কবিতা

  • টুনটুনি

    ও আমার আপামনি,গাছের ডালে টুনটুনি।নেচে নেচে গাইছে গানা,মিষ্টি সুর যায় শুনা।এ ডাল থেকে ও ডালে,নেচে গানের তালে তালে।মহানন্দে আমরা স্বজন,পড়া লেখা করব দিয়ে মন।হাশি খুশিতে চলব মোরা,সহযোগিতায় পাল্টে ধরা।

  • উদ্ভাস

    সত্যনিষ্ঠ সত্যবাদি শিক্ষিত যারা,জ্ঞান গরিমায় উন্নত হয় তারা।জীবন চলার পথে নয় বাধাহীন,উত্তোরুত্তর প্রবৃদ্ধি তুলনাবিহীন।সমাজ পরিবেশ সবই আলোকিত,তাঁদের ছাড়া সবকিছু উপেক্ষিত।বিদ্যায় রত যারা সদা উল্লসিত,তাঁদের প্রচেষ্টায় সমাজ উদ্ভাসিত।শিক্ষিতদের কর সম্মান প্রদর্শন,তবে হবে সম্মানিত আছে নিদর্শন।জ্ঞানী গুনিদের করলে সমাদর,ক্রমান্নয়ে বেড়ে যাবে অনেক কদর।

  • তেজস্বী

    সময়ে যাদের অনেক দাপট,অসময়ে তারাও খায় চাপট।বন জংগলে বাঘ সিংহ রাজ,কতইনা তাদের বাহাদুরি সাজ।বীর দর্পে চলে হুংকারের তেজ,অন্য প্রাণী গুটিয়ে নেয় লেজ।দৈবাৎ বনাঞ্চল আগুনে যদি পুড়ে ,অথবা মহা প্লাবনে পুরো গেলে ডুবে।বীরেরা আত্নরক্ষা করতে তখন ঘুরে,বীরত্বের চলা ফেরা একদম যায় দূরে।মানবজাতি হল সর্বশ্রেষ্ঠ বীর,তারাও অনেক সময় পায়না তীর।কে করবে কার উপর কত বাহাদুরি,গতিতে হয়েছে যেন…

  • হিংস্র দানব

    বাঘ সিংহ শিয়াল হায়না ভালুক,বন জংগল যেন তাদের তালুক।বীরত্ব দাম্ভিক হিংস্রের ভয়,প্রতিনিয়ত দূর্বলদের সংশয়।তাণ্ডব লীলা কঠোর দাপট,নিরীহ শাবকসহ হয়যে লোপাট।বসবাস গর্ত খাদ খন্দকে যাদের,কিছুটা হলেও নিরাপদ তাদের।আবাসন যাদের গাছ গাছালিতে,ভক্ষনে পারেনা তাদের ধরে নিতে।

  • পাখ পাখালি

    আকাশে চাঁদ তারার খেলা,গাছের ডালে পাখির মেলা।এডাল থেকে ওডালে যায়,খানা খাদ্য কতই না পায়।হেলে দুলে নেচে নেচে,মুগ্ধ তারা গানা গেতে।ময়ূর তার পেখম মেলে,ময়ূরী চলে তালে তালে।বন বনানী গাছ গাছালি,হরেক রকম পাঁচ মিশালি।নিয়ম মাফিক আছে তারা,তাদের কোন নেইকো সাড়া।

  • সহযাত্রা

    চল, চল, চলরে তোরা ,একসাথে যাইরে মোরা।এখন নাইরে কোন বৃষ্টি ,পথ চারীরা দিল দৃ্ষ্টি।হাঁসগুলো দিঘির জলে ,সাঁতার কাটছে মনের বলে।রাস্তায় চলছে ঘোড়ার গাড়ি ,জন-মানব দিচ্ছে পাড়ি।হাট বাজার করছে যারা ,কোলাহলে পড়ছে তারা।দলে দলে গল্প জোটের ,বিকি দিচ্ছে বাদাম বুটের।সায়াহ্নে সব ফিরছে বাড়ি ,কেউ বা যাচ্ছে দিয়ে গাড়ি।রঙ্গ বেরঙ্গের সবকিছু ই ,ভোগ করেছি মোরা।প্রার্থনা ও নৈশভোজ…

  • অভিসার

    আজব দেশ বাংলাদেশ,অনুসরণ সবচেয়ে বেশ।অনুকরণ কতই না আছে,সেদিক দিয়ে নেইতো পাছে।প্যান্টের হাঁটু দু’টি ছিড়া পরে,ঘোরে তারা গর্ব ভরে।হাফ প্যান্ট পরে ঘুরছে অনেক,শরিয়তের নেই কোন তিলেক।চাল চলন মডার্ণ বেশের,তারা কিন্তু মুসলিম দেশের।নেইযে তাদের ইসলামী মাইন্ড,করতো যদি কর্তৃপক্ষ ফাইন।

  • উতাল পাতাল

    চলার পথে দেখিলাম গাড়িতে,বসে আছে ছেলেটি অন্য সারিতে।তাহাকে দেখিয়া হইলাম উৎসুক,চেহারায় কিন্তু ছিলনা কুৎসিত ।মন মানসিকতায় কতইবা ঠিক,সময়ের তালে গুলে হয়তো বেটিক।পরিধানে নতুন প্যান্ট ছিল তাহার,হাঁটু দুইটি ছিড়া ফ্যাশনের বাহার।আংকুরা জামাটির হইতে পারে বেশ দামআমি কহিলাম রে ছেলে! তোমার কি নাম ?কৌতুহলী মনে বিনয়ী শুরে নাম বলিল তখননাম শুনিয়া অবাক হইয়া করিলাম নির্দেশ,বাছাধন তুমি মুসলিম…

  • শ্রাবণী

    সেদিন আমার দুই নাতনীকে নিয়ে,গিয়েছিলাম লাইটেস গাড়ী দিয়ে ;মধ্য রাস্তায় মিষ্টির দোকান পাড়ি দিতেড্রাইভারকে ফুলকলির সামনে বলি যেতে।দোকানে ঢুকতেই দেখি একটি ছেলে,খাচ্ছে অনেক মিস্টি রসালো,সোহাগের ছলে দুটি চেয়ার ঠেলে ;নাতনী দুটিকে আমার পাশে বসালো।বললাম, দুজনকে মিষ্টির রসে টইটুম্বুরে ভরা,যা, ইচ্ছে মনের মতো খেতে থাক তোরা।ছোট্ট নাতনী দুটি, হাসতে হাসতে খেল চমচম ;হঠাৎ করে অঝোর ধারায়…