কিয়ামতের প্রকম্পন !

সকলে স্রষ্টাকে ভয় করতে হবে
কোরানে বর্ণনায় আছে নিশ্চয়
কিয়ামতের প্রকম্পনটি ভয়ঙ্কর
প্রতি স্তন্য দান কারিনী সে দিন
দুগ্ধ পোষ্য শিশুকে ভুলে যাবে!

আরো প্রত্যেক গর্ভধারিণী যতো
তাদেরও গর্ভপাত করে ফেলবে
মানুষকে দেখবে যে মাতালদের
মত কিন্তু মাতাল নয় তবে স্রষ্টার
কঠোর শাস্তি ভোগ করবে ততো!

আসমান বিদীর্ণ হয়ে যাবে যখন
আর নক্ষত্রগুলোও ঝরে পড়বে
সব সমুদ্র একাকারও যত কবর
উন্মোচিত হবে প্রত্যেকে জানবে
আগে পিছনে কি রেখেছে তখন!

যতো কিছুর ওয়াদা হয়েছে ভবে
সব অবশ্যই ঘটবে তারকা রাজি
আলোহীন বিদীর্ণ আকাশ আরো
পাহাড়গুলি চূর্ণ বিচূর্ণ হবে সময়ে
উপস্থিত হয়ে যাবেন রাসূল সবে!

Similar Posts

  • কবিতা ০১ থেকে ৯০০ টি

    শারীরিক অনেক অসুস্থতার মধ্যে থেকেও আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য ১২.০৩.২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ , রোজ মঙ্গলবার ; স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৯০০ টিতে পৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা ” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম — ” বাসা বুনে ” । সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায় এ রকম একটি অভীষ্ট…

  • আক্রান্ত

    অশান্তি লেগেযন্ত্রণায় ভোগে। দু:খ ব্যথা আছেসুখ শান্তি গেছে। এক দুর্ঘটনা হয়শতো কষ্ট সয়। গাড়ি উল্টে যায়কত যন্ত্রণা পায়। কবলিত তার ভাইসে যে আর নাই। ভাই মারা গেলেসব গেলো চলে। খোদা শান্তি দেনঅশান্তি দূরে নেন।

  • কে দিল মন্ত্রণা !

    তাকিয়েই আসমানের দিকেবলোতো সে কি আছে সুখেশতো দু:খ কষ্টে কেঁদেই মরিসে যেনো আমার পাশে নায়। বিধাতা আমাকে তুমি বলোকোথায় গেলেই তারে পাবোজ্বালা যন্ত্রনাগুলো আমাকে অন্তরের মধ্যে কত পোড়ায়। ভাবতে ভাবতেই তারে আমি চোখ বুঝে কতো জড়াই ধরিচোখ মেলেই তবে দেখি পরেসে বন্ধুটিই আমার বুকে নায়। অন্তরেতে যতো জ্বালা যন্ত্রণাজল দিলেও তা আর নিভেনাফুঁপে ও জোরে কতোই কাঁদিদূরে…

  • ভয় নেই

    দুর্বল হিসাবেও পরিগণিত হয়নারী নির্যাতনের কারণ কতোতাদের মধ্য হতেই নির্যাতনেরকাজ যারা করে থাকেনা ভয়। নির্যাতনকারী যেথায়ও যতোনিরীহদের প্রতি তাদের সর্বদাকাজে অকাজে যখন তখনোনিপিড়ন তো চালায় শত শত। আসলেই মূল্য বোধের অভাবেরয়েছে একটি সামাজিক আরসাংস্কৃতিক দূরত্ব নারীদের প্রতিযেথা সে বড় হতে রয় যেভাবে। কেমন আচার ও আচরণই হচ্ছেএকটি পরিবারে মেয়েদের সাথেসে পরিবার থেকে শেখে অধিকন্তুপ্রতিবেশী হতে…

  • শীতের রাত

    ঋতু চলছে যখন শীতের , ছেঁড়া কাঁথা গায়ে গীতের।সুর লহরীতে মুখরিত মুখ,বুঝবেনা যেন আছে দুঃখ। ঢাকায় বাংলা একাডেমী,টান্ডার তীব্রতাও কমেনি।উদ্যানের দেয়ালের সাথে, কয়েক জন শীতের রাতে।সবাই আগুনের নেয় তাপ, পাশে নেই তাদের মা বাপ।নেশা দ্রব্য কেউ পান করে, অকালে ই তারা যায় মরে।অনেকেই থাকে ফুট পাথে, আলাপ হলে তাদের সাথে। জানা যায় আরো বেশ তত্ত্ব, যত কিছু বলছে হবে সত্য।

  • দিদি মনি

    ও পাড়ার স্নেহের দিদি মনি,অনেকে বলেন তাকে চিনি।তার আচার আচরণ মদুর,ভূলা যায় না গেলে ও সুদূর।অনেক গুণাবলী আছে যার ,সমাদর তিনি পান যে সবার।বিদ্যালয়ে তিনি পড়তে গেলে,পাড়ার লোকজন সাথী মিলে।বই পেন্সিল কলম আর খাতা,আরো নিয়ে যান সাথে ছাতা।পড়া লেখার হয়ে গেলে শেষ,ব্যাকুলের মত হন তিনি বেশ।বাড়িতে আগমন হয় যখন,কত মায়া মমতা রয় তখন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *