পুতুল খেলা

তাইফা রাইফা দু’টি বোন
খেলায় থাকত বেশীক্ষণ।
ঘটি বাটি থালা বাসন যত
সেগুলো নিয়ে খেলত তত।
পুতুলের দিত কানে দোল
কেউ নিলে হতো গন্ডগোল।
পরাতো তারা সুন্দর শাড়ি
উভয় হাতে পরাতো চুড়ি।
দু’টি বোন গলাগলি করে
আনন্দের সীমা নাহি ধরে।
পুতুল দু’টি দুজনের হাতে
আদর সোহাগ দিত তাতে।
ঘুম পাড়াতো নিয়ে কোলে
স্নেহ যা করত হেলে দুলে।
জন্মদিন উৎসব উদযাপন
উল্লাস কত করত জ্ঞাপন।
পুতুল ওদের মনে হয় সব
তারা করতো অসীম রব।
কি আনন্দ প্রচুর মোহ মায়া
তাদের কতো সোহাগ দয়া।
আল্লাহ পাক রহিম রহমান
সকলকে করো মেহেরবান।

Similar Posts

  • জুরালো কন্ঠস্বর

    আনন্দ উল্লাসে নাতনিটি মোরপ্রতিদিন ফোনে এক দুই বারোকথা বলে এক রুম থেকে অন্যরুমে যায় হাসি খুশিতে কতোওআরোও জুরালো তার কন্ঠস্বর। কি ভংগিমাও কথা বলার তারমোবাইলে আলাপ করার সময়সে দাদুকে আবার তো কোনওসময়ে স্নেহের আপা মনিকে ইচায়ও দীর্ঘ সময় কথা হয় যার। নাতনির কথা বার্তায় হাসে সবমাঝে মধ্যে এমন যেনো কতোকিছু বলে মনে হয় তার যতোকথা…

  • দূর কর যত দু:খ !

    কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগনিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়। তাদের নির্ধারিত আবাস নাইআরো চিন্তায় থাকে কোথায়খাবার জোগাড় করতে যাই। দিন রাত পেটের ধান্দা করেরাত পোহালে খাদ্য জোগাড়করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে। শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরেকোন দিন কাজের বিনিময়েআয় করে সদায় নিয়ে ফিরে। আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখতাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনোতাদের দূর করে…

  • প্রয়াস

    শ্রবণশক্তিহীন মানুষ জন্ম থেকেবাকশক্তিহীনও হতে পারে ফাঁকে। জীবনের মধ্যে যে কোনো বাঁকেজ্ঞানীদেরই বিশ্বাস সম্পূর্ণ থাকে। সামান্য প্রয়াসে অসংখ্য ফায়দাএকটা সীমা পর্যন্ত করে কায়দা। অন্ধত্ব পৌঁছে গেলে অনুভব হবেবন্ধু বান্ধব যতো দূরে চলে যাবে। চোখ দিয়ে কত কিছু দেখা যায়অন্ধ হলে দৃষ্টি শক্তি লোপ পায়। নিজে মালিক কোন কিছুর হলেঠগের ধান্দায় পড়ে সব যায় চলে। সর্বস্বান্ত…

  • মন কান্দেরে !

    আমার দাদু ছোট মনিকতোই যে স্নেহের খনি ,সুন্দর সুন্দর কথা কয়আমরা মন দিয়ে শুনি! আদরের ই সোনা মনিখিল খিল করেই হাসে ,ফোঁকলা দাঁত দেখতেসবাই একসংগে মিশে! হাসি দেখে আমরা সবেসীমাহীন সুখ যতো পাই,সোহাগের ছোট্ট নাতনীমোদের সাথে কিন্তু নাই! নিজে নিজে ফোন করেআলাপই ধরে মিষ্টি সুরে ,তার বড় বোনকে ডাকেআনন্দে কথা হয় জুরে! খোদা মেহেরবান কতোআরো…

  • ঘুর্ণয়মান

    জগতটা ঘুর্ণয়মান পিন্ড,মানুষ স্বার্থে হয়েছে ভন্ড।আল্লাহর ঈশারায় চলে,ইচ্ছে করলেই সব ফলে।কত যে আজব তাঁর সুত্র,আকাশে চাঁদ তারা নক্ষত্র।তাদের চলার গতি সুন্দর,হবে না কখন ও অসুন্দর।নিয়মে ই করছে অতিক্রম,হয়না কোন দিন ব্যতিক্রম।দয়াময় সৃষ্টি কর্তা রহমান,মোদের প্রতি মেহের বান।তাঁর দয়াতেই নাযাত পাব,হুকুম মত চলে স্বর্গে যাব।

  • শিশুর সাধ

    খেলার মাঠের কাছে দাড়িয়েএকটি ছোট্ট ছেলে কাঁদছিলপরে এক বৃদ্ধ লোককে দেখেআর সে অনেক জুরে রোদনকরে তার হাত ও পা নাড়িয়ে। কান্না শুনে বৃদ্ধ এগিয়ে গেলেনছেলেটিকে তার কান্নার কারণজিজ্ঞেস করলে অনেক দিনেরভারাক্রান্ত মনের লুকায়িত তারপুরানো স্বপ্নেরও উত্তর পেলেন। স্বপ্নের বিষয়ে সে জানালো যারএকটা ঘুড়ি থাকবে এবং সবারচাইতে উঁচুতে উড়বে কিন্তু কোনটাকা পয়সা তার নিকটেও নেইবিধায় ঘুড়ির…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *