অসহায় ছাত্রী

ষ্টেন্ডে দাঁড়িয়ে থাকা একটা বাস দেখা গেল
সেখান থেকে চিৎকার আসছে নারী কণ্ঠের
উঁকি দিয়ে এক নারীকে চড় – থাপ্পড় আরো
কিল ঘুষি মারতেও পুরুষকে দেখতে পেল!

মুড়ির টিনের ওই চার চাকার দুজনই যাত্রী
বাস ভর্তি পুরুষেরাতো দেখছেন বাসে উঠে
লোকটার মারতে উদ্যত হাতটা আটকাতে
মানুষের ভিড় পাড়ি দিয়ে দেখে এক ছাত্রী!

ছাত্রীটি সম্ভবত ব্যবহারের আপত্তি করছিল
লোকটির তারপর জোর যার মুলুক – তার
পুরুষ তার গায়ের পুরুষা -ধিক্যের দেখাল
শক্তি আর মেয়েটি বাড়ির রাস্তাই ধরছিল।

ছাত্রীটির আত্মরক্ষার কোন ছিলনা উপায়
অথচ বিশ – বাইশ গজ দূরে ই ছিল পুলিশ
একজনও আসেনি তাঁদের হয়তো দোষের
নয় পরেও লিখতে হয় সে ছিলই নিরুপায়!

Similar Posts

  • মা জননী

    জন্মের পরেই মায়ের বুক,স্নেহ মমতার কিযে সুখ ।সোহাগ অনুরাগ করে কতই ,অসুখ অশান্তি থাকে যতই।স্নেহময়ী মা জননীর করুণা,সীমাহীন আনন্দ যার ধরেনা।আদর আহলাদ ভালো বাসা,সন্তানের প্রতি কত যে আশা।শৈশব বাল্য কৈশোর কাল,পেরিয়ে আসে যৌবন কাল।বিয়ে সাদী গড়ে মায়া জাল,অনেকেই সংসারে ধরে হাল।সন্তানের জীবন ধন্য হলে ,মা বাবার দুর্গতি যায় চলে।

  • শীতল হৃদয়

    বরাবর অভিযোগ করত তাইআমাদের চারপাশে এত-এতমানুষ যারা যত রয়েছে সকলআত্নীয় স্বজন ছাড়া কেহ নাই। মৌসুমের প্রথম দেয়া বৃষ্টিতেবছরের প্রথমের শিশিরপাতেপূর্ণিমার ই আলোকিত রাতেসন্ধ্যা বেলার মোহন সৌরভে। ভোরের ঠান্ডা মধুর ও মিষ্টিআমি তোমার সাথেই একাথাকতে চাই তুমি ব্যতীত মনআমার হবেনা কখনো তুষ্টি। দুজনার মাঝে আর কেউ নাইহাত একটু নাড়ালেই আজ সেআমাকে ছুঁতে পারে কিন্তু কতকত মৌসুমেও…

  • নিজস্ব সৌন্দর্য !

    জীবনকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়কখনোও এসব ছেড়ে ছুড়ে হেরে যেতে রয়! প্রত্যেকটি জিনিসের নিজস্ব সৌন্দর্য আছেতা অনুভব করতে পারলে সব মিলে গেছে! সহজে জেতার আনন্দ উল্লাস নেই যেথায়বাধা বেশী হলে বিজয়ের আনন্দও সেথায়! কেউ কাউকে শেখাতে পারে না অভিজ্ঞতাপর্যায়ক্রমে কাজ করলে ই বাড়ে যোগ্যতা! পৃথিবীর জ্ঞানী মানুষ পরামর্শ দিতে পারেনযতক্ষণ না নিজে অভিজ্ঞতাটি লাভ…

  • চলার পথে

    চলার পথে একদা দেখা মিলে তারকতো পুরনো দিনের আন্তরিকতায়ভরপুর আরো বেশী যাতায়াত যার। হঠাৎ দু’জনেরই মোলাকাতের পরেউভয়ে কোলাকুলি করে গল্প গুজবকরতে করতেই গেলো অনেক দূরে। শেষে আরো এক বন্ধুর দেখা মিলেসে অন্য আরেকজন উভয়ের বেশীঘনিষ্ট এবং পরে একত্রে ফুর্তি চলে। তারা সকলে একটি রেস্তোরাঁয় যায়অনেক আনন্দ উল্লাস প্রফুল্লে তারাসময় অতিক্রম করেই চা নাস্তা খায়।

  • চাহিদা অফুরন্ত

    চাহিদা লাগামহীন বেড়ে যায়অনৈতিক মানসিকতাও গড়েওঠে মানুষেরও মাঝে বাড়তিচাহিদাসৃষ্ট অভাবের তাড়নায়। উপার্জন তৎপরতা ই শুরু হয়সমাজে সর্বত্র অবৈধ পথ ধরেএক শ্রেণীর মানুষের কাছে ইঅধিক সম্পদ জমা হয়ে রয়। ধনী গরিবেরও তৈরি হয় দূরত্বএ রকম অর্থ ব্যবস্থায় নিজেরসঞ্চয়ের ভাণ্ডারকে পুঁজিপতিআরও ভারি করে দেয় গুরুত্ব। অশুভ আচরণে নয় দ্বিধাবোধঅধীনস্থদের ওপর যা শোষণনির্যাতন এরকম অর্থব্যবস্থায়গরীব দু:খীদেরই বাড়ে দুর্ভোগ।…

  • ভাগ্যে জুটে

    প্রাকৃতিক নিয়মে আমিও যাবো চলেদু’ ফোঁটা অশ্রুর মত মুছে যাবো নামজীবন মধ্যাহ্নে সংগ্রাম চলছে কতোবর্ষ ধরে শেষও হবে না যা ইহ কালে। নদনদীর জল সমুদ্রে এসে পড়ে বটেতাতে পরিবর্তন হয় না সমুদ্রের কিছুযে-ব্যক্তির অন্তরে রূপ রসের প্রবেশহয় তার অবস্থানে থাকা ভাগ্যে জুটে। সকলের দেহ ধারণ করে সুখ ও কষ্টসব ভোগ করতে হয় সবাইকে জ্ঞানীভোগ করে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *