বিজয় উৎসব

খুব ভোরে উঠে প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়ে চলে
চলার পথে কতো বন্ধু বান্ধব পরিচিত আর
অপিরিচিত অনেকের সাথেই সাক্ষাৎ মিলে।

বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান সম্পাদনের লক্ষ্যে
ছোট বড় আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই খুশিতে
সাজ সজ্জায় সজ্জিত হয় দেখা যায় সচক্ষে।

সৃষ্টি হয় এক মনোরম আনন্দ ঘন পরিবেশ
প্রতিটি জনগণের একমাত্র লক্ষ্য শুধু সবাই
গন্তব্যে পৌঁছে অনুষ্ঠানের যা করবে উন্মেষ।

শীতের প্রচুর ঠান্ডা বাতাসও উপেক্ষা করে
শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যতো শ্রদ্ধা জানিয়ে বিজয়
উদযাপন কত মানুষ সূচনা করে নেয় পরে।

সারি বেধে পর্যায়ক্রমে উপস্থিত হয় মিনারে
পুষ্পস্তবক রাখা হলে পরে সুন্দর করে ছবি
তুলে নেয় আর কত অপেক্ষা করে কিনারে।

পতাকা নিয়ে স্মৃতিসৌধে ভরে জনতার ঢল
মাথায় বিজয় দিবস লেখা ব্যান্ড নিয়ে আর
বিনম্র চিত্তে মিলিত হলে সৃষ্টি হয় কোলাহল!

চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বিজয় দিবসের সুর
ঘন ঘন মাইকের আওয়াজে আরো আনন্দ
উল্লাস করে কতো যেনো বেজে কি সুমধুর!

সবার মনে থাকে বিজয় দিবসের যত খুশী
চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বিজয়ের আনন্দঘণ
মুহুর্ত উল্লাস ফুর্তি আমোদ রয় কতো বেশী!

উৎসব-আনন্দে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে
বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল বিজয় দিন
উদযাপনও করে দেশবাসী সকলকে নিয়ে!

দুই যুগের পাকিস্তানি শাসনের অবসান হয়
বিশ্বের মান চিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল স্বাধীন
বাংলাদেশের যাদের রক্তের বদলে তা রয়!

নানা স্লোগান দেশাত্মবোধক কত গান চলে
শ্রদ্ধা জানাতে জনতার ঢল অব্যাহত থাকে
বেলা ১টা পর্যন্ত সবার মনে যত শান্তি মিলে!

Similar Posts

  • পুতুল খেলা

    তাইফা রাইফা দু’টি বোনখেলায় থাকত বেশীক্ষণ।ঘটি বাটি থালা বাসন যতসেগুলো নিয়ে খেলত তত।পুতুলের দিত কানে দোলকেউ নিলে হতো গন্ডগোল।পরাতো তারা সুন্দর শাড়িউভয় হাতে পরাতো চুড়ি।দু’টি বোন গলাগলি করেআনন্দের সীমা নাহি ধরে।পুতুল দু’টি দুজনের হাতেআদর সোহাগ দিত তাতে।ঘুম পাড়াতো নিয়ে কোলেস্নেহ যা করত হেলে দুলে।জন্মদিন উৎসব উদযাপনউল্লাস কত করত জ্ঞাপন।পুতুল ওদের মনে হয় সবতারা করতো অসীম…

  • চোখ রাঙায় !

    স্বার্থান্বেষী ও শত্ৰুর দলেঅনল দেয় দেশে জ্বেলেহক কথাও বলতে গেলেরাঙায় যত চোখ খোলেকষ্ট ভোগে সকল মিলে! কেউ হল কালোবাজারিকতো ই করে মজুতদারিসারছে কত রিলিফ চুরিকরে সাধুবেশে ঘুরা ঘুরিঅনেকের চলে ধরাধরি! সুযোগের কত ধান্দা করিফায়দা লয় জোরাজোরিকরে স্বার্থ নিয়ে মারামারিউপার্জন করে বাড়ি গাড়িঅবৈধ পথে লজ্জা ছাড়ি! অশান্তি করেও লাভ নাইরিজেকের যত কিছু খাইসঠিক রাস্তায় চলরে ভাইইবাদত…

  • কতো আহাজারি !

    অনেকদিন কথা হয়না তোমার সাথেআজ আবার মনের যত কথা বলতেশুরু করছি শতো দু:খের কথা যাতে! কয়েকটি বন্ধু মিলে দূরের যাত্রা করিবিরতিহীন বাসে পর্যায়ক্রমে সব উঠিউপস্থিত সবে খোদা তায়ালাকে স্মরি! আল্লাহর নাম নিয়ে বাস ছেড়ে দিলোদ্রুত বেগে চলে অনেক রাস্তা পেরিয়েএক মোড়ে হটাৎ গাড়ীটি উল্টে গেলো! চালক বেরিয়ে দৌড়ে দূরেই চলে যায়গাড়ির অনেকাংশ দুমড়ে মুচড়ে আরোজনগণ…

  • খেলা ধুলা

    অবিরাম চলার গতিকোনো বিরতি ছাড়াছোটে চলছে যেনোটিক নেই তার মতি। একটি যুবক ছেলেএদিক ওদিক নাহিতাকিয়ে ছুটে যাচ্ছেশরীরকে হেলেদুলে। তার দীর্ঘ সময় যায়পথে অল্প বিশ্রামেরপরে যাত্রাটি আরম্ভকরে সাথীদের পায়। সকল একত্রে মিলেখেলার মাঠে হাজিরহয়ে পরে মিলেমিশেকত খেলা ধুলা চলে।

  • তারুণ্যের গতি

    তারুণ্য উদ্দিপনাতে পরিপূর্ণ ই কাঁচা বয়সের নামতারা সহজে না মেনে বাধা প্রচন্ড স্রোতের উজানসাতারে পাড়ি দিয়ে হলেও সেরে নেয় ওদের কাম। ইহা একটি অদম্য শক্তি আরো অপ্রতিরোধ্য ঝড়দৃপ্ত শপত অপরাজেয় দুর্জেয় ঘাটি এক আসাধ্যসাধনের তাদের জন্যে সর্বদাই সর্বোত্তম কারিগর। প্রকৃতভাবে সৃষ্টির উম্মাদনা তারুণের যত গৌরবঅফুরন্ত প্রাণ শক্তি সঞ্চার ও বদ্ধ কুঠিরের দুয়ারভেঙে চুর্ণ করে অগ্রসর…

  • কবিতা

    আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য০২.০৩.২০২৩ খৃঃ, রোজ বৃহস্পতি বার ;স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৩০০ টিতেপৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম —” পহেলা এপ্রিল ” । সৃষ্টিকর্তার অসীমদয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায়এ রকম একটি অভীষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হতেপারায় আমি আপনাদের অশেষ ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায়করছি ।…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *