“ ঈদ মোবারাক ”
নবীন চাঁদের আগমনে
জাগল সাড়া সব মনে।
আসল ঈদ পবিত্র দিনে
কষ্ট বেদনা ভুলে প্রাণে।
ভোগ করো ইদের দিনে
নিমন্ত্রণ সকলের তরে।
পারলে এসো মোর ঘরে
সবার সাথে যাবো পরে।
দারিদ্রেতায় মানবতাবোধ লোপ পায়হিংস্রতার প্রসার হয় অন্যায়-অবিচারবিস্তৃত আরো রক্তের সম্পর্ক দূরে যায়। মানুষ তার সন্তানকে তারা বিক্রি করেঅভাব অনটন দুঃখ কষ্টে বেশী ভোগেহত্যা পর্যন্ত করার আরো যত পথ ধরে। জীবনে রক্তশূন্যতা সদৃশ দারিদ্র্য হলমানুষের দেহ আর মনের রোগ ব্যাধিকষ্ট অশান্তি বেড়ে আরাম চলে গেল। অর্থ-সম্পদ দেহের জন্য কাজ করেসুখ সাচ্ছন্দ্য আরাম আয়েশ যত যাঅর্জন সহ…
তুমি একজন খুব বড় লোকতোমার কপালে অনেক সুখসমাজে সব থেকে উন্নত মুখভোগ করনি তো কোন দু:খ! জীবনটা তোমার যতো শান্তিচলতে ফিরতে ই প্রচুর শ্রান্তিসর্বদা ভাগ্যে জোটে প্রশান্তিঘটেনাই কখনই তো অশান্তি! কষ্ট দুর্গতি অশান্তির ই জ্বালাকোনদিন দু:খে কাটেনি বেলাতার নিকট এসব হেলা ফেলাদুনিয়া যেন এক রঙের খেলা! অভাব অনটন দুর্ভোগ দুর্দশাগরীবের থাকে যতো সর্বনাশাখোদার কাজে হবে…
প্রত্যুষে পাখিদের কলরোল শুনিআমরা আশরাফুল মাখলুকাতইআল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসুলেরপ্রদর্শিত পথেই চলার রাস্তা গনি। পাখিরা একই সময়ে করে গুঞ্জনভোর হলেই তারা দলে দলে গাছহতে গাছে ডাল থেকে ডালে ফুলহতে ফুলে উড়ে করে কত কূজন। খাদ্য সংগ্রহে তারা দিনেই রয় ব্যস্তকীটপতঙ্গ ও পোকামাকড় ফুলেররেনু খায় মনের সুখে যত গান গায়তাদের জীবন তো অনেক সুবিন্যস্ত! কতো যে…
জন্মের পরে মোরা আশ্রয়ের জায়গা খুঁজিআমাদের মা জননী দীর্ঘ দিনের কষ্টের পরআদর মমতা দিয়ে শত যন্ত্রণা উপেক্ষা করেসোহাগ ভরে কোলে নেন তাঁর দু’চোখ বুঝি! কত শত দিন ব্যথা বেদনায় গর্ভে ধারণ করেসুখ শান্তি খাবার দাবার আরো ভোগ বিলাসআরাম আয়েস সব কিছু একান্ত তাঁর শিশুরতরে বিসর্জন দিতে গিয়ে শরীরের ঘাম ঝরে! অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় সন্তান ভূমিষ্ট…
আজব লীলা খেলার যুগকত রঙ বেরংগের লোকনয়নাভিরাম করেই ভোগ। রাত শেষে কত কিছু চলেকখন কোন অনিয়ম হলেযার জন্য গণ্ডগোল ফলে। কেউ চলে হেলায় ফেলায়সারা দিন যায় খেলা ধুলায়অন্যদেরকে কতো জ্বালায়। আরোও অনেকে কষ্ট করেমাথার ঘাম তার পায়ে ঝরেকষ্টতে সংসারের হাল ধরে! সত্যনিষ্ঠ ন্যায় পথে থাকোনিরিবিলি আল্লাহকে ডাকোঈমান আকিদা ঠিক রাখো!