খেলার সাথী

আমরা কত উন্নত জাত,
যা অনেক আছে জ্ঞাত।
 পাড়া প্রতিবেশী যারা,
 খেলার সাথী যে তারা।
  অজোপাড়া গাঁয়ে যত , 
  তাদের দুঃখ কষ্ট তত।
  গরীব দুঃখী অসহায় ,
 কাহারো যে নেই সহায়।
  রাজধানীর ও লোক , 
  সহ্য করে কত দুঃখ ।
অনেক ভ্যানগাড়ি তাতে , 
  চালক শুয়েছে যাতে। 
এই গাড়িগুলোতে দিনে ,
নানা রকম দোকান বনে।

Similar Posts

  • দীর্ঘস্থায়ী

    জীবনের লক্ষ্য একমাত্র স্বপ্ন পূরণ নয়তাই কোনো স্বপ্নকে পরিত্যাগ না করেসাথে নিয়ে চললে জীবন মূল্যবান হয়। কোন কাজ করলে জীবন হয় ব্যর্থ যেনএমন কোন কর্ম পৃথিবীতে নাহি পাওয়াযাবে ব্যর্থতায় ফিরে আশা কঠিন জান। আনন্দ উল্লাস ফুর্তি ও সুখে থাকাই চায়এ পৃথিবীর বেশী মানুষের কিন্তু অনেকসময় সুখ চাওয়াই দুঃখের মূল হয়ে যায়। জীবনের সাথে তিন জিনিস…

  • শান্তি মিলে!

    স্নেহের বন্ধু কত আপনজনমন মন্দিরে স্থান দিয়ে যারেকেবল সর্বস্বান্ত নি:স্ব হয়েওশত সাধনায় পেলাম না মন! মুগ্ধকর তোমার মুখের হাসিতোমার নয়ন যত ভঙ্গি বাঁকাতুলনা হয়না তো কোন কিছুযেনো আকাশেরই রবি শশী। জল ব্যতীত বাঁচেনা যে মীনমেঘের পানিতে চাতক বাঁচেকেমন করেও আশেক বাঁচেযদি তার মাশুক বাসে ভিন। যার মনে বিচ্ছেদের আগুনজলেতে কখনো নিভার নয়কষ্ট পেরেশানি যতো আছেবেশী…

  • কষ্টে মেধাবী ছাত্র

    রাস্তায় দেখি এক ছেলে নাম হয় তার তাজচোখে মুখে ফুটে উঠছেই যেন চিন্তার ভাঁজ! পেরেশানি করছে নিয়ে কোন একটা বিষয়কাউকে বলছেও না কষ্টে ভোগছে নিশ্চয়! হয়তোবা খুব লুকিয়ে সে চাপা করছে কান্নাঅভাবের জন্যও ঘরে কোন কিছু নেই রান্না! ছেলেটি অত্যন্ত আরোও মেধাবী এক ছাত্রএকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে মাত্র। ব্যাচের ফার্স্ট বয় আরও হাইয়েষ্ট মার্ক পায়প্রথম…

  • বাড়ির পথে যাত্রা

    কত দিন পরে যেন দেখা হল বন্ধুর সাথেকুশল বিনিময় হলো মিলিয়ে হাতে হাতে।ছাত্র জীবনে ছিলাম একে অন্যের সাথীপড়া লেখায় বিদ্যালয়ে ছিল প্রচুর খ্যাতি।শিক্ষক মহোদয়গণ কতযে স্নেহ করতেনব্ল্যাক বোর্ডে অনেক অংক যা লেখাতেন।হোম ওয়ার্কে ইংরেজি ২য়/ অংক দিতেনপরের দিন টিকই আদায়ও করে নিতেন।স্কুল ছুটির পর মোরা একত্রে বের হতামবাড়ি যাওয়ার পথে সব রওয়ানা দিতাম।সকল বাড়ি পৌঁছেই…

  • হরেক রকম

    হরেক রকম মানুষ আছে জগৎ ভরাঅন্ধ কানা বধির বোবা সহজ সরলছোট বড় যুবক বৃদ্ধ গরীব ধনী চিটিংবাটপার আর চুর ডাকাতে ভর্তি ধরা। ঠগ ধোকাবাজ অসংখ্য প্রতারক যতভোর দুপুর সকাল সন্ধ্যা বিকাল রাতেকাকে কথায় কিভাবে কখন যে তারাপটাতে পারে সর্বক্ষণ চিন্তা করে কত। অজস্র মানুষ অনাদর ও অবহেলায়জীবন চলার পথে সীমাহীন দুর্ভোগেদিন রজনী কাটে তাদের অন্ন…

  • অলস মস্তিষ্ক

    ফেলে দিওনা কঠিন ভেবেআরম্ভ করো মনোযোগেরসাথে কঠোর পরিশ্রম আরতপস্যায় সম্পন্ন হয়ে যাবে। কাহারো অলস মস্তিষ্ক হলেকাজ কর্মে তখন ভয় পেয়েউদ্দেশ্য সফলে বিফল হয়েসব কিছু রেখে দেয় ফেলে। সাহস আরো মনোবল নিয়েকর্ম সম্পাদনের মনোনিবেশকরে ঐকান্তিক চেষ্টার ফলেভয় ভীতিও ত্যাগ করে দিয়ে। সময়ের মূল্যায়ন করে যাবেদুনিয়া ও আখেরাতের কর্মেআল্লাহর মেহেরবানীতে সুখশান্তি সদা সর্বদা পাবে তবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *