে
মোটর সাইকেল আর গাড়িতে!

পরনের প্যান্ট কত তালি মারা
খাম-খেয়ালী মতো চলে তারা!

কেউ হাঁটুর উপরে প্যান্ট পরে
ছতর ঢাকে না গর্ববোধ করে!

এখন যেনো চলছে কলির যুগ
কবে যে আসবে কপালে সুখ!

আল্লাহ পাক দয়াময়ও কতো
মুক্তি পাবো পাপী তাপী যতো!

Similar Posts

  • ক্ষণিকের জীবন

    সকলকে ভালবাসতে শিখবে যখনকল্যাণে কাজ করে যাবে জীবনেরপ্রান্তিলগ্নে গিয়ে ও দেখবে মানুষেরস্নেহের আকণ্ঠ ডুবে রয়েছো তখন। কতো বিচরণ করে সুখ শান্তি চেয়েবিশাল মহাজগতে মানুষ ক্ষণিকেরজীবন সুখময় করার জন্যে অত্যন্তকষ্টের পর সুখী হয় সফলতা পেয়ে। কতো উজ্জ্বল মুহূর্ত খুলে দেয় দ্বারআমাদের জীবনের সবচেয়ে যতোদুঃ সময়ের অন্ধকার যাতে কঠোরপরিশ্রম আর দু:খে সময় চলে যার। শতো যে মূল্যবান…

  • বিবর্তন

                  মানসিক কতই না খারাপ হলে ,     ক্ষতির চিন্তা করে যাচ্ছে ফলে ।  কিভাবেই করবে অন্যের ক্ষতি ,  প্রতিনিয়ত আছে যাদেরই মতি । সব কিছুতেই করছে ভেজাল ,  নেইকো তাদের কোন মায়াজাল। সুষম দ্রব্যেই সদা মিশ্রণ করে ,  খাদ্য প্রাণ নষ্টে দিচ্ছে যে ভরে । স্বার্থ সিদ্ধির চিন্তা ফিকির ধরে ,  ছুটছে তারা কতই না…

  • অহংকারী যত

    পরিচালিত অহংকার ডেকে আনে বিপর্যয়ফলস্রুতিতে সর্বক্ষেত্রে অর্জন হয় পরাজয়। অহংকার সৃষ্টি করে সকল ধরনের অজ্ঞতাতাদের উত্তরসুরীদের যা আরো অনভিজ্ঞতা। বুদ্ধিকে অহংকার ভেবে কখনও কর না ভুলঅহংকারীরা যথায় তথায় লাগায় গন্ডগোল। অহংকারী অন্যকেও বোঝানোর চেষ্টা করেসে সবার চেয়েও অনেক বেশি জানে পরে। যে ব্যক্তিও তার নিজে নিজে অহংকারী হয়অন্যের অহংকারকে কতই ঘৃণায় দেখে রয়।  মানুষ ছোট হলে যেন…

  • বিরহের অশ্রু

    তোমারই বিরহ কষ্টের অশ্রুকত যেন গড়ায় চোখে ,সে কষ্ট আরো শত ভয়ংকরবুঝে যারা থাকে দু:খে! কখনো কেউ যদি পর দুঃখেনাহি হতে পারে সে দুঃখিত,সৃষ্টি কুলের শ্রেষ্ঠ জাতি নামকখনো যে না হওয়া উচিত। দুঃখ এড়াবার জন্যে যে আশামিটেনা অনেকের জীবনে ,ধৈর্যের যত বাঁধ না ভেঙে তারসহ্যের বল যেন পায় মনে! অসংখ্য অগনিত মানুষ ধরণীহতে চীর তরে…

  • দৌরাত্ম !

    প্রতিনিয়ত যা দেখা যায়বর্তমান কষ্টের জমানায়। দু:খীদের হক কেড়ে নেয়গরীবেরে শান্তি নাহি দেয়। এগুলো করে যাচ্ছে তারাঠগভাজ ও বাটপার যারা। দিন রজনীই ধান্দায় রয়কিভাবে যেন ঠকাতে হয়। দৌরাত্ম বাহাদুরিও কতোওদের জন্য ভোগে শতো। স্বার্থের যা সুযোগ খুঁজেবেহুশ করে মাঝে মাঝে! অজ্ঞান করে হাতিয়ে লয়ভুক্ত ভোগী নির্যাতন সয়! ছিন্তাই টগবাজিতে যা পায়আনন্দ খুশিতে এসব খায়!

  • জন্মান্ধ

    আমাদের আশে পাশে কতো অন্ধএদের মধ্যে অনেক আছে কখনোপৃথিবীটাকে তাদের স্বচক্ষে দেখতেপায়নি এ জগতের তারাই জন্মান্ধ। আফসোস উৎসাহ থাকে আজীবননিজের এক রক্তের ভাই বোন ছেলেমেয়ে আপনজন প্রতিবেশী আত্নীয়স্বজন কাউকেই দেখেনি সারাজীবন। ভালো মন্দ খারাপ অনেক কিছু ঘটেআশে পাশের এসবের কিছুই দেখতেপায়নি কত অনুভূতি অনুশোচনা রয়আজীবন হতাশা আর নিরাশায় বটে। আরো আছে এসব দেখে যাচ্ছে যারাআল্লাহ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *