দিসনারে জ্বালা !

আকাশে তাকালে দেখি লক্ষ তারার মেলা
রাতে চাঁদকে ঘিরে যেন তাদের যত খেলা।

পৃথিবীতে কতো বন্ধু মিলে বাড়ালেও হাত
তুই যে বন্ধু মোর কাছে ঐ আকাশের চাঁদ।

মন মন্দিরে বন্ধুর মায়া সুপ্ত আছেই কতো
তোর জন্যে অশান্তি আর হৃদয় টান যতো।

কেমন আছ বন্ধুরা সব প্রশ্ন মনের কোণে
মোর আশা ভালো আছ নিয়ে শান্তি মনে।

আন্তরিক বন্ধু আমার দিসনা আর জ্বালা
তর জন্যে কতো লোকে করে হেলাফেলা।

কখনো যাই হারিয়ে যদি কোন সুদূর দেশে
কষ্ট নিয়ে ফিরে আসি তখন বীরের ভেসে।

একটি প্রার্থনা আমার ভালো যেনো থেকো
কখনো হারিয়ে গেলেও স্মৃতি মনে রেখো।

Similar Posts

  • বার্ধক্যের জ্বালা !

    কতো মূল্যবান সময় পেরিয়ে যায়খেয়ালে বেখেয়ালে বা অবহেলায়শৈশব- কৈশোর-যৌবন ফুরিয়ে ওবার্ধক্য জমে থাকে যত অবেলায়! কত সাধ – আহ্লাদ মনের কোনে রয়ক্রমে অস্পষ্ট হতে হতে অদৃশ্য হয়েরঙিন দুনিয়ার যতো তামাশা সমাপ্তআর বাঁচার আশাটি নিভে শেষ হয়! খুব ঘনো কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়েদাওয়ায় বসে বসে ঝিমায় দু:খ কষ্টশরীরের ভাঁজে তার কখন যে বাসাবেঁধেছে ক্রমান্বয়ে নিস্তেজ হয়…

  • “ ঈদ মোবারাক ”

    নবীন চাঁদের আগমনেজাগল সাড়া সব মনে।আসল ঈদ পবিত্র দিনেকষ্ট বেদনা ভুলে প্রাণে।ভোগ করো ইদের দিনেনিমন্ত্রণ সকলের তরে।পারলে এসো মোর ঘরেসবার সাথে যাবো পরে।

  • ক্ষমাশীল

    দয়াময় খোদা অসীম,আনন্দ উল্লাসেবিপদে আপদেসহায় সীমাহীন। আল্লাহ কতই প্রেমময়,অনুরাগ অফুরন্তস্নেহের ভান্ডারকতই যে দয়াময়। মোরা হয়ে ধৈর্যশীল,প্রার্থনায় থাকলেপরিত্রাণ পাবোতিনিই যে ক্ষমাশীল সৃষ্টিকর্তা তিনি মহান,এ ধরায় যত কিছুআছে বিরাজমানতাঁর তৈরি সারা জাহান।

  • কতো কষ্টের জীবন !

    দরিদ্র এক ছেলে হাতিরঝিলে নেয় ঠাঁইমন চাইলে পানির বোতল যত চটপটিরদোকান থেকে নিয়ে ফেরি করে বিক্রিরটাকা দিয়ে খাবার কিনে খায় আরো সেবলে এখানেতো অবারিত স্বাধীনতা পাই! মন না চাইলে কৃষ্ণচূড়ার নিচে শুয়ে বসেঘুমিয়ে বা আড্ডায়ও সময় কাটিয়ে দেয়স্কুল আর পড়ালেখা টাকার জন্য কোনোদোকানে নিয়মিত কাজ করা একদম সহ্যকরতে পারে না অধিকন্তু ভাগ্যকে দোষে! তার পড়াশোনা…

  • কতো একা !

    ঘুমিয়ে এক লোক একটি স্বপ্ন দেখেছিলতার উদ্বেগকে আরো বাড়িয়ে তুলেছিল। স্বপ্নে দেখে যে কোথাও সে যেনো যাচ্ছেআঁধারে খুঁজে পাওয়াটাই অসম্ভব হচ্ছে। লোকটি ভয়ে তখন বেশ কাঁপতে ছিলোভয়ের সাথে পদক্ষেপ নেয়া কঠিন হলো। কিছুটা সাহস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাথেকয়েক ছেলে দেখে চমৎকার বাতি হাতে। তারা সব ছিল পান্নার মতো পোশাক পরেআলোকিত বাতিগুলি তাদের হাতে ধরে। নিঃশব্দে…

  • শান্তিময় !

    গুন গুন শব্দে গান গেয়ে এক ছেলে যায়তার নীরব সুর লহরীর মনোমুগ্ধকর টানেশ্রোতাকে আনন্দ দিয়ে মনে যা শান্তি পায়। তার চলার গতিবেগ ছিলো খুবই শান্তিময়কিন্তু চোখের চাহনিটি দেখে অনুভব হলোমনের মধ্যে হয়তো বা কতো দু:খ কষ্ট সয়! কিছুক্ষণ পরে জানতে পারি কাহিনী যতোহতভাগা অনাথ এতিম ছেলের ছোট বেলামা বাবার মৃত্যুর পর থেকে ভোগছে শতো! পরিবারে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *