দূর কর যত দু:খ !

কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়
অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগ
নিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়।

তাদের নির্ধারিত আবাস নাই
আরো চিন্তায় থাকে কোথায়
খাবার জোগাড় করতে যাই।

দিন রাত পেটের ধান্দা করে
রাত পোহালে খাদ্য জোগাড়
করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে।

শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরে
কোন দিন কাজের বিনিময়ে
আয় করে সদায় নিয়ে ফিরে।

আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখ
তাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনো
তাদের দূর করে দেন যত দু:খ!

Similar Posts

  • কতো হাই ফাই !

    বর্তমান সময়ে আজব চলাকতো ছেলে আছে চলাচলকরে মেয়েদের বেশে দেখেমনে হবে পাশ্চাত্যের কোনঅভিজাত ফ্যামেলির যেনএক মেয়ে তাকেই উপদেশবাণীর কিছু যায় নাহি বলা। তারা কতোটা যে হাই ফাইবিলাশ বহুলই বাইক নামীদামী গাড়ি সুন্দর সু উচ্চোবাড়ি পরনে প্যান্টের উভয়হাটু একই ডিজাইনে ছিড়াঅথবা হাফ প্যান্ট লাগানোযাহা বলারই অবকাশ নাই। এতটা আধুনিক যুগের সবযেনো ছেলেদের চুলে ঝুঁটিবাধা ও ডিজাইন…

  • অফুরন্ত

    পৃথিবীর বুকে যতো কিছু আছেআমাদের ভোগ বিলাসে তা পাইসব কিছুর অফুরন্ত ব্যবস্থা করেদেন দয়াময় খোদা মালিক সাই। সৃষ্টির পূর্বে ব্যবস্থা করে দেন সবমানুষ জীব জন্তুর অসংখ্য খাবারযাতে প্রয়োজন মত ব্যবহার করেশান্তিতে পারে দিনরাত পোহাবার। কতো দয়াময় আমাদের রব তিনিতরু লতা পাহাড় পর্বত নদী নালাখাল বিল সাগর ও মহা সাগরে যাআছে এতে দূর করেন কষ্ট জ্বালা।…

  • সর্বোত্তম

    জগতে যত প্রকার জ্ঞান আছেতার মধ্যে সর্বোত্তম হলো যাতেনিজেকে চেনা যে একবার ঠিকমতো চিনতে পারে ইহ জগতেরশত জ্ঞান বাকি রইবে না পাছে। সবার আগে এ গুরুত্ব দিতে হবেনিজের মাপ ও মান বুঝে’ নিজেঠিক তো জগৎ ঠিক ‘ প্রবাদেরমতোই নিজের ব্যক্তি ও স্বাতন্ত্র্যবজায় রেখে এগিয়ে যেতে রবে। সত্যিকারের জ্ঞানী হওয়ার পথেএগুনো সম্ভব তখনই যখন সবাইজানবে যেন…

  • বিচার চাই !

    যত দোষের বিচার আছেএখনও ব্যবস্থা রয়ে গেছেকৃপা চাইনি তোমার কাছেউচিত বিচার আমার চাই! কেহই দোষী হলে বিচারেতারে সাজা দিবাতো পরেএখন কেন মার অনাহারেকেমন বিচার জানতে চাই! এসব কি তোঁর বিবেচনাঅনেক পেল মাখন ছানাকত আছে ভাত জুটে নাঘর ভাঙা আর ছানি নাই! কতো করে ভোগবিলাসগরিবের থাকেই সর্বনাশকেড়েও নেয় মুখের গ্রাসতাদের মনে কি দয়া নাই! এ সকল…

  • শীতার্ত রাজপথ

    রাস্তার আনাচে কানাচে কত পড়ে থাকেখিদে নামক কোন এক দানবের কারণেঘুম নেই আর না খেয়ে সময় যায় ফাঁকে। কেউ বাস্তবে দেখেনি কখনোও সে দানবচলনা আজ দেখে আসি অন্য কিছু করেকেমন চলে ক্ষুধার জ্বালায় ওইসব মানব। আমরা একই সাথে আজ বের হয়ে আসিএকই রুটিন করা প্রতিটি দিনের কম্বলেরভিতর থেকে বেরিয়ে অবস্থা দেখতে মিশি। একদা শীতার্ত রাজ…

  • সততায় মুক্তি

    কতো ব্যস্ততায় সময় কাটেসকাল গড়িয়ে দুপুর আরোদুপুর পেরিয়ে বিকেল তারপরেই রাত এভাবে ই সময়অতিক্রমে রয় স্কুল কলেজপথ ঘাট আর বাজার হাটে। জীবনের উন্নতিতে যে রয়সময়ের গুরত্বসহ কঠোরপরিশ্রম করে সময়মতো ইতার অবস্থান হতে মুনাফাঅর্জন করে তয় জীবনেরউন্নয়নে দেহে কত যে সয়। কঠোর সাধনা আর প্রচেষ্টাযেথায় নিয়োজিত রয়েছেদু:খ দুর্দশা অভাব অনটনঅনেক দূরে চলে যায় যারথেকে পরিশ্রমের ফলে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *