কতো ব্যথা সয় !

সন্তান যখনি বাড়ি থেকে বের হয়
তার বিরহ ব্যথা যতো মাতায় সয়!

রাস্তায় চলতে চলতে এগিয়ে যায়
অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় মায়!

কতো অশান্তিতে যেন মাকে পায়
পেট ভরে খানা খাদ্যও নাহি খায়!

আরাধনা উপাসনায় লেগে থাকে
অনুনয় বিনয়ে আল্লাহকে ডাকে!

সুখ শান্তিতে যেন থাকে বাছাধন
তাসবীহ তাহলীল করে দিয়ে মন!

সন্তানের বালা মুসিবত দূরে নাও
তার অন্তরে যতো সুখ শান্তি দাও!

আল্লাহ তায়ালা ছাড়া উপায় নাই
সহি সালামত যেন সন্তানকে পাই!

সৃষ্টিকর্তা আমাদের কতো দয়াময়
জীবন যুদ্ধে যতো লাভ করে জয়!

কায়মনে প্রার্থনায় চাই মেহেরবানী
সব মা বাবা সন্তানের কল্যাণকামী!

Similar Posts

  • যতো গন্ডগোল ! চলে কতো আবুল তবুলসৃষ্টি করে যতো গন্ডগোল পরিবেশ যা ঘোলাটে হয়শত অসন্তোষ লেগে রয়। দোষীও মাত্র কয়েক জনভোগে কতোও লোকজন। তারা সকল দেশের শত্রুকখনো তো হবে না মিত্র। ওদের দ্বারা কলুষিত দেশপলায়ন করে যায় বিদেশ। বিদেশেতে যদি তারা যায়সুখ শান্তি আর নাহি পায়। আল্লার রাস্তার যারা চলেজীবনে কতো শান্তি মিলে! তিনি অসংখ্য…

  • কবিতা

    আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য০২.০৩.২০২৩ খৃঃ, রোজ বৃহস্পতি বার ;স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৩০০ টিতেপৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম —” পহেলা এপ্রিল ” । সৃষ্টিকর্তার অসীমদয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায়এ রকম একটি অভীষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হতেপারায় আমি আপনাদের অশেষ ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায়করছি ।…

  • অভিজ্ঞান

    প্রকৃতিতে নেই- কোন ক্ষমাকাঁদাবে কোনোও এক দিনপরকে কাঁদায়ে হাসো কেনবাজাবে প্রতিশোধেরি বীন। বহু কিছু শেখা যেতে পারেএই প্রকৃতিটির নিকট হতেসব চেয়ে বড় শিক্ষক হলোঅদ্ভুত অজ্ঞো কাহিনী মতে । প্রকৃতি মোদের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকএ পাঠশালায় অধ্যয়ন করেসব সময়ে এক চোখ খোলারেখে চলে যেতে থেক পরে। প্রকৃতিটার মাধ্যমেই আমরাশেখার যাত্রা শুরু করি যদিসে সুন্দরভাবে সব সমস্যারসমাধান শিখাবে নিরোবধি।…

  • তারা ঝিলমিল

    আমাদের সৃষ্টি কর্তারই হাতে লিখাকখন কার সাথে কোথা হবে দেখা। কোনো লোক জানেনা কবে কখনকারোও সাথে গিয়ে মিলবে জীবন। হৃদয়ের মাঝে থাকে একটি চাওয়াঅন্তরংগ বন্ধু যে মনের মত পাওয়া। যদি দিন হেরে যায় দিগন্তের কাছেঝরে যায় যদি ফুল বেলারও শেষে। লুকিয়ে যায় রাত যদি তারার দেশেবন্ধু আমি থেকে যাব তোমার পাশে। স্বভাবিকভাবে রাতের রঙ হয়…

  • জ্বরে থর থর !

    আমার নাতনিটির প্রচণ্ড জ্বরকতো যন্ত্রণাতে কাঁপে থর থর! ডাক্তারের কাছেও নিয়ে গেলেতার অধিক জ্বর ডাক্তার বলে! ঔষধ পথ্যও তখন আনা হলেরীতিমত সেবন যার নাহি চলে! নিয়ম মাফিক সেবন করে নাফলে দেহে শান্তি তো পায় না! জ্বরের সাথে সর্দি আর কাশিকষ্ট করছে দিবা আরো নিশি! অসুখে ভোগে তার স্বাস্থ্য হীনঅশান্তিতে চলছে ই রাত্র দিন! খেলা ধুলাতে…

  • দোয়ায় মুক্তি

    মা বাবা থাকলে সব শান্তিতাঁদের খুশিতে মন প্রশান্তি।তাঁরা পাশে থাকলেই সুখদুরিভূত হয়ে যায় যত দুঃখ।দূর্ভোগ কষ্টে ঝাপিয়ে পড়েসন্তানদের জন্য শত লড়ে।আহাজারি সীমাহীন করেসর্বদাই আল্লার নাম ধরে!বিপদ মুক্তি কখন যে হবেতাঁদের দোয়ায় রক্ষা পাবে!ইহ ও পরকালে ত্রাণ নিহিততাঁদের শত প্রার্থনা জড়িত!আল্লাহ করেছেন আদেশসুন্দর ব্যবহার এর নির্দেশ!তাঁদের প্রতি সদ্ব্যবহার করআল্লাহর হুকুমের পথ ধর!তাঁরা উভয় অথবা একজনবৃদ্ধ হলে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *