পুতুল খেলা

তাইফা রাইফা দু’টি বোন
খেলায় থাকত বেশীক্ষণ।
ঘটি বাটি থালা বাসন যত
সেগুলো নিয়ে খেলত তত।
পুতুলের দিত কানে দোল
কেউ নিলে হতো গন্ডগোল।
পরাতো তারা সুন্দর শাড়ি
উভয় হাতে পরাতো চুড়ি।
দু’টি বোন গলাগলি করে
আনন্দের সীমা নাহি ধরে।
পুতুল দু’টি দুজনের হাতে
আদর সোহাগ দিত তাতে।
ঘুম পাড়াতো নিয়ে কোলে
স্নেহ যা করত হেলে দুলে।
জন্মদিন উৎসব উদযাপন
উল্লাস কত করত জ্ঞাপন।
পুতুল ওদের মনে হয় সব
তারা করতো অসীম রব।
কি আনন্দ প্রচুর মোহ মায়া
তাদের কতো সোহাগ দয়া।
আল্লাহ পাক রহিম রহমান
সকলকে করো মেহেরবান।

Similar Posts

  • এত নিষ্ঠুর

    বৎস!সেদিন ছিলে পাশেতখনতো বলেছিলে তুমিদেখা হবে আগামী মাসে! দিনের পর দিন চলে যায়অশান্তি ও হতাশার মধ্যেঅপেক্ষায় তোমারই দায়! তোমার অন্তর যা কঠোরস্নেহ মায়া মহব্বত বলতেকিছু নেই তুমি এত নিষ্ঠুর! কেন এতই অবহেলা করসৃষ্টিকর্তাকে স্মরণে রাখোআল্লার নির্দেশিত পথ ধর! সহায়হীন যা ছিলে যেদিনআল্লাহ ছাড়া শুধু ছিলেনতিনি সহায় সম্বল সেদিন! স্নেহময়ী মা তাঁর যা করুণাঅতুলনীয় আর অদ্বিতীয়কখনোও…

  • খোদার করুণা

    আল্লার এ বিশ্ব জগৎ ভরেআকাশ বাতাস জল স্থলনদী নালা সাগর মহাসাগরঅগনিত অসংখ্য জীবজন্তুযতো সকলে বিচরণ করে। খাবার আল্লাহ করেন দানতিনি আমাদের সবার প্রভুতাঁর দয়ার ফলে সৃষ্টির লগ্নথেকে জারি আছে সর্বত্রইসব কিছুতে যতো অবদান। সকল মাখলুকাতের তরেইহ জগত ভরে মিষ্টি মধুরকতো ফুল ফল তরু লতাযত যেখানে যাবতীয় স্বাস্থ্যউপযোগী গাছ বৃক্ষেই ধরে। মাতা পিতার মহব্বত যতোসন্তানদের জন্যেই…

  • ঘুমে জড়ো সড়ো

    একেক জন মানুষ ঘুমায় দেখি একেক ধরনকেউ চুপচাপ নিরীহ রয় যার নেই অনুসরণ। জড়ো সড়ো হয়ে কতো লোক আরো ঘুমায়ঘুমের পূর্বেই কেহ আবার বসে বসে ঝিমায়। হাত পা ছুঁড়িয়া এর মধ্যে এপাশ-ওপাশ যায়অস্থির হয়ে কেউ বা মনে তার শান্তি না পায়। তুমুল নাসিকা গর্জনে যেন যুদ্ধের কোলাহলশব্দ করে তোলে মনে হয় লোকের দলাদল। কোন কোন…

  • মা জননী

    জন্মের পরেই মায়ের বুক,স্নেহ মমতার কিযে সুখ ।সোহাগ অনুরাগ করে কতই ,অসুখ অশান্তি থাকে যতই।স্নেহময়ী মা জননীর করুণা,সীমাহীন আনন্দ যার ধরেনা।আদর আহলাদ ভালো বাসা,সন্তানের প্রতি কত যে আশা।শৈশব বাল্য কৈশোর কাল,পেরিয়ে আসে যৌবন কাল।বিয়ে সাদী গড়ে মায়া জাল,অনেকেই সংসারে ধরে হাল।সন্তানের জীবন ধন্য হলে ,মা বাবার দুর্গতি যায় চলে।

  • স্নিগ্ধ আকাশ !

    হঠাৎ করে যা বৃষ্টি এলোমন মন্দির ভিজে গেলোভিজে গেলো স্বপ্ন গুলোঅন্তরটিও নিস্তেজ হলো! বৃষ্টি ভেজা স্নিগ্ধ আকাশশুরু হলো মৃদুমন্দ বাতাসস্মৃতিগুলো সব কাড়ে মনহোক যতো বৃষ্টি সারাক্ষন! তুমিও আছো অনেক দূরেস্মৃতির কথা সব হবে পরেআবছা হয়েও আমার যদিঅপেক্ষায় থাকো নিরবধি! একটি বার তো কান পেতেথাকো যদি তুমি শুনে যেতেসাক্ষাৎ হলে ই উঠতে মেতেআনন্দ ফুর্তি চলতো তাতে!…

  • অফুরন্ত দয়া

    পথিক ছুটে চলছে বেগে কতোঅবিরত তার চলার গতি যেথানেই কোনো বাধা বিপত্তি শতোরাস্তা ঘাট পেরিয়ে যাচ্ছে যতো। হঠাৎ করে চলার গতিটি থেমেচতুর্দিক থেকে তাকে আক্রমণকরতে ঘিরেই ফেলে উপায়ন্তরনা দেখে তবে জলে যায় নেমে। কতো চিৎকার করে তারা বলেআজ আর কোনোও রক্ষা নেইআরো কয়েক জন সংগী এসেতৎক্ষনাৎ তাদের সাথেই মিলে। শত অনুনয় বিনয় করতে থাকেআরো বলে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *