শান্তির দিশারি

সকাল হলে বের হয়ে যায় খাদ্যের দায়
কতো দূর দূরান্তে চলে কষ্ট ভোগ করে
খানা খাদ্য অনেকে সংগ্রহ করতে যায়।

অধিক পরিশ্রমের পরে কতো যে জুটায়
অসংখ্য অগনিত মানুষ হাড় ভাংগা চেষ্টা
সাধনাতে সবে তাদের প্রয়োজন মিটায়।

দুর্ভোগ দুর্গতি শতো কষ্ট সহ্য করার পরে
আল্লাহ তায়ালা ও রাসুলে করিম (স.)এর
ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে শান্তির পথ ধরে।

পালন কর্তা রহমানুর রাহিম আমাদের রব
তাঁর অসীম অনুগ্রহের ফলে সুখ সাচ্ছন্দ্য
আরাম ও আয়েশে বাস করি আমরা সব।

Similar Posts

  • দারিদ্র্য যত সমস্যা

    দারিদ্রেতায় মানবতাবোধ লোপ পায়হিংস্রতার প্রসার হয় অন্যায়-অবিচারবিস্তৃত আরো রক্তের সম্পর্ক দূরে যায়। মানুষ তার সন্তানকে তারা বিক্রি করেঅভাব অনটন দুঃখ কষ্টে বেশী ভোগেহত্যা পর্যন্ত করার আরো যত পথ ধরে। জীবনে রক্তশূন্যতা সদৃশ দারিদ্র্য হলমানুষের দেহ আর মনের রোগ ব্যাধিকষ্ট অশান্তি বেড়ে আরাম চলে গেল। অর্থ-সম্পদ দেহের জন্য কাজ করেসুখ সাচ্ছন্দ্য আরাম আয়েশ যত যাঅর্জন সহ…

  • সংহতি

    সৃষ্টির রহস্য নিয়েই যদি চিন্তা করিআসমান- জমিন জল-স্থল পাহাড়পর্বত নদী নালার মধ্যে যতো কিছুমোদের কল্যাণে সব রয়েছে জারি। যতো মানুষ এ রকমের চিন্তা করেগভীর মনোযোগ দিয়ে যদি রত হয়তাদের দুনিয়া আখেরাতে শান্তি ওকত মংগল নিহিত রয় জীবন ভরে। আল্লাহর সৃষ্টিকূল নিয়ে চিন্তা করাসকল মুসলমানদের জন্য ইবাদতসৃষ্টি থেকে শিক্ষা নিলে ঈমান বৃদ্ধিহয় বিশ্বাসে জীবনে সব যায়…

  • লেলিহান শিখা !

    ফজরের নামাজ সম্পন্ন হলেকয়েকজন রাস্তাতে পায়চারিকরতে তখন তারা সব একত্রহয়েই যাত্রা আরম্ভ করে চলে। অদূরে দেখল জ্বলছে আগুনবাড়ি ঘরের কতো লোক জনআগুন নিভানোর জন্য আসেতখন বেড়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ। সময় আরো যত এগিয়ে যায়বাতাসের গতির তালে তালেঅগ্নির লেলিহান বেড়ে গেলেউপস্থিত সবাই কত কষ্ট পায়। পরে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেঅত্যধিক পানি ছাড়ার জন্যেআগুনের আধিক্য কমে থাকেএতে সবার…

  • ভীত সন্ত্রস্ত

    কত জন চুপ থাকে তারা যেন বোকাঅসৎ ও বাটপাররা দেয় কতই ধোকা।ধান্দাবাজ অসাধু বাটপার চিটিংবাজসাধু সেজে তারাই দেয় মাথায় তাজ।জেনে শুনে সরলদের যা দেয় ফাঁকিবিচারেরও রায় দেয় জুরে সুরে হাঁকি।জ্ঞানীগুণীরা যত তাঁরা থাকেন নিরবঅসম্মানের ভয়ে তাঁরা করেনা যে রব।বাটপার প্রতারকের থাকে শোরগোলঅল্প কিছুতে তারা করে যা গন্ডগোল।সুযোগের সন্ধানে থাকে কত যে ব্যস্তনিরীহ সরল ভদ্র যতই…

  • জুরালো কন্ঠস্বর

    আনন্দ উল্লাসে নাতনিটি মোরপ্রতিদিন ফোনে এক দুই বারোকথা বলে এক রুম থেকে অন্যরুমে যায় হাসি খুশিতে কতোওআরোও জুরালো তার কন্ঠস্বর। কি ভংগিমাও কথা বলার তারমোবাইলে আলাপ করার সময়সে দাদুকে আবার তো কোনওসময়ে স্নেহের আপা মনিকে ইচায়ও দীর্ঘ সময় কথা হয় যার। নাতনির কথা বার্তায় হাসে সবমাঝে মধ্যে এমন যেনো কতোকিছু বলে মনে হয় তার যতোকথা…

  • শুরগুল

    পাশের বাড়িরই কলিমতার বন্ধুর নাম ডালিম।সর্বদা যে একত্রে চলেসুখ দুঃখের কথা বলে।বিকেলেও মাঠে খেলেঅপুকে সে দেয় ফেলে।অপু তার খেলার সাথীকখনো হয় হাতাহাতি।নিমন্ত্রনে ও সকল যায়কত কিছু সেথায় খায়।দাওয়াত বিয়েরই ছিলবন্ধু বান্ধব কতই পেল।বিয়েতে অসীম শুরগুলমস্ত বড়ো আর হুলস্থুল।কেউ যে হাটাহাটি করেকেউবা সুন্দর গল্প ধরে।জামাই বাবু বসে আছেআত্নীয় বসেছেন পাশে।বিয়ের আসর যা গরমহৈ হুল্লোড়ের নাই শরম।মেহমানদের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *