শুরগুল

     

পাশের বাড়িরই কলিম
তার বন্ধুর নাম ডালিম।
সর্বদা যে একত্রে চলে
সুখ দুঃখের কথা বলে।
বিকেলেও মাঠে খেলে
অপুকে সে দেয় ফেলে।
অপু তার খেলার সাথী
কখনো হয় হাতাহাতি।
নিমন্ত্রনে ও সকল যায়
কত কিছু সেথায় খায়।
দাওয়াত বিয়েরই ছিল
বন্ধু বান্ধব কতই পেল।
বিয়েতে অসীম শুরগুল
মস্ত বড়ো আর হুলস্থুল।
কেউ যে হাটাহাটি করে
কেউবা সুন্দর গল্প ধরে।
জামাই বাবু বসে আছে
আত্নীয় বসেছেন পাশে।
বিয়ের আসর যা গরম
হৈ হুল্লোড়ের নাই শরম।
মেহমানদের খানা শেষ
শুরু হলো বিদায় রেশ!

Similar Posts

  • সময় নাই !

    কি আর করি ইতি টানতে চাইকোনো প্রকারের লেখা লেখিকরার মতো সময় আমার নাই! অন্তর চায় না আর লিখে থাকিচাইলে আর সব কি হয় কর্তব্যকর্ম এখনো যথেষ্ট রয়েছে বাকি! হেলা ফেলায় বিগত জীবন শেষফল শ্রুতিতে কোন উন্নতি হয়নিতবু্ও যেন দৈর্য্য ধরে আছি বেশ! মাটি আর মানুষের মোহে পড়িসবে মূল্যবান সময় নষ্ট না করিস্রষ্টার কাজে বাকী জীবন…

  • মধুর সমীরণ

    যতন করেও রেখেছো যেখানে এ মনসেখানে আমায় রেখো সারাটি জীবন। সারাক্ষণ তুমি ছাড়া অন্তরে থাকে ভয়মোর বুকের মাঝেতে নিরাপধ আশ্রয়। গাছের ডালে কোকিল বসে গান গায়হৃদয় মোর তার সাথে কত শান্তি পায়। মন মাতানো আজকের মধুর সমীরণেএসো বন্ধু এ লগনে থাকো জুড়ে মনে। সুখের সাথী তুমি যে আমার মনে রাগসুখ দু:খের আরো সমান সমান ভাগ।…

  • এগিয়ে চলো

    জীবনের কিছুতো চিরস্থায়ী নয়আবেগ কিংবা অভিযোগ থেকেশুরু করে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি সকলকিছুর একদিন হয়ে যাবে ক্ষয়। সম্পর্ক হয়না তো গাঢ় সব সময়তা এক রকমের হবে না কখনোআজ যাকে লাগে ভাল কালকেনা লাগতে পারে যা হয় দু:সময়। প্রশংসা করছেন আজকে যিনিএকান্ত অন্তরের আন্তরিক বন্ধুহিসেবে যদিও পরিচিত কখনোসমালোচক হতেও পারেন তিনি। দুঃখ কষ্টে নেইতো ভেঙে পড়ারজগতে চলার পথে বাধা…

  • স্বতন্ত্র অস্তিত্ব

    বিশ শতকের প্রথম পূর্ববঙ্গও আসাম প্রদেশ সহযোগেএক নিত্য নতুন প্রদেশ হলেএ অঞ্চলে হয় যে অন্য একজাতীয়তা বোধ সৃষ্টির সংগ। ১৯০৫ সালেই ‘বঙ্গভঙ্গ’ পানও ১৯১১ সালে ‘বঙ্গভঙ্গ’ রদকরা হলে পূর্ব বঙ্গের মুসল –মানরা তাঁদের স্বতন্ত্র অস্তিত্বনিয়ে যত ভাবনায় পড়ে যান। শুরু করে ১৯৪৭ সালে তারাভারত ভাগ পর্যন্ত আঞ্চলিকএবং ধর্মীয় পরিচিতির মিশনথেকে বাঙালি মুসলমানের ওরাজনৈতিক মনস্তত্ত্ব গড়ে…

  • মহানবী(সঃ)

    যত প্রাণী নিজেদের দুঃখ-কষ্টের কথা,উল্লেখ করতে পারে না তারা যথাতথা।ওরা বাকহীন জীব-জন্তু পশু-পাখি,ঘুরে ফিরে অনেক দূরে ডাকি ডাকি।রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী করিম,মানুষের জন্য তিনিই অসীম রহিম।প্রাণীদের সাথে কিরূপ আচরণ হবে,সে সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল জাহেলী যুগে।পশুর সাথে নির্দয়ে করত যে ব্যবহার,পর্যাপ্তভাবে ওদেরকে দিত না আহার।জীবিত উটের কুঁজ এবং দুম্বার গোস্ত,লোকজনে কেটে খেতেই থাকত ব্যস্ত।নবীজি নির্দয় এ ব্যবহার…

  • ডিজিটাল ব্যবসায়ী !

    দশ বছর আগে কেমিক্যাল দেওয়া হতো না ফলেএখন অসাধু ব্যবসায়ী যত আছে ‘দশে মিলে করিকাজ হারিজিতি নাহি লাজ ‘এমন ভাবে তারা সবজোট বেধেঁ কেমিক্যাল মিশ্রিত করে যাচ্ছে মিলে! এনালগ সিস্টেম ও ডিজিটালে রূপান্তর করেছেএক্ষেত্রে ছোট-বড় জেল জরিমনা -শাস্তির পরওজরিমানার টাকা তাই ‘উসুল’ করার মাত্রা আরোবাড়িয়ে দিয়েতো মুনাফার আধুনিক পথ ধরেছে। দলে দলে যোগ দিচ্ছে আর…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *