সৌন্দর্য্য সঞ্চারি

কতো শতো পাহাড় ছুঁয়ে যায় প্রেমিক
সাগর ও মহাসাগর ছুঁয়ে চলে নাবিক।

পাহাড়ের স্নিগ্ধতা সাগরের বিশালতা
আরোও কতো যেনো বনের গহীনতা।

বসুন্ধরার অবারিত যতো সৌন্দর্যতা
শতো সৌন্দর্যই অম্লান মনের তৃপ্ততা।

শুধু বিধাতার যে সৃষ্টি নহে তুমি নারী
পুরুষ গড়েছে তরে সৌন্দর্য্য সঞ্চারি।

নিজ নিজ অন্তর হতে বসি কবিগণ
সোনার উপমা সূত্রেও বুনিছে বসন।

সঁপে যতো তোমার পরে নূতন মহিমা
অমর করিছে শিল্পী তোমার প্রতিমা।

সুন্দরতা কি তোমার গ্রীষ্মেরই মতো?
তুমিতো মধুরতর নয় মনোরম যতো।

বাতাসেও ঝরে ফুল মে মাসে ফোটে
আরো গ্রীষ্মের স্থায়িত্ব কত কম বটে।

রিনিঝিনি শব্দ হাতের কঙ্কনই বাজায়
রূপের ঝলকে কতো বিজলি চমকায়।

তোমার মাথার যেমন ঘন কালো চুল
সৌন্দর্যের তুলনাতে হবে না’কো ভুল।

Similar Posts

  • প্রস্ফুটিত

     মানুষের নেই কোনোই জ্ঞান এক আল্লাহর সাহায্য ছাড়া তারা যতই করুক যেন ধ্যান।  পবিত্র কুরআনের মাধ্যমেই যত টুকু তিনি জানিয়েছেনতাঁর স্নেহের সব আদমকেই। নিরানব্বইটি গুণবাচক নামএকাগ্র চিত্তে তা জপন করে ইমানদাররা সারতেছে কাম। যাদেত অন্তর হয় বিকশিত আমল ইমান টিক রেখে যদি করে কাজ জীবন প্রস্ফুটিত। সৃষ্টি কর্তা তাঁর ইবাদতের দায়এ ধরায় সব সৃজন করেছেন  আমলে যেন মানুষ শান্তি পায়।

  • খোদার করুণা !

    কতো দুর্ভোগে লোকযতোই অশান্তি শোকচেপে রাখে শত দু:খ! অনেকে প্রকাশ করেকাঁদেও অধিক শুরেচুখের পানি যা ঝরে! কোনো আঘাত পেলেআরো দু:খ যদি মিলেব্যথার আগুনে জ্বলে! সময়ই যায় হেলে ধুলেকাজকর্ম রেখে ফেলেভাগ্যে সুখ নাহি মিলে! আল্লার দয়ায় যে রয়অসীম শান্তি কত হয়কোন অসুখী সে নয়!

  • ক্ষুধায় কাতর

    দুগ্ধবতী গাভীর পেছন হেঁটেই শেষ প্রান্তে যেতোপ্রতিদিন সকালে খালি পায়ে ছেঁড়া জামা কাপড়পরে যেখানে সবুজ ঘাসে মোড়া একটা মাঠ ছিলসেখানে চারণ ভূমিতে গাভীটাকে ছেড়ে দিয়ে সেগাছের ছায়ায় বসেই পাখীদের সাথে গান গাইত। নদীর সুরে সুর মিলিয়ে কাঁদতে খুব হিংসা হতোগাভীর অফুরন্ত খাবার দেখে কখন ফুলের দ্রুতবৃদ্ধি এবং প্রজাপতির ডানা মেলা নিয়ে ভাবনায়হারিয়ে যেতো চিন্তার জগতে…

  • শহীদ স্মরণে !

    শহীদ স্মরণে সকলে করে সালামদেশের জন্যে বিলিয়ে দিলেন প্রাণদেশ প্রেমে মজে গেলো বীর সন্তান! ভাষা আন্দোলন দাবির অধিকারেআমাদেরই দেশের জনগণের তরেঅসংখ্য অগনিতই মানুষ যায় মরে! আপন হারা হয়েও স্মৃতি যান রেখেসালাম বরকত জব্বারেরই শোকেবাংলার জনগণের ধ্বনি মুখে মুখে! মোদের বাংলার প্রিয় সন্তান তাঁরাভুলবার নয় ভুলব কেমনে দেশ ওদশের স্বার্থে আত্নাহুতি দেন যাঁরা ! পৃথিবীতে জন্মিলে…

  • জাগরণ

    একদা সকল ছিলাম মাটি জলেযেথায় প্রত্যেক মুহূর্ত পক্ষাঘাতেমরে যেতে যেতে জাগরণ হয়েওএকত্রে চলাচল হতো সবে মিলে। সেই জাগরণ পলেই ভেসে যেতোগুল্ম নক্ষত্র তিথিও আয়ন মণ্ডলভেঙে নীলাভ বিপুল আলো এসেঅদৃশ্য নাচের টানেই ভরে দিতো। কেউ অন্য কারো তাকাত না মুখেএক খণ্ড শুয়ে থাকতো বিপরীতেআরেক খণ্ডের এ রকম ভুল ছিললাঞ্ছনায় পড়ে থাকতো রাজপথে। ফুটে উঠতো সূর্যমুখী ফুল ভোরেসারাদিন…

  • মুক্তি

    তুমি ছিলে সাথেই মোরযেদিন ছিল প্রচন্ড জর।শরীরে অনেক অশান্তিঅন্তরে নেই কোন শান্তি!আমরা যা চিন্তিত উভয়নেই কেউ করবে নির্ভয়!উপায়হীন অবস্থা কতোজ্ঞান চলে গেছেই যতো!কিংকর্তব্য বিমূঢ় দু’জনকাছেতো ছিল না সুজন!শারীরিক খারাপ অবস্থাসে করল গাড়ির ব্যবস্থা!ক্লিনিকে ও চলতে থাকিরাস্তায় এক বন্ধুকে দেখি!সে অবস্থা দেখেই হতাশশান্তি দিল না হই নিরাশ!আল্লাহ সহায় চলরে ভাইক্লিনিকে তাড়াতাড়ি যাই!একটু পর পৌঁছে গেলামসেথায় ডাক্তার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *