অটুট থাকেনি দেহ

অহংকার করোনা ওহে মানব জাতি কেহ
ধরায় অটুট থাকেনি কোন মানুষের দেহ!
গরীব দুঃখী দরিদ্র অনাথ এতিম দীনহীন
সুখী বিত্তবান শক্তিশালী যারাও সীমাহীন।
অনেকের ই শরীর স্বাস্থ্য ছিল কত ভালো
মিলে মিশে জেলে ছিল পৃথিবীতে আলো।
নিরহংকার হয়ে একসংগে বসবাস করো
আল্লাহর রঞ্জুকেও বেশী আঁকড়িয়ে ধরো।
আত্মাভিমান সব কৌতূহলকে হত্যা করে
ফল শ্রুতিতে আবেগ আরোও যায় মরে।
কল্যাণ গুলিকে শত দূষিত করে তোলে
তারা ভালোর পথে যায়নি কখনো ভূলে।
অহংকার মেরে ফেলে কৌতূহল আবেগ
বাড়িয়ে দেয় অনুশোচনা আরোও উদ্বেগ।
মংগলের গুণগুলো কলুষিত করে তোলে
মন মানষিকতা ধ্বংস হয়ে যায় বিফলে।
অজ্ঞতার চেয়েও বিপজ্জনক অহংকার
অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষিতরা নিরহংকার।
জ্ঞান মানুষকে নম্র ও বিনয়ী করে তোলে
অহংকার অশিক্ষিত জাতি গড়ে ফেলে।
অহমিকার একমাত্র জননীতো অভিমান
অধিক হলে থাকে না কোন মান সম্মান ।
গর্ব নিরাপত্তা হীনতারও কঠোর আবরণ
অহমিকায় দিপদে পড়লে হয়না নিবারণ।
অহংকার ডেকে আনে কত যেন বিপর্যয়
প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানেও হয় পরাজয়।

Similar Posts

  • মহানবী(সঃ)

    যত প্রাণী নিজেদের দুঃখ-কষ্টের কথা,উল্লেখ করতে পারে না তারা যথাতথা।ওরা বাকহীন জীব-জন্তু পশু-পাখি,ঘুরে ফিরে অনেক দূরে ডাকি ডাকি।রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী করিম,মানুষের জন্য তিনিই অসীম রহিম।প্রাণীদের সাথে কিরূপ আচরণ হবে,সে সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল জাহেলী যুগে।পশুর সাথে নির্দয়ে করত যে ব্যবহার,পর্যাপ্তভাবে ওদেরকে দিত না আহার।জীবিত উটের কুঁজ এবং দুম্বার গোস্ত,লোকজনে কেটে খেতেই থাকত ব্যস্ত।নবীজি নির্দয় এ ব্যবহার…

  • ধোঁয়াশাচ্ছন্ন

    খোদা পৃথিবীর উপর পাহাড় রেখেছেন যত,সৃষ্টি করেছেন টিলা আরো পর্বত মালা কত।জমিতে ফসলাদির বরকত আমাদের তরে,ভোজনের আর পানীয় কত গাছ বৃক্ষে ধরে।ভূগর্ভে সুষম রূপে খাদ্য অসীম মজুদ রাখা,গাছ গাছালী তরুলতার আছে কতই শাখা।আকাশ মণ্ডল প্রথমেই ছিল ধোঁয়াশাচ্ছন্ন,বর্ষাকাল এবং বৃষ্টির দিনে থাকে মেঘাচ্ছন্ন।সপ্তাকাশ আরো পৃথিবী পুঞ্জীভূত হয়েছিল,আল্লাহ তায়ালা এ দু’টির পরে সূচনা দিল।চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিজ্ঞান ক্লান্ত…

  • অসহনীয়

    লোকের লোকারণ্যে দলাদলি,যে কোন প্রসংগ নিয়ে বলাবলি।দৈবাত হলে কোন গণ্ডগোল,রিপোর্টারের উপস্থিতি হুলস্থুল।লেখকের কর্ম লেখালেখি,অসভ্যদের অস্ত্র গালাগালি।ঝাড়াঝাড়ি ঠেলাঠেলি বাড়াবাড়ি,ফলশ্রুতিতে রুপ নেয় মারদাংগা।উদ্ভূত পরিস্থিতি না হলে ভঞ্জন,অবশেষে হতে পারে গঞ্জনা ।

  • সংবরণ

    ধপ করে জ্বলে উঠে আগুন যেমন।খপ করে হয়ে পড়ে রাগও তেমন। না চাপিলে আগুন বিপদ বড় হয়। রাগ না থামিলে,জ্ঞান বুদ্ধি নাহি রয়। ধীর স্থির সিদ্ধান্ত, কল্যাণকর হয়। রাগান্বিত হয়ে নিলে বিপদযুক্ত হয়। ধৈর্যের ফল ভাল সর্বজনে কয়। উড়নচন্ডি হেঁয়ালিতে জুট ঝামেলা রয়।

  • শ্রেষ্ঠ জীব

    সৎ পথের অনুসন্ধান করোজগতে উত্তম জাতি হিসেবেআল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেনইবাদত বন্দেগী সম্পন্ন করেসুখ ও সাচ্ছন্দের রাস্তা ধরো। সত্যবাদী ন্যায় পরায়ণ যারাপ্রতিনিয়ত মহৎ চিন্তায় চলেকথা বার্তা শালীনতায় বলেকল্যাণ মংগল কর্মের ফলেইহ পরকালে শান্তি হয় তারা! আল্লাহ পাক কত মেহেরবানসকলকে সৃষ্টির উৎকৃষ্ট জীবহিসেবে সৃজন করেছেন বলেতাঁর ও রাসুলের পথে চললেবিপদ আপদে পাব পরিত্রাণ!

  • ঘুমে জড়ো সড়ো

    একেক জন মানুষ ঘুমায় দেখি একেক ধরনকেউ চুপচাপ নিরীহ রয় যার নেই অনুসরণ। জড়ো সড়ো হয়ে কতো লোক আরো ঘুমায়ঘুমের পূর্বেই কেহ আবার বসে বসে ঝিমায়। হাত পা ছুঁড়িয়া এর মধ্যে এপাশ-ওপাশ যায়অস্থির হয়ে কেউ বা মনে তার শান্তি না পায়। তুমুল নাসিকা গর্জনে যেন যুদ্ধের কোলাহলশব্দ করে তোলে মনে হয় লোকের দলাদল। কোন কোন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *