শুরগুল

     

পাশের বাড়িরই কলিম
তার বন্ধুর নাম ডালিম।
সর্বদা যে একত্রে চলে
সুখ দুঃখের কথা বলে।
বিকেলেও মাঠে খেলে
অপুকে সে দেয় ফেলে।
অপু তার খেলার সাথী
কখনো হয় হাতাহাতি।
নিমন্ত্রনে ও সকল যায়
কত কিছু সেথায় খায়।
দাওয়াত বিয়েরই ছিল
বন্ধু বান্ধব কতই পেল।
বিয়েতে অসীম শুরগুল
মস্ত বড়ো আর হুলস্থুল।
কেউ যে হাটাহাটি করে
কেউবা সুন্দর গল্প ধরে।
জামাই বাবু বসে আছে
আত্নীয় বসেছেন পাশে।
বিয়ের আসর যা গরম
হৈ হুল্লোড়ের নাই শরম।
মেহমানদের খানা শেষ
শুরু হলো বিদায় রেশ!

Similar Posts

  • ঝটপট গ্রাস করে

    স্রোতে স্রোতে নদীর যত ঢেউহঠাৎ ওঠে জেগে তো ঝাপটেপড়ে কতো ভেজা ভেজা মাটিবালু কাঁকর পাথর সহ আরোসিমেন্টের শক্ত বাঁধেরই ওপরকিছু দিয়ে তাকে বেঁধে কেউ। আটকেতো রেখেছিল সকলেলাফিয়ে লাফিয়ে নেচে নেচেউল্লসিত উচ্চ স্বরে চারিদিকেপাড়ায় পাড়ায় অলি গলিতেঘরে আঙিনায় কামরায় আরবাগিচায় সর্বস্থানে ঢুকে পড়ে। কত ঝটপট গ্রাস করে ফেলেকোনো জিনিসই পায়না ছাড়াতার হাত হতে বাসন কোসনঅলঙ্কার কাপড়…

  • বন্যপ্রাণীর হম্বিতম্বি

    ঢেউ খেলানো গাঢ় সবুজ আগের মতো নেই,পাহাড় কেটে বসতি আর খেতের জমি সেই।শহর আর বন্দরের ক্রমশ ঘটছে যে বিস্তার ,প্রকৃতির স্নিগ্ধতা-সজীবতার নেইত নিস্তার।পাহাড়ের মাটি যাচ্ছে যা কখনও ইটভাটায় ,কখনও আবাসন প্রকল্পের উন্নয়নে পাঠায়।পাহাড় বনাঞ্চলই মানুষ নিচ্ছে দখল করে ,বন্যপ্রাণী চলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে।মানুষ আর বন্যপ্রাণীর সংঘাত যা বাড়ছে ,বাঘ হাতির আক্রমণে আত্নরক্ষায় লড়ছে।বন্যপ্রাণী করছে…

  • তুমি মেহেরবান !

    সকলে চলো ধৈর্য্য ধরেআল্লাহকে স্মরণ করে! খোদার পথে যারা চলেসর্বস্থানেও শান্তি মিলে! অভাব অনটন দূর হয়পরিবারে যা শান্তি রয়! সৃষ্টিকর্তার করুনা কতমুক্তি পায় অসংখ্য যত। আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতিকল্যাণের হবোই সাথী! ইহ পরকালে মুক্তি চাইখোদার কৃপা যেন পাই! তিনি কতো মেহেরবানহাশরে পাইযে পরিত্রাণ!

  • অসীম খুশী

    লোকজন প্রস্তুতি নিয়ে বাজারে যায়আশ পাশের কত প্রতিবেশী সাথী পায়।কয়েক জন একত্রে হেঁটে রওয়ানা দেয়কেউ বা শিশু কিশোর যুবক যত নেয়।গল্প গুজব করে করে হাঁটতে ও থাকেকেহ আবার বিড়ি ধরিয়ে টানে ফাঁকে।শিশু কিশোররা কত দৌড়াদৌড়ি করেকতেক শিশু চলে যেন হাতে হাত ধরে।দৌড়াদৌড়ি করে ও সবার আগে যায়পরিশ্রান্ত হয়ে পরে সামনে তো দাঁড়ায়।কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাজারে…

  • লোকারণ্য

    বহুদিন পরে আমরা মিলিত হইঅনেক লোকের লোকারণ্য রইকত গল্প স্বল্প ও কথাবার্তা কই। বিভিন্ন আত্নীয় স্বজনও ছিলামএকে অন্যে আনন্দ উল্লাস যতএকত্রে সবে ভোগ করে নিলাম। ছোট ও মধ্য বয়সের ছিল যারাহরেক রকমের খেলা ধুলাতে ইফুর্তি আমোদেও মগ্ন রয় তারা। তাদের মধ্যে কেউ তো বসে যায়কতো মনোযোগ দিয়ে সকলে ইখেলা ধুলা দেখে যত শান্তি পায়। বাকী…

  • মন কান্দেরে !

    আমার দাদু ছোট মনিকতোই যে স্নেহের খনি ,সুন্দর সুন্দর কথা কয়আমরা মন দিয়ে শুনি! আদরের ই সোনা মনিখিল খিল করেই হাসে ,ফোঁকলা দাঁত দেখতেসবাই একসংগে মিশে! হাসি দেখে আমরা সবেসীমাহীন সুখ যতো পাই,সোহাগের ছোট্ট নাতনীমোদের সাথে কিন্তু নাই! নিজে নিজে ফোন করেআলাপই ধরে মিষ্টি সুরে ,তার বড় বোনকে ডাকেআনন্দে কথা হয় জুরে! খোদা মেহেরবান কতোআরো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *