বীর দর্পে চলে !

গভীর বন জংগলের পাশে বাস
যখন তখন ও যেখানে সেখানে
আচমকা আক্রমণ করে কতো
মানুষের ঘটে জীবনের সর্বনাশ!

হিংস্র জীব জন্তুর যতো চলাচল
ওরা অবাধে বিচরণ করে ঘোরে
সগতিতে বীরত্বের সাথে বেড়ায়
কখনো শুরু করে কত হুলস্থল!

মূহুর্তে সুযোগে আক্রমণও করে
দলবেধে হাতী মিলে লোকালয়ে
উপস্থিত হয়ে যত ভাংচুর সেরে
উপস্থিত মানুষেরে দৌড়ায় পরে।

বন্য প্রাণীদের শত আতংকে রয়
যত বীর দর্পে চলে সুযোগে তারা
হঠাৎ হানা দেওয়ার ফলে কতো
লোকের জীবন পর্যন্ত ধ্বংস হয়!

Similar Posts

  • স্বপ্ন পূরণ

    রত্নের চেয়েও মূল্যবান সুন্দর উক্তিদিশেহারাকে দেখায় পথ অন্ধকারেজ্বালায় আলোর মশাল যত দুর্বলআছে তাদেরে যোগায় আরো শক্তি। হতাশা ব্যর্থতা গ্লানির অনুভূতি তিক্তযখন ঘিরে ধরে তখন ঘুরে দাঁড়াতেএকমাত্র সম্বল হয় আশা একটু খানিসম্ভাবনার হাতছানি থাকে অতিরিক্ত। সময় গুলোতে জীবনের তো কঠিনমনোবল ধরে রাখতে হৃদয়ে যুগিয়েঅনুপ্রেরণা যাবে বিখ্যাত উক্তি তুমিযদি এখন থেকেই করে নেও রুটিন। তোমার স্বপ্নগুলোকে করতেই…

  • তুমি চীর মহান!

    কতো পশু পাখিই আছে তারা সবেঅসংখ্য আরো প্রহরে প্রহরে জাগেপ্রভাতে ব্যস্ত হয় কল কাকলি রবে। মানুষ হয়ে কেন তোর চেতন হলনাপরম প্রেমময় মেহেরবান সৃষ্টিকর্তাএমন দয়াল খোদার নামই নিলেনা। আকাশ ছাড়া দেখেনা রাত নিশিথেআমার কাঁদার ভেদের কথা আল্লাহছাড়া তো কেহো জানেনা পৃথিবীতে। ছন্দ লিপি কবিতা কাহিনী ও বাণীকারো কারো কাছে তা ইবাদততুল্যএ জন্য সৃষ্টি করেছেন সবাই…

  • স্নেহের টান

    আজ আরম্ভ করলাম তোমার প্রসঙ্গ দিয়েকতো কি যে লিখতে পারি তোমাকে নিয়ে। অসংখ্য যত থাকবে খোদা তাওফিক দিলেআল্লাহর নামের সকল কিছুতে শান্তি মিলে। লিখনিতে পর্যায়ক্রমে কত শতো সহস্র চলেঅবিরত লিখতেও পারবো মেহেরবানী হলে। যতো ধন্য তোমার জন্যে সর্ব মহলেই জানেকত কিছু ত্যাগ হলো তোমার স্নেহের টানে। ছোট কালের সাথী তুমি জীবনে ছিল বাঁধাতখন চাল চলন…

  • সুখে – দু:খে জীবন !

    বিচরণ করছে যার-তার ভাবেসকাল দুপুর রাতের বেলা কেকোথায় যাতায়াত করে সবারপ্রয়োজন মতো ছুটছে ই সবে। অনেকে যা সুখ সাচ্ছন্দ্য ভরেহাসি খুশী আরো ফুর্তির ফলেঅগোচরেই আনন্দ অশ্রু পড়েউৎফুল্ল উল্লাসের সীমা না ধরে! কাহারো জীবনে কত কষ্ট বয়তারা তো কখনো শান্তিতে নয়অবর্ননীয় দুর্ভোগ কপালে সয়নিপিড়ন জ্বালাতন ভাগ্যে রয়! রাব্বুল আলামীন আল্লা পাকনির্মল আর পবিত্রই তাঁর জাতঅধম পাপিষ্ঠ…

  • আমার মা

    অনেক দিন প্রতিক্ষার পরেযেদিন এসেছিলাম এই ভবেশত কষ্টতে চোখ বুঝে দুখেঅসংখ্য গোলাপের যত হাসিফুটেছিল মোর মায়ের মুখে! স্বার্থক হয়েছিল মায়ের কষ্টআমি পৃথিবীতে আসার পরেপ্রথমেতো দেখি তোমার মুখযা দেখে আমি পাই সুখ তুমিআমার জান্নাত আমি কত তুষ্ট! শুধু ধু ধু করে না থাকলে তুমিজন্মের পর কেঁদে উঠি আমিআমার ভাষাই না বুঝেও তুমিকান্না থামাও করিয়ে দুগ্ধ পানতুমি…

  • সাধন ভজন

    আচানক নামটি তাঁহারআরো কত বছর আগেঅসীম পারদর্শী ছিলেনধ্রুপদ সংগীত সব রাগে। সুনাম আর খ্যাতিতে নামকতো করেছিলেন অর্জনকিন্তু তারও কণ্ঠে ছিলোযেনো মেঘের মত গর্জন। খুব ভোরে বা সাঁঝে যখনসাধন ও ভজন হতো শুরুভাবতে হতো বরষার মেঘডাকছে অনেক গুরু গুরু। এতোও অধিক উচ্চে ওঠেকারো গলার কতো কাজশেষে প্রবচনে বলে তাকেযত জোরেসুরে আওয়াজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *