দাঁত ও মাড়ির যত্ন

দাঁত ব্রাশ, মাড়ির সমস্যা ও দাঁতের যত্ন কীভাবে নেওয়া যেতে পারে,

দেশের প্রতিটি খাতেই আমরা অসাধারণ উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি।

ইহা বলতে হবে যে আমাদের দেশ ইদানীং সব সেক্টরই বেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

আমরা এর সুফলও বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাচ্ছি। অন্যদিকে খেয়াল করে দেখবেন,

বাংলাদেশে ওরাল হেলথ কেয়ারেও চোখে পড়ার মতোই পরিবর্তন এসেছে।

শুরুতে এ দেশের মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে তেমন সচেতনতা ছিলই না।

তারা সাধারণতঃ দাঁত পরিষ্কার করার জন্য নিমের কাঠি, ছাই ইত্যাদি ব্যবহার করত।

নব্বইয়ের দশকে এ অবস্থার আসল পরিবর্তনটা শুরু হয়।

ছাই দিয়ে বা শুধু পানি দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাসটা কিন্তু এখন আর নেই।

এখন দেখা যাচ্ছে, মানুষ সচেতন হয়ে বিশেষায়িত টুথপেস্ট ব্যবহার করতে শুরু করেছে,

যা দাঁতের জন্য খুবই উপকারী। সরকার, প্রফেশনাল ডেন্টিস্ট ও দাঁতের যত্নে ব্যবহৃত,

প্রোডাক্ট ম্যানুফেকচারিং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগেই ধীরে ধীরে এ সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাধারণ মানুষ কীভাবে তার দাঁতের যত্ন নিতে পারে? আর এ জন্য তাদের কী করা উচিত?

আমরা সব সময় বলে আসছি যে, সঠিক নিয়ম মেনে দাঁতের যত্ন নিলে দাঁত সুন্দর ও মজবুত থাকবে দীর্ঘ দিন।

আমরা যদি সঠিক সময়ে দাঁতের যত্ন না নেই, তাহলে দাঁতে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দিবে।

যেমন দাঁতে ক্যাভিটি, মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁত শিরশির সমস্যা ইত্যাদি।

আর তাই দাঁত থাকতেই আমাদের দাঁতের যত্ন নিতে হবে।

দাঁতের যত্নে নিয়মিত সকালে নাশতার পর ও রাতে খাবারের পর দুবার সঠিক ভাবে দুই মিনিট ধরে ,

একটি ভালো মানের টুথপেস্ট, যেমন Sensitive Expert by Pepsodent দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

টুথ ব্রাশটিও কিন্তু ভালো মানের ও নরম হতে হবে।

প্রতি তিন থেকে পাঁচ মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করতে হবে।

শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না, পাশা পাশি জিবও ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

বিভিন্ন অ্যাসিডিক খাবার, ধূম পান সহ পান, তামাক, জর্দা ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস,

ত্যাগ করতে হবে, যা দাঁতের স্বাস্থের জন্য ক্ষতি কর।’

দাঁত বা মুখের ভেতরে যে কোনো সমস্যা হলে অবহেলা না করে অতি সত্বর ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

প্রতি ছয় মাসে অন্তত একবার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে মুখ ও দাঁতের চেক আপ করানো উচিত।

আর এখন তো দাঁতের যত্নে রোগীদের সচেতনতা তৈরি করার জন্য Sensitive Expert by Pepsodent–এর,

বিভিন্ন ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্পেরও আয়োজন করা হয়।

এসব ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্পের মাধ্যমেও কিন্তু রোগীরা চাইলে তাদের দাঁতের চেক আপ করাতে পারে।

আমাদের সমাজে একটা কথা প্রচলিত আছে যে দাঁতে পোকা ধরে।

আসলে ঘটনাটা কী? এর উত্তরে চিকিৎসকরা বলেন,

আসলে খাওয়ার পর সঠিক ভাবে দাঁত ব্রাশ করা না হলে দাঁতে জমে থাকা খাবারে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে।

এর ফলে মুখে অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। ফলে দাঁতে ক্যাভিটি হয়।

প্রকৃত পক্ষে সঠিক ভাবে দাঁত ব্রাশ না করা এবং দাঁতের প্রতি যত্নশীল না হওয়ার কারণে,

হওয়া ক্যাভিটির ফলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যায়।

এ ছাড়া দাঁতের মাড়ি সরে যাওয়া, পেরিওডন টাইটিস, টারটার,

দাঁত ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি ঘটনা যখন ঘটে, সাধারণ মানুষ তখন এটাকেই দাঁতে পোকা ধরেছে বলে মনে করে।

আজ কাল নিশ্চয়ই দাঁতের সেনসি টিভিটি নিয়েও বেশ আলোচনা শুনে থাকবেন। সবই আসলে দাঁতের রোগ।’

চিকিৎসকের কথার সূত্র ধরেই জানতে চাওয়া হয়,

দাঁতের সেনসি টিভিটি বর্তমান সময়ের দাঁত–সম্পর্কিত সব চেয়ে আলোচিত বিষয়।

কীভাবে বুঝব দাঁতে সেনসি টিভিটি আছে? আর কীভাবেই এর থেকে সুস্থতা লাভ করা যায়?

এর উত্তরে দন্তরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘আপনি যদি খেয়াল করেন,

দেখবেন আমাদের লাইফ স্টাইল ও খাদ্যা ভ্যাস কিন্তু দ্রুত বদলে যাচ্ছে।

আমরা এখন প্রচুর ফাস্ট ফুড, কোল্ড ড্রিংকস ও নানা ধরনের অ্যাসিডিক খাবার খেয়ে থাকি।

স্বাভাবিক ভাবেই সঠিক উপায়ে দাঁতের যত্ন না নিলে ধীরে ধীরে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যায়।

এভাবে ক্ষয় হতে থাকলে এক সময় ডেন্টিন বের হয়ে আসে।

এই উন্মুক্ত ডেন্টিনের সংস্পর্শে ঠান্ডা বা গরম খাবার এলেই দাঁতে শির শির অনুভূতি হয়।

দাঁতের সেনসি টিভিটি বোঝার সব চেয়ে সহজ উপায় হলো ঠান্ডা বা গরম পানি খেলে যদি আপনার দাঁতে শির শিরে অনুভূতি হয়।

আবার টক বা মিষ্টি খাবার খেলেও দাঁতে অস্বস্তিকর অনুভূতি হতে পারে।

অবাক ব্যাপার হলো প্রতি তিন জন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির মধ্যে এক জন দাঁতের সেনসি টিভিটি সমস্যায় ভোগেন।

অথচ এই বিষয়ে বেশির ভাগ মানুষই জানেন না।

আর দাঁতের সেনসি টিভিটি জনিত রোগ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত,

বছরে অন্তত দুবার ডেন্টিস্টের কাছে যান,
তাহলে এই রোগটি প্রাথমিক স্তরেই নির্ণয় করা সম্ভব হবে।

আর যদি দাঁতের সেনসি টিভিটি জনিত সমস্যায় ভোগেন, তাহলে তা কাটিয়ে ওঠার জন্য,

অবশ্যই অ্যান্টি-সেনসি টিভিটি টুথ পেস্ট ব্যবহার করুন।

এ ক্ষেত্রে সাধারণতঃ সবাইকে Sensitive Expert by Pepsodent ব্যবহার করতে বলা হয়।’

তাহলে কী শুধু অ্যান্টি-সেনসি টিভিট টুথ পেস্ট ব্যবহারে সচেতন হলেই হবে?

নাকি এ ক্ষেত্রে টুথ ব্রাশেরও কোনো ভূমিকা রয়েছে?

একটা কথা সবাইকে বুঝতে হবে যে দাঁতের রোগ শুধু একটি কারণে হয় না।

এর পেছনে অনেক গুলো বিষয় জড়িত। এ ব্যাপারে আমাদের সবারই সচেতন হতে হবে।

আপনার টুথ ব্রাশই যদি স্বাস্থ্য সম্মত না হয়, তাহলে টুথ পেস্ট নিয়ে সচেতন হয়েই কী লাভ!

টুথ ব্রাশের ব্রিসল শক্ত হলে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে।

আবার একই সঙ্গে ব্রিসল যদি অস্বাস্থ্যকর হয়, তাহলেও তা দাঁতের জন্য তা ক্ষতি কর।

বেশির ভাগ টুথ ব্রাশে রিসাইকেলড প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়, যা অত্যন্ত ক্ষতিকারক।

টুথ ব্রাশ কেনার আগে তাই অবশ্যই দুটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে।

টুথ ব্রাশটি ভার্জিন ম্যাটেরিয়ালে তৈরি ও নরম ব্রিসল যুক্ত কি না।

এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসক গণ পেপসোডেন্ট টুথ ব্রাশ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।’

বাংলা দেশের সব খানে ওরাল হেলথ কেয়ার সুবিধা পৌঁছে দিতে এক টানা কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি।

দাঁতের যত্নের ব্যাপারে সচেতনতা তৈরিতে ডেন্টিস্টরা ছুটে বেড়াচ্ছেন পুরো দেশে।

দেশের মানুষ এখন দাঁতের যত্ন নিয়ে সচেতন হয়ে উঠছে,

এর পেছনে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির একটি বড় ভূমিকা রয়েছে।’

যাদের ইতিমধ্যেই দাঁতের ক্ষয় (শির শির) শুরু হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে কি পরামর্শ ?

এর উত্তরে চিকিৎসকগণ বলেন, কারও ইতি মধ্যেই দাঁতের ক্ষয় শুরু হয়ে গেলে,

দ্রুত ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হয়ে ডেন্টাল চেক আপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

সঠিক উপায়ে দাঁত ব্রাশ না করলে, জোরে জোরে শক্ত ব্রিসল যুক্ত টুথ পেস্ট দিয়ে ব্রাশ করলে,

অভ্যাস গত কারণ বা অ্যাসিডিক খাবার বেশি খেলে ইত্যাদি কারণে রোগীদের দাঁতের ক্ষয় হতে পারে।

আমরা যদি দাঁতের গঠন চিন্তা করি, প্রথম এনামেল, এর পর ডেনটিন।

তাহলে এখানে প্রথমে এনামেল ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ডেনটিন ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে।

এই পর্যায়ে দাঁত ঠান্ডা বা গরম খাবারের সংস্পর্শে এলে দাঁতে শির শির অনুভূতি হয়।

‘যদি মিনারেল ক্ষয় হতে শুরু করে, সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর অভ্যাস,

এবং খুব ভালো মানের মিনারেল সমৃদ্ধ টুথ পেস্ট যেমন Sensitive Expert by Pepsodent ব্যবহার করলে,

মিনারেলের পুনর্গঠন হতে পারে। আর যদি ডেনটিন ক্ষয় হয়ে যায়, অবশ্যই চিকিৎসা করতে হবে।

আর শক্ত খাবার কমিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

পান–সুপারি খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত।’

দাঁতের ও মুখের রোগ যেন না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রতিরোধের জন্য কী করণীয়?

প্রাথমিক পর্যায়ে দাঁতের রোগ প্রতিরোধের জন্য কয়েক দিন পর পর দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

প্রতিরোধের প্রথম কথা হলো সঠিক উপায়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

নরম টুথ ব্রাশ নিয়ে, গুণগত মানের পেস্ট, যেমন Sensitive Expert by Pepsodent দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

এক থেকে দুই মিনিট ব্রাশ করতে হবে। সঠিক উপায়ে ব্রাশ করার বিষয়টি জানতে হবে।

দ্বিতীয়ত, দাঁতের ফাঁকের ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

ডেন্টাল ফ্লস দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করতে হবে। জিব পরিষ্কার করতে হবে।

মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। আর সুতা কাটা বা নখ , দাঁত দিয়ে কাটার অভ্যাস গুলো পরিত্যাগ করতে হবে।

দাঁত ও মুখের সমস্যা হোক বা না হোক, বছরে দুবার, অর্থাৎ ছয় মাস পর পর অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।

তাহলে শুরুর দিকে সমস্যা জেনে গেলে রোগী আর বড় কোনো সমস্যায় ভুগবে না।’

Similar Posts

  • চোখের সাদা অংশটিতে রক্ত

    সাদা অংশে রক্তের ছোপ সাধারণতঃ ক্ষতি করে না। কোন ভারী কিছু উঠানোর পর জোরে কাশি দিলে, বা চোখে সামান্য আঘাত লাগলে মাঝে মাঝেই চোখের সাদা অংশে রক্ত দেখা যায়।  ইহা ছোট রক্তনালী ফেটে যাওয়ার কারণে ঘটে থাকে। একটি কালশিটে দাগ যেমন কোন ক্ষতি করে না, ঠিক তেমন ইহাও কোন ক্ষতি করে না এবং ২ সপ্তাহের…

  • অস্টিয়ো-পোরো-সিসে ভুগছেন

    বয়স বাড়লে বা অন্যান্য শারীরিক কারণে হাড়ের ক্যালশিয়াম-সহ অন্যান্য উপাদান, কমে গেলে হাড় ক্ষয়ে যায়, ফলে সামান্য চোট বা আঘাতে ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ‘অস্টি-য়োপো-রোসিস’ বশে আসবে মাত্র ২৫ মিনিটে।  বয়স বাড়লে হাড়ে ঘুণ ধরবেই, যদি না আগে থেকে তা প্রতিরোধ করা হয়। প্রতি দিন ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার এবং পর্যাপ্ত, ভিটামিন ডি হাড়ের এই ঘুণ…

  • থাইর-য়েড ক্যান্সার কোন বয়সের  লোকদের বেশি ঝুঁকি থাকে

    থাইর-য়েড ক্যান্সার মূলত দুই ধরণের হয়ে থাকে।  এক অল্প বয়সে হতে পারে আবার শেষ বয়সেও হতে পারে।  বয়স্ক অবস্থায় থাইর-য়েড আক্রান্ত হলে-এর অবস্থা খুবই খারাপ হয়। বেশি বয়সের রোগীদের সঙ্গে সঙ্গে  সতর্কতার সাথেঅস্ত্র পাচার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসক গণ।  থাইরয়েড আক্রান্ত ব্যক্তিকে কি কি পরীক্ষা করে থাকেন? রোগীকে সম্পূর্ণ মূল্যায়নের জন্য এফটি থ্রি, এফপি ফোর,…

  • কোলেস্টেরলের প্রয়োজনীয়তা

    প্রতি দিনের কার্য সম্পাদনের জন্য শরীরে যে পরিমাণ কোলেস্টেরল দরকার সেই পরিমাণ কোলেস্টেরল আমরা খাবার থেকে গ্রহণ করতে পারি না বলে শরীর নিজের প্রয়োজন মেটানোর জন্য নিজেই কোলেস্টেরল সংশ্লেষণ করে থাকে। আমরা কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ খাবার থেকে যদি বেশি পরিমাণ কোলেস্টেরল গ্রহণ করিতবে শরীর ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য কম পরিমাণ কোলেস্টেরল তৈরি করবে।  ডিম, দুধ, বাটার…

  • জেনে নিন হেপাটাইটিস রোগের ৫টি লক্ষণ

    হেপাটাইটিস হলো লিভারের একটি প্রদাহ। দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাই- টিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়। হেপাটাইটিসের ভাইরাস প্রাথমিক অবস্থায় শরীরে কোনো উপসর্গ প্রকাশ না করলেও ধীরে ধীরে মারাত্মক হয়ে ওঠে। যদিও এই রোগ ছোঁয়াচে নয়। হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্তের ফলে লিভারের কার্য ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। প্রতি বছর লিভারের এই…

  • কোলেস্টে-রলের মাত্রা বেড়ে গেলে

    কারও রক্তে কোলেস্টে-রলের মাত্রা অস্বাভাবিক পর্যায়ে বেড়ে গেলে তা আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রাকৃতিক নিয়মে ওলাইফ স্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাভাবিক মাত্রায় কমিয়ে আনতে পারি।  প্রাকৃতিক উপায়ে কোলেস্টে-রল কমানোর পরিবর্তে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেকক্ষতিকর ঔষধ খেয়ে আমরা নিজেদের উপকারের চেয়ে ক্ষতিই করি বেশি। আমরা অনেক সময় অসুস্থ হয়ে থাকি স্বাস্থ্য সচেতন-তার অভাবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ন্যূনতম যে সাধারণ জ্ঞান…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *