কবিতা

  • নির্বাসিত হচ্ছে !

    সমাজে লোভ ও কর্তৃত্বের দাপট বাড়েকেবল ব্যক্তিকে আত্মমগ্নও লুটপাটেরসংস্কৃতি জনপ্রিয় করে দেশপ্রেম উধাওহতে থাকে নতুন মধ্যবিত্তের উদ্ভব ঘটেবিদেশে মূল বিস্তারের স্বপ্নই দেখে আরপ্রাচুর্যের সন্ধান করার জন্য দেশ ছাড়ে। কীভাবে মাতৃভূমি বাসযোগ্য হয়ে উঠেউন্নত ও টেকসই হবে সেদিকে তাদেরনজর নেই যে নিজে ভাল থাকতে চায়অন্যকে যুক্ত করার আবেগ সমাজেরবৃহত্তর অংশ থেকে যা নির্বাসিত হচ্ছেফলে সম্পুর্ণ বিপজ্জনক…

  • দৃঢ় মনোবল !

    সঠিক থাকে যদি লক্ষ্য স্থলকত যে উন্নত হয় তার ফল। কাজ কর্মে রয় দৃঢ় মনোবলদূর হয়ে যায় চোখেরই জল। পাকা ফলে হয় রসে টলমলপানির শব্দে থাকে কলকল। বর্ষায় ভরে নদী ও খাল বিলহাওর বাওর যত পুকুর ঝিল। কখনো মেঘাচ্ছন্ন পরেই নীলউড়তেও থাকে কত যে চিল। দৈবাৎ অবিরাম বৃষ্টিও পড়েচলাচলে মাথাতে ছাতা ধরে! আল্লার দয়ায় দু:খ…

  • সর্বনাশা নদীরে !

    ঘুরে বেড়াই পুরো দুপুর পারে পারেকোথা থেকে আসছো তুমি কোনোমিলনমুখে বয়ে-যাওয়া কতোখানিগভীরতা এসব বিষয়েই বিষদভাবেজানতে আমি জিজ্ঞেস করি কারে? উদ্‌গত এ ঢেউ তোমার বুকেতে রয়আন্দোলিত করে কত ভালো লাগেমাছের চঞ্চল মুদ্রার মতো উচ্ছলতাঅঞ্জলিতে ভরে নিলে জল কোথায়গিয়ে তাও একদম যেন অদৃশ্য হয়! বসে ই থাকি তোমার উষ্ণ বালুতটেআর সেথা ওপর থেকে বালু সরালেএকটি স্তর উঠে…

  • শুর ধরে !

    অনেক দিন পরে যাত্রা করিকয়েক বন্ধু মিলেই পথ ধরি। ভাড়ায় নেই এক সুন্দর তরিযত কিছু ছিল নৌকায় ভরি। যাত্রার শুরুতে বৃষ্টি হয় জারিবৃষ্টির ফলে বাড়তে রয় বারি! আল্লার নাম কেউ জপ করেকেউ তাসবিহ পড়ে শুর ধরে! অবশেষে আমরা পৌঁছি ঘাটেতাড়া ছিল সবার যাবো মাঠে! খেলার মাঠে মোরা সবাই যাইসেথা গিয়ে অনেক শান্তি পাই! ফুটবল খেলাতে…

  • নিজস্ব সৌন্দর্য !

    জীবনকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়কখনোও এসব ছেড়ে ছুড়ে হেরে যেতে রয়! প্রত্যেকটি জিনিসের নিজস্ব সৌন্দর্য আছেতা অনুভব করতে পারলে সব মিলে গেছে! সহজে জেতার আনন্দ উল্লাস নেই যেথায়বাধা বেশী হলে বিজয়ের আনন্দও সেথায়! কেউ কাউকে শেখাতে পারে না অভিজ্ঞতাপর্যায়ক্রমে কাজ করলে ই বাড়ে যোগ্যতা! পৃথিবীর জ্ঞানী মানুষ পরামর্শ দিতে পারেনযতক্ষণ না নিজে অভিজ্ঞতাটি লাভ…

  • কানে রিং চুল বাঁধা !

    কত আছে কানে রিং চুলও বাঁধাসরল প্রকৃতির যারাই সাদা সিধাপরিচয়ে চোখে লাগে শতো ধাঁ ধা! কানে রিং চুল বাধা মেয়ে/ পুরুষঅভিভাবকের বুঝি নেই যেন হুশঅশালীন চলা হবে তাদের দোষ! হর হামেশা চলে মেয়েরূপী ছেলেরূপ বদলে তারা ছুটে হেলে দুলেভাব অহংকারেই রাস্তা ঘাটে চলে! সন্তান নষ্ট হউক কারো কাম্য নয়সব পিতা মাতা যেন যত্নশীল হয়লক্ষ্য রাখবে…

  • অন্তরে বিষ !

    যারা নিয়ম ছাড়া চলেতাদের মূল্যায়ন আছেরাস্তা ঘাট নগর বন্দরেকখনো অনেক মিলে। খেয়ালীপনাতেও যতোহর হামেশা দায় দায়িত্বএড়িয়ে গেলেও অনেকেওদের স্নেহ করে ততো। যাদের মুখে জোর বেশতারা তাল মিলিয়ে চলেযখন কারো সাথে সাক্ষাৎঘটে থাকে ফুর্তির রেশ। আরো কতোই টকবাজআচার আচরণেই উন্নতমুখে মধু ও অন্তরে বিষমুলত তারাই ধান্দাবাজ।

  • মন ছানাবড়া !

    অনেক লিখা হয়ে যায় তেড়া বেড়াএমন কিছু লিখা হয়নি তো মনগড়া! কখনো লিখতে যেন করি তাড়াহুড়াকবিতাটি পড়ে নিবেন আগা গোড়া! কি আর লিখতে পারি মন ছানাবড়াবাস্তব চিত্রে মনে আসে যুদ্ধেই লড়া! জীবন যুদ্ধের সময়ও হয়েছে সবারচোখ বুজে থাকাটা হবে না আবার! আজব চলাচল আর ভয়ংকর কতোবিরাজমান বেহায়াপনা আছে যতো। স্বাভাবিক বেশ ভূষ পরিবির্তন করেছেলে-মেয়ে,মেয়ে ছেলের…

  • ব্যতিক্রম !

    এ জগতে কতো ব্যতিক্রম চলেদেখা যায় রাস্তা ঘাটে বের হলেছোট বড় যুবকও অনেক মিলে। আজব থাকে তাদের ভাব ভংগীপরনেই রয় সার্ট প্যান্ট বা লংগীসাথে রয় আরো অসংখ্য সংগী। তারা আশে পাশে অগনিত রয়তাদের বল শক্তি খুব বেশী হয়নিরীহ মানুষ যত নির্যাতন সয়। বয়োজ্যেষ্ঠ মুরব্বি আছে যতোঅবজ্ঞা করেই তারা চলে ততোআনকোরা আনাড়ি শত শতো। অনেকের দিন…

  • দিক দিগন্ত

    অনুমতি নিতে যত কথাসিধান্ত নিবে যাবে যেথাআরো সাথে রবে সেথা। দিক বিদিক ছুটেই চলেসকল বন্ধু বান্ধব মিলেকতো চলছে হেলেদুলে। কেউতো গল্প সল্পে মত্তকাহিনীও তথ্য উপাত্যচলছে সব দিক দিগন্ত। চলার পথে একটি হাটএর পরে রয় খেয়াঘাটএকটু দূরে বিশাল মাঠ। তারা মাঠে পৌঁছে যায়ভীড় হয় দর্শকের দায়কত পরিচিত বন্ধু পায়। ওরা সকল দর্শক সাজেবসে গেলো সবার মাঝেভরপুর…