অনুশিলন

  

লোহায় ধরে ঝং
অযত্নে পড়ে থাকলে
উঠে যায় রঙ।

লেখা পড়া শিক্ষার আলো
চর্চা না করলে
হয়ে যায় কালো।

পঠন লিখন জ্ঞান
অনুশিলন না করলে
চলে যায় ধ্যান।

মেহমান আত্নীয় স্বজন
যোগাযোগ না রাখলে
থাকেনা আপন জন।

নামায হজ্জ যাকাত রোজা
যথাযথ আদায় না করলে
বেহেশতে যাওয়া নয় সুজা।

কাজ কর্ম চেষ্টা উন্নতি
মনে প্রাণে না করলে
জীবনে হবে অবনতি।

Similar Posts

  • খেলার সাথী

    আমরা কত উন্নত জাত,যা অনেক আছে জ্ঞাত। পাড়া প্রতিবেশী যারা, খেলার সাথী যে তারা।  অজোপাড়া গাঁয়ে যত ,   তাদের দুঃখ কষ্ট তত।  গরীব দুঃখী অসহায় , কাহারো যে নেই সহায়।  রাজধানীর ও লোক ,   সহ্য করে কত দুঃখ ।অনেক ভ্যানগাড়ি তাতে ,   চালক শুয়েছে যাতে। এই গাড়িগুলোতে দিনে ,নানা রকম দোকান বনে।

  • যতো মুসলমান

    তোমার চলাচলে প্রকাশ হবেযে মুসলিম পরিবারের সন্তানআচার আচরণে তা আরোওতোমাকে প্রকাশ করতে রবে। প্রত্যেকের নামে পরিচয় হয়সে কোন জাতি ধর্মের লোকবিশেষ করেই মুসলমান হলেখুব সহজেই যার প্রমাণ রয়। মুসলমান জাত বংশ রয় যতইসলাম ধর্মের লোক হিসেবেপৃথিবীতে সকল সৃষ্টির সেরাজীব প্রকাশ করে যাও ততো। সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব মোদের তরেযেথা চিরন্তন মহৎ বাণী সবইপ্রকাশ থাকে সেজন্য সকলেউপাসনায় থাক…

  • সর্ব শ্রেষ্ঠ

    সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ জীব কতোঅনাদর অবহেলায় আছেরাস্তা ঘাট আর যথা তথায়জীবন যাপন করছে শতো। অনেক দু:খ কষ্টে সময় যায়খেয়ে না খেয়ে আবার কোনকোন দিন কারো সহানুভূতিপেয়ে যাহা কিছু খেতে পায়। তারা সাহায্যের প্রতিক্ষায় রয়কতো কাকুতি মিনতির পরেইকেহ সহানুভূতি স্বরূপ কখনোকিছু দান করলে যা খুশী হয়। চাওয়ার পরিমাণ অল্পই থাকেহৃদয়বান ব্যক্তিবর্গের সাহায্যসহানুভূতির মাধ্যমে সৃষ্টি কর্তাআল্লাহ তায়ালা বাঁচিয়ে…

  • এত নিষ্ঠুর

    বৎস!সেদিন ছিলে পাশেতখনতো বলেছিলে তুমিদেখা হবে আগামী মাসে! দিনের পর দিন চলে যায়অশান্তি ও হতাশার মধ্যেঅপেক্ষায় তোমারই দায়! তোমার অন্তর যা কঠোরস্নেহ মায়া মহব্বত বলতেকিছু নেই তুমি এত নিষ্ঠুর! কেন এতই অবহেলা করসৃষ্টিকর্তাকে স্মরণে রাখোআল্লার নির্দেশিত পথ ধর! সহায়হীন যা ছিলে যেদিনআল্লাহ ছাড়া শুধু ছিলেনতিনি সহায় সম্বল সেদিন! স্নেহময়ী মা তাঁর যা করুণাঅতুলনীয় আর অদ্বিতীয়কখনোও…

  • তুমি মেহেরবান !

    সকলে চলো ধৈর্য্য ধরেআল্লাহকে স্মরণ করে! খোদার পথে যারা চলেসর্বস্থানেও শান্তি মিলে! অভাব অনটন দূর হয়পরিবারে যা শান্তি রয়! সৃষ্টিকর্তার করুনা কতমুক্তি পায় অসংখ্য যত। আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতিকল্যাণের হবোই সাথী! ইহ পরকালে মুক্তি চাইখোদার কৃপা যেন পাই! তিনি কতো মেহেরবানহাশরে পাইযে পরিত্রাণ!

  • স্নেহময়ী

    জন্মিয়া প্রথম যেদিন শিশু পড়িল মাঠিতে ,দাঁত নাই শক্তি নাই কোন কিছু ই খাইতে ।ভাগ্য গুণে মায়ের বুকে দুধ টুকু ছিল,জীব দিয়ে চুষে তাই জীবন বাঁচাল।স্নেহময়ী মা জননী কি যে অনুরাগী,অবাধ্য হলেও শিশু হয় না বিরাগী।সন্তানের সুখে ব্যস্ত থাকে সারাক্ষণও,দুঃখ কষ্ট কিছুই মনে করে না কখনো।সন্তান ব্যথা পেলে কলিজা মা’র জ্বলে,কতক্ষণে নিবারণ করতে পারে বলে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *