আক্রান্ত
অশান্তি লেগে
যন্ত্রণায় ভোগে।
দু:খ ব্যথা আছে
সুখ শান্তি গেছে।
এক দুর্ঘটনা হয়
শতো কষ্ট সয়।
গাড়ি উল্টে যায়
কত যন্ত্রণা পায়।
কবলিত তার ভাই
সে যে আর নাই।
ভাই মারা গেলে
সব গেলো চলে।
খোদা শান্তি দেন
অশান্তি দূরে নেন।
মনোমুগ্ধকর দুপুর আজ কত স্নিগ্ধজানালার পাশেতে দাড়িয়ে বাইরেরপরিবেশ ভোগ করে হলাম যত মুগ্ধ! বন্ধু হাত দুটিও দিয়েছিলো বাড়িয়েমেঘলা আকাশের দিকে ই তাকিয়েআনন্দঘন মুহূর্ত যায়নি সে ছাড়িয়ে! বৃষ্টির ফোঁটা পড়েছিল তার দু’ হাতেটিপটিপ করেই আমিও এসেছিলামভিজবো বলে ঐ বৃষ্টিতে এক সাথে! যদিও বা স্নিগ্ধ শীতের চাদর হতামআমার স্নেহাস্পদ মানুষটাকেই সবসময় বুকের মধ্যে জড়িয়ে রাখতাম! যদি খা…
কেউ কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে যদিকিংবা জুলুমের পর আল্লাহকে স্মরণ করেনিজের জন্য হঠকারিতার আশ্রয় নাহি নেয়তবে তিনি সীমাহীন মার্জনা করেন নিরবধি! আল্লাহ বলেন পরবর্তী প্রজন্ম অপদার্থ সবতারা নামাজ থেকে দূরে সরে গিয়ে নিজেরখেয়াল খুশি মতো কু – প্রবৃত্তি চক্রে জড়িয়েপড়বে আর বেশী জুরে সুরে করে যাবে রব! ওরা ওদের কু-কর্মের শাস্তির মুখোমুখী হবেএদের মধ্যে…
এ জগতে ব্যস্ত মানুষ যতোযদি সঠিক ভাবে সবে সময়ভালো আর মহৎ কাজকর্মেকাটায় তারা হয় কত উন্নত। ব্যক্তি পরিবার আর সমাজসবার সম্মিলিত ঐকান্তিকপ্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নয়নেরশিখরে এগিয়ে পরায় তাজ। দশের লাঠিটি একের বোঝামিলে মিশে দায়িত্ব ঠিক মতআদায় করে গেলেই অত্যন্তকঠিন কাজটিও হয় সোজা। যাঁরা কর্তব্য নিষ্ঠো সচেষ্ট হয়তাঁদের মাধ্যমে প্রত্যেক দেশগোষ্ঠী জাতি আর সমাজ যাকল্যাণের পথেও চলতে…
চাঁদ বাড়ির পেছনে সকালেই অস্ত যাচ্ছেযেন হাসছে চাঁদ এই চাঁদ অনুপ্রেরণা কতকবির কখনো হাসির কানায় কানায় ভরাজল নয়নের কখনো আলো উছলে পড়েআবার কখনো বা পূর্নিমা রাত ঝলসানোরুটির মতন সবার মনও আনন্দে নাচছে। সুন্দর পেখম ধরেই অনেকটা ময়ূরের মতোআসছে ভালো দিন তাই ভালো সব দিনতোকিন্তু উইক এন্ড দিন একটু বেশি ভালো যাপারো খাও দাও আর ঘুমাও…
গভীর রাত হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙ্গে গেলচোখ বন্ধ রেখে মনে করার চেষ্টা করলামকোন দুঃস্বপ্ন দেখছি কিনা মনে পড়ছেনাচোখ খোলা মাত্রই মনে প্রচন্ড ভয় হলো! চোখ যেমন বন্ধ থাকলে সব অন্ধকার রয়রুমের সব লাইটগুলো বন্ধ থাকায় এমনটাহওয়া স্বাভাবিক তথাপি এই ব্যপারটিকেইস্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া সম্ভবতো নয়! দেয়ালের স্টিকার দেখারতো চেষ্টা করলামযাহা দক্ষিন দেয়ালে লাগানোই রেডিয়ানেরস্টিকার কিছু চোখে…