কবিতা

  • কতো মনোহর !

    আত্ম প্রেমীদের থাকে মনোহর স্বভাবধান্দাবাজ একগুয়ে সহজেই অন্যকেদোষে অপছন্দে রয় শীতল মনোভাব। গালগল্পবাসী নিজেদের ভালোর জন্যবানিয়ে কথা বলে তাদের সঙ্গ মোটেইস্বাস্থ্যকর নয় স্বার্থের জন্যে থাকে হন্য। আত্ম-ধ্বংসাত্মক অতিরিক্ত মদ্যপানহাত-পা কাটা কিংবা ক্ষুধামন্দা মানুষএসব বৈশিষ্টদের নেই কোনো সম্মান। সহানুভূতি পেতে যারা আবেগে খেলেবলা যেতে পারে আবেগেরই পরজীবীওদের থেকে দূরে থাকাই ভালো বলে। নিজেকে ক্ষণোস্থায়ী উপস্থাপনও করেঅন্যের…

  • ভেজালে ভরা

    যতো দিন যাচ্ছে বাড়ছেও রোগশিশু কিশোর ছোটো বড়ো আরআবাল বৃদ্ধ বনিতা করছে ভোগ। খাবার দাবার সব কিছু ভেজালফল ফলাদি কতো প্রয়োজনীয়দ্রব্যাদি কিছুতে নেই নির্ভেজাল। সৃষ্টিরও সেরা সকল মানব জাতিকাজে কর্মেই করছে ফাঁকি জুকিবিনষ্ট হয়েছে অনেকের মতিগতি। করতেই হবে তাদের উন্নতি লাভপরের ক্ষতি করে মুনাফা লোটেঅন্যদের টকানো যত মনোভাব। দুষ্কৃতিদের কারণেতে ভোগে যাইপ্রলোভন ধোকা টকানো থেকেইআল্লাহর…

  • কতো ব্যথা সয় !

    সন্তান যখনি বাড়ি থেকে বের হয়তার বিরহ ব্যথা যতো মাতায় সয়! রাস্তায় চলতে চলতে এগিয়ে যায়অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় মায়! কতো অশান্তিতে যেন মাকে পায়পেট ভরে খানা খাদ্যও নাহি খায়! আরাধনা উপাসনায় লেগে থাকেঅনুনয় বিনয়ে আল্লাহকে ডাকে! সুখ শান্তিতে যেন থাকে বাছাধনতাসবীহ তাহলীল করে দিয়ে মন! সন্তানের বালা মুসিবত দূরে নাওতার অন্তরে যতো সুখ শান্তি…

  • তাল বেতাল !

    পৃথিবীতে যারা চলে তাল বেতালজীবন যায় ওদের উতাল পাতাল! কতোও যেনো আবুল তাবুল গতিআরো থাকে যত চলার ভিন্ন মতি! গ্রামাঞ্চলে তো অনেক সুন্দর চলাশহরাঞ্চলে লোকজন খোলামেলা! স্বগর্বে ছুটে রয় কত ছেলে ফেলেচলতে ফিরতেই থাকে হেলেদুলে! কেউ ছুটে থাকে হাফ প্যান্ট পরেঘোরা ফেরায় ব্যস্ত কত গর্ব ভরে! প্যান্ট পরে থাকে আরো হাঁটু ছেড়াআভিজাত্য মনে মাথা করে…

  • ভাঙা আয়না !

    বড় আম গাছের বুকে দুটো পেরেক গাঁথাভাঙা আয়নাটি টানানো হয়েছে পেরেকেসুতো বেঁধে যা তার বিপরীতে ছিল পাতা। একটি কাঠের চেয়ারের উপর ব্যক্তি বসেআয়নায় তাকানো আর এক তরুণ হাতেচিরুনী আর কেঁচি নিয়ে চুল কাটছে ঠেসে। এক সময় গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ চিত্র ছিলআধুনিক যুগের জেন্টস পার্লারের দাপটেখোলা আকাশের নিচের ঐসব চলে গেল! ক্ষৌর কর্মের এ দৃশ্য অনেক বিরল…

  • আনন্দে বিভোর

    যতো কিছু তোমার জন্যে সঁপিদেখেছ জনম ভরেতুমি তো আন্তরিক তোমার সবদিয়ে গেছো মোরে। একান্ত নিকটে আমারে রাখিবেআমি থাকবো দ্বারেঅন্যদেরকে দূরে থাকতে দিবোরাখব একাকী পারে। আপন-জন তব কতো সেবিয়াআদরে রাখবে যাহাএসব কিছু তো পরম-আনন্দেগ্রহণ করে নিব তাহা। হেলিয়া দুলিয়া কতো আনন্দেবিভোর থাকব আমিউৎসাহ উদ্দীপনায় এগিয়ে যাবউপস্থিত হলেই তুমি। সাচ্ছন্দ্য নিজের কভু না ভাবিবথাকব ভাবের ভরেশ্রদ্ধা আর…

  • কতো আহাজারি !

    অনেকদিন কথা হয়না তোমার সাথেআজ আবার মনের যত কথা বলতেশুরু করছি শতো দু:খের কথা যাতে! কয়েকটি বন্ধু মিলে দূরের যাত্রা করিবিরতিহীন বাসে পর্যায়ক্রমে সব উঠিউপস্থিত সবে খোদা তায়ালাকে স্মরি! আল্লাহর নাম নিয়ে বাস ছেড়ে দিলোদ্রুত বেগে চলে অনেক রাস্তা পেরিয়েএক মোড়ে হটাৎ গাড়ীটি উল্টে গেলো! চালক বেরিয়ে দৌড়ে দূরেই চলে যায়গাড়ির অনেকাংশ দুমড়ে মুচড়ে আরোজনগণ…

  • এক চক্রে বাধা

    সবার জীবন যেন এক চক্রে বাধাশৈশব থেকে যৌবন আর সেখানহতে বার্ধক্য পরে সকলই নিঃশেষঅনেকের বিশ্বাস যেন সর্ব শেষেরকল্যাণে অনন্ত জীবন থাকে সদা। বার্ধক্যও জীবনের অদ্ভূত অধ্যায়শৈশব কৌশোর যৌবন পেরিয়ে এসময়টা যখন উপস্থিত হলে পরেইমানুষ কেমন যেনোও অন্য রকমস্বত্তায় পরিণত হয় যাহা বুঝা দায়। দুর্বোধ্য হতাশা অসহায় হয় মানুষআর দুর্বোধ্য হওয়ার প্রধান কারণনিজে গুটিয়ে নেয়া সারা…

  • জান্নাতের ফুল !

    আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎতাদের জন্যে গড়ব আমরা উপযুক্ত পথ। উপেক্ষা করে শিশুদের যে মায়াভরা মুখদুনিয়ায় হারাবে সেই অভাগা স্বর্গ ও সুখ! অবজ্ঞা করোনা তো শিশু সুলভ আচরণশিশুদের জন্যই অপার সুন্দর এই ভুবন! কোন মিথ্যার লেশমাত্র নেই ওদের মাঝেআমরা মিথ্যা শিখাই করি তাদের বাজে! ধনী গরীব ভেদাভেদ থাকেনি কখন মনেসমাজ শিখায় ভেদাভেদ যত ক্ষনে ক্ষনে!…

  • অপার মায়া

    মাগো তুমি করলে মানুষআমার কণ্ঠে দিলি ভাষাতোমার সকল স্বপ্ন রেখেপ্রথম আলোতেই আসা। কান্নায় যত কাঁদতে শিখিআনন্দ উল্লাস করে হাসাযাঁর দয়াতেও অনন্তকালভরে অপার মায়ায় তাসা। সব স্থানেই রঙের ফানুসপিতল তামা যতো কাঁসাতুমি যে মোর অমূল্য ধনকতো সোনার খনি খাসা। আমার সমস্ত জনম ভরেমাগো দিও বাঁচার আশাজীবন ভর মাকে জানাইযত আন্তরিক ভালবাসা।