থ্যালাসেমিয়া রোগ ও আমাদের করণীয়

বাংলাদেশের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করছে। এদের অধিকাংশ বাহকেরা জানতেও পারেনা যে তারা বাহক। দুজন বাহকে বিয়ে হয়ে গেলে সর্বনাশ। সম্ভাবনা থাকে এদের পঁচিশ শতাংশ বাচ্চা থ্যালাসে- মিয়ায় আক্রান্ত হবে, পঞ্চাশ শতাংশ হবে বহনকারী। তবে একজন বাহক আর একজন বাহক নন এমন ব্যক্তির মধ্যে বিয়ে হলে কোন ভয় নেই।

বাংলাদেশে প্রতি বছর দেড় হাজার বাচ্চা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম গ্রহণ করছে । নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে আগামি পঞ্চাশ বছরে থ্যালাসেমিয়ার রোগী দ্বিগুন হয়ে যাবে।

এখন আমাদের করণীয় কি?

একটা প্রোগ্রাম হাতে নিলেই বড় একটা কাজ হয়ে যাবে। সেটা হলো দেশের সব মানুষকে বিনামূল্যে হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রো- ফোরেসিস করার একটা ব্যাবস্থা করা যায়। অথবা শুধু স্কুলগুলোতে রক্তের রুটিন পরীক্ষার ব্যাবস্থা করা । তাহলেই কাদের নিরব এনিমিয়া আছে দেখে নেওয়া যাবে।

এভাবে সবাইকেই জানানোর বিষয়টা ব্যবস্থা করতে হবে। ব্লাড গ্রুপের মত সব মানুষ জানুক তার হিমোগ্লোবিনের খবর । সে কি ক্যারিয়ার (বাহক) নাকি নিরব সাফারার?

এইটুকু কাজ হলেই হবে। যখন মানুষ জানতে পারবে, তখন দু’জন ক্যারিয়ার (বাহক) বিয়ে করবেনা। বা যদি করেই ফেলে বাচ্চা পেটে আসলে ভ্রুনের পরীক্ষা করিয়ে নেবে। বাচ্চা যদি থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হয়, পৃথিবীতে তাকে এনে কষ্ট দেওয়ার থেকে ভ্রুণেই বিদায় জানানো । এর জন্য সরকার, এনজিও, দাতা গোষ্ঠী সাহায্য দেবে ।

আমার দাবীটা একটু বেশিই মনে হতে পারে। কিন্তু বিশ বছর পর থ্যালাসেমিয়া একটা জাতীয় দু:খ হয়ে যাবে। সাইপ্রাসে এরকম হয়েছিল। বিশ্বের সব চেয়ে বেশি থ্যালা- সেমিয়া রোগী ছিল তাদের দেশে। তারা ঠিক উপরের পদ্ধতিতে কাজ করে এখন থ্যালা- সেমিয়াকে নিয়ে এসেছে প্রায় শূন্যের কোঠায়। বাংলাদেশেও সম্ভব। বিষয়টা সবার জানা দরকার। সেই সাথে সবাইকে জানানো দরকার।

বাংলাদেশ ইপিআইতে সাফল্য পেয়েছে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও। যদি আমরা চাই, তাহলে এখানেও পাওয়া সম্ভব। সেই একই পদক্ষেপ। বিজ্ঞাপন বানানো, প্রচার করা। কোন এক জন সেলিব্রেটিকে দিয়ে বিষয়টা বলানো। স্কুল প্রোগ্রাম বা কলেজে শিক্ষক- দের দিয়ে বলানো। এই সব আরকি।

শুধু একটা সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। আসুন, থ্যালাসেমিয়াকে জানুন, অন্যকে জানান। ঐক্যবদ্ধ হোন, একটা সুন্দর আগামি গড়ে তুলুন।

থ্যালাসেমিয়া রক্তের এক বিশেষ ধরনের অসুখ। এটা ক্যানসার নয়, ছোঁয়াচেও নয় । থ্যালাসেমিয়া একটি জিনগত রোগ ।

মানুষের শরীরে কোষের ভেতর যে জিন থাকে, সেই জিন এই রোগের বার্তা বহন করে।

আসুন থ্যালাসেমিয়াকে জানিঃ

আমাদের রক্ত কেন লাল? কারণ, আমাদের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা থাকে। এখানে হিমোগ্লোবিন নামে বিশেষ ধরনের রঞ্জক পদার্থও থাকে। এই হিমোগ্লোবিনের কাজ কী?

হিমোগ্লোবিনের কাজ হলো শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
থ্যালাসেমিয়া বলে এক ধরনের বংশগত রোগ আছে। এটি শরীরে বিশেষ ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লেবিন তৈরি করে। স্বাভাবিক লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল ১২০ দিন। ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিনের কারণে অথবা বলা যায় হিমোগ্লোবিন ঠিকমতো তৈরি না হওয়ায় লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কমে যায় এবং লোহিত কণিকাগুলো সহজেই ভেঙে যায়। এ অবস্থায় অস্থিমজ্জার পক্ষে একই হারে লোহিত কণিকা তৈরি সম্ভব হয়ে ওঠে না। এতে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। সেখান থেকে দেখা দেয় নানা রকম উপসর্গ। এই হলো থ্যালাসেমিয়া।
থ্যালাসেমিয়ার প্রকারভেদঃ
থ্যালাসেমিয়া অনেক রকমের আছে। ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিনেরও রকমফের আছে। তবে মোটামুটিভাবে বলা যায়, থ্যালাসেমিয়া

প্রধাণত দুই প্রকারঃ
১. আলফা থ্যালাসেমিয়া।
২. বিটা থ্যালাসেমিয়া।
বিশ্বে বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলফা থ্যালাসেমিয়া তীব্র হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এর উপসর্গও বোঝা যায় না, রোগী স্বাভাবিক জীবন যাপন করে। বিটা থ্যালাসেমিয়া আবার দুই রকমের হতে পারে। একটি বিটা থ্যালাসেমিয়া মাইনর। এদের থ্যালসেমিয়া ট্রেইট বা ক্যারিয়ার বলে।
অপরটি থ্যালাসেমিয়া মেজর।

থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট আর থ্যালাসেমিয়া এক নয়। কারণ, এরা মূলত রোগটির বাহক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এদের শরীরে থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

অনেকে হয়তো অজান্তেই সারাজীবন এই রোগ বহন করে চলে। অল্প কিছু ক্ষেত্রে মৃদু রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। বাবা ও মা উভয়ে থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট হলে ভূমিষ্ঠ শিশুর শতকরা ২৫ ভাগ থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়।

উপসর্গঃ

থ্যালাসেমিয়ার উপসর্গগুলো মূলতঃ রক্ত- স্বল্পতার কারণে সৃষ্ট উপসর্গ। অর্থাৎ ক্লান্তি, অবসাদগ্রস্ততা, শ্বাসকষ্ট, ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া এসব। রক্ত অধিক হারে ভেঙে যায় বলে জন্ডিস হয়ে ত্বক হলদে হয়ে যায়। প্রস্রাবও হলুদ হতে পারে। প্লীহা বড় হয়ে যায়। যকৃতও বড় হয়ে যেতে পারে। অস্থি পাতলা হয়ে যেতে থাকে। চেহারার বিশেষ পরিবর্তন হয়। নাকের হাড় দেবে যায়। মুখের গড়ন হয় চীনাদের মতো। একে বলে ‘মংগোলয়েড ফেইস’। আস্তে আস্তে দেখা দেয় বিশেষ কিছু জটিলতা।

রোগীকে ঘনঘন রক্ত দিতে হয় বলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়তে থাকে। এই আয়রন জমা হয় হৃৎপিণ্ডে, যকৃতে, অগ্ন্যাশয়ে। এই পর্যায়টি মারাত্মক। দেখা যায়, অতিরিক্ত আয়রন জমে যাওয়ার কারেণে অঙ্গগুলো বিকল হতে শুরু করে।

এ রকম পরিস্থিতিতে সঠিক চিকিৎসা না পেলে রোগী মারা যেতে পারে। বারবার রক্ত পরিসঞ্চালনের কারণে রোগীরা সহজেই রক্তবাহিত সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষাঃ

থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করার উপায় হলো, রক্তের হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফরেসিস পরীক্ষা। রক্তের রুটিন পরীক্ষা করলে রক্তস্বল্পতার মাত্রা বোঝা যায়। এ ছাড়া এই রোগে লোহিত কণিকার আকার ছোট হয়ে যায়। রুটিন পরীক্ষায় সেটাও বোঝা যায়। এতে প্রাথমিক সন্দেহটা এখান থেকেও আসতে পারে।

এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষা করেও এই রোগ ধরা যায়। মাথার এক্স-রে, পেটের আলট্রাসনোগ্রাম এগুলোও আছে।

চিকিৎসাঃ

রক্ত পরিসঞ্চালনই থ্যালাসেমিয়ার মূল চিকিৎসা। আয়রন বেড়ে গেলে ঔষধের মাধ্যমে তা কমাতে হবে। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার বা আয়রনের ঔষধ খাওয়া একদম নিষেধ। প্লীহা বড় হয়ে গেলে অপারেশন করে সেটা ছোট করে দিতে হয়।

এতে রক্ত গ্রহণের হার কিছুটা কমে আসে। মূলতঃ অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন হলো এর স্থায়ী চিকিৎসা। এটা খুবই ব্যয়বহুল।

পরিসংখ্যানঃ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটির বেশি লোক বিভিন্ন ধরনের বিটা থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করে। প্রতিবছর প্রায় এক লাখ শিশুর জন্ম হচ্ছে জটিল থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে। বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সঠিক পরিসংখ্যান নেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, বাংলাদেশে ৪৮ লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করছে। ৩ শতাংশ লোক বিটা থ্যালাসে- মিয়ার বাহক, ৪ শতাংশ অন্যান্য ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন রোগের বাহক। প্রতি বছর ছয় হাজার শিশু বিভিন্ন রকমের থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা খুব জরুরি। বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করে থ্যালাসেমিয়া অনেকখানি কমানো যেতে পারে।

দুজন ক্যারিয়ারের (বাহক) মধ্যে যেন বিয়ে না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে পারলে থ্যালাসেমিয়া কমানো সম্ভব। আত্মীয়র মধ্যে বিয়ে করা যাবে না। ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে বাচ্চা পেটে আসার পর চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ উপায়ে গর্ভস্থ শিশুর থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করতে হবে।

রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাবরশন করা যেতে পারে। পৃথিবীর অনেক দেশে এ উপায়ে থ্যালাসেমিয়ার প্রকোপ কমানো গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশঙ্কা করছে, আগামী ৫০ বছরে থ্যালাসেমিয়া পৃথিবীজুড়ে একটি বড় রকমের সমস্যা হয়ে দেখা দেবে। তাই ইহা রোধে ব্যাপক সচেতনতা দরকার। সরকারি, ব্যক্তিগত, সামাজিক, গণমাধ্যম সব দিক থেকেই এই সচেতনতা তৈরিতে কাজ করতে হবে। তবেই থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

লেখক: রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রাক্তন রেসিডেন্ট, হেমাটোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

Similar Posts

  • ভাইরাস কি? ভাইরাস কত প্রকার ও কি? ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য

    ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ। যার অর্থ হলো Poison বা বিষ। এটি এক প্রকার জীবকণা যা শুধু সজীব কোষেই নিজেদের অস্তিত্ব প্রকাশ করতে পারে। এ কারণে এদের জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী পর্যায়ের বস্তু বলা হয়।ভাইরাসের একক হলো ভিরিয়ন (Virion)। Virus এত ক্ষুদ্র যে শুধুমাত্র 2A রেজুলেশন ক্ষমতা সম্পন্ন ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে দেখা যায়। রুশ জীবাণুবিদ…

  • প্লেগের উৎপত্তি কোথায়, জানালেন বিজ্ঞানীরা

    আন্তর্জাতিক ডেস্কপ্রকাশ : ১৬ জুন ২০২২ ব্ল্যাক ডেথ নামে পরিচিত প্লেগ রোগের উৎপত্তি স্থল আবিষ্কার করা গেছে বলে বিশ্বাস করছেন গবেষকরা । ইউরোপ, এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকায় রোগটি কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটানোর ছয়শ’ বছরের বেশি সময় পর এই তথ্য জানতে পারার কথা বলছেন বিজ্ঞানীরা। চতুর্দশ শতাব্দীর মাঝা মাঝির এই স্বাস্থ্য বিপর্যয়কে মানব ইতিহাসের সব…

  • থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে যা জরুরি

    থ্যালাসেমিয়া বংশগত রক্ত স্বল্পতা জনিত রোগ। ইহা যেমন কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়, তেমনি রক্তের ক্যানসারও নয় । জিনগত ত্রুটির কারণে এই রোগে অস্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় বলে লোহিত রক্ত কণিকা সময়ের আগেই ভেঙে যায়। ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। নানা রকমের থ্যালাসেমিয়াঃ ক্লিনিক্যালি থ্যালাসেমিয়া তিন ধরনের হতে পারে। সব চেয়ে তীব্র ও জটিল ধরন ‘মেজর’ হিসেবে…

  • থাইরয়েড রোগের চিকিৎসা

    থাইরয়েড রোগের চিকিৎসা নির্ভর করে রোগী যে ধরনের রোগে ভুগছে তার উপর। থাইরয়েড রোগের চিকিৎসার প্রধান লাইন হল চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার হরমোন এবং বিকিরণ। সহজ (অ-বিষাক্ত) গলগণ্ডঃ চিকিৎসাঃ আয়োডিন পরিপূরক। সার্জিক্যালঃ সাবটোটাল থাইরয়েডেক্টমি, যেখানে থাইরয়েডের লোব, এবং ইসথমাস উভয়ই সরানো হয় তবে শ্বাস নালী , এবং খাদ্য নালীর সংযোগ স্থলের কিছু অংশ সংরক্ষিত থাকে। বিষাক্ত গলগণ্ডঃ…

  • মুখে দুর্গন্ধ

    মুখে দুর্গন্ধ, যা করলে ৫ মিনিটে কমে যাবেঃ  মুখে দুর্গন্ধের কারণে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। দিনে দুবার ব্রাশ করার পরও, দুর্গন্ধ যেন থেকেই যায়। মুখ ঢেকে কথা বলা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।   কারও সঙ্গে মুখো মুখি কথা বলতে গেলে বিব্রত লাগে, হাসতেও পারেন না প্রাণ খুলে। আপনাকে নিয়ে কে, কি ভাবছে? এসব চিন্তা করে, সব…

  • যে দশটি রোগ প্রাণঘাতী হতে পারে

    নিপাহ ভাইরাসের উৎস হতে পারে বাদুড়। মধ্য আফ্রিকায় সাম্প্রতিক সময়ে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর দক্ষিণ ভারতে আরেকটি প্রাণঘাতী ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে, আর সেটি হলো নিপাহ ভাইরাস। দুটি ভাইরাসই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব হতে পারে এমন প্রাণ ঘাতী রোগের তালিকায় আছে। ২০১৫ সাল থেকেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অগ্রাধিকারে থাকা প্রাণ ঘাতী রোগ গুলোর একটি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *