আমার মা

অনেক দিন প্রতিক্ষার পরে
যেদিন এসেছিলাম এই ভবে
শত কষ্টতে চোখ বুঝে দুখে
অসংখ্য গোলাপের যত হাসি
ফুটেছিল মোর মায়ের মুখে!

স্বার্থক হয়েছিল মায়ের কষ্ট
আমি পৃথিবীতে আসার পরে
প্রথমেতো দেখি তোমার মুখ
যা দেখে আমি পাই সুখ তুমি
আমার জান্নাত আমি কত তুষ্ট!

শুধু ধু ধু করে না থাকলে তুমি
জন্মের পর কেঁদে উঠি আমি
আমার ভাষাই না বুঝেও তুমি
কান্না থামাও করিয়ে দুগ্ধ পান
তুমি তো আমার জানের জান!

সেদিন বুঝেছি কি গুরুত্ব মা’র
আল্লাহ পাকের মেহেরবানীতে
পৃথিবীতে আসা উছিল্লায় যার
সবকিছু দিয়ে আমি করব যত্ন
তুমি আরাম আয়েস ও মহারত্ন!

উল্লাস করেই হাসিতে হাসিতে
গায়ের চামড়া দিয়েও তোমাকে
মালা তৈরী করে দিবো খুশিতে
খোদা রাজি তোমার সন্তোষ্টিতে
তুমি খুশি হলে যাবো বেহেশতে!

Similar Posts

  • বন্যা পীড়িত

    অবিরাম বৃষ্টিরই জলঝরো ঝরো অনবরতযার শব্দ হয় ছলছল। মাঠ ঘাট আরো নদীজলেতে ভরপুর হয়েক্ষতিগ্রস্ত হয় নিরবধি। সবদিকেই শুধু পানিটইটম্বুর যতো বন্যার্তসকলে টানছে গ্লানি। বানবাসিদের যা কষ্টবসতঘরে পানি ঢুকেঅনেক কিছু হয় নষ্ট। গরু ছাগল আর হাঁসবন্যার পানিতে ভেসেমানুষের হয় সর্বনাশ। স্রষ্টা ছাড়া উপায় নাইকায়মনে প্রার্থনা করিযেনো সবে শান্তি পাই!

  • প্রদীপ জ্বলে

    জীবনে যদি কখনো নাহি আসেলে শান্তিনিরাশ হবেনা হয়তো অপেক্ষায় প্রশান্তি।ধৈর্য ধরে অবস্থান থেকে যাও চেষ্টা করেসত্যনিষ্ঠ ভাবে কাজ কর ঠিক পথ ধরে।প্রতি মূহুর্তেরই যথাযথ মূল্য দিয়েছে যতসুখ শান্তি ঐশ্বর্য বিত্তশালী হয়েছে তত।এ পৃথিবীতে ধনী গুণী হয়ে গেছেন যারাসময়ের মূল্য দিয়ে সফল হয়েছেন তারা।অলসভাবে যত বসে থাকেন ইহ জগতেকর্ম বিমুখ অলসরা কষ্ট পাবে দু’ জগতে।সময়নিষ্ঠভাবে সকলের…

  • চীর স্মরণীয়

    শ্রেষ্ঠদের মূল্যায়ন নানা রকমে হয়তাঁদের মধ্যে বহু লোক আছে কতবেশী দিন পর্যন্ত স্মরণীয় হয়ে রয়। মহৎ আর উল্লেখযোগ্য আছে যাঁরাসর্বযোগে সর্বকালে মানুষের মনেরভিতর চিরস্থায়ী স্থান নিয়েছে তারা। জনগণের মন জয় করা কঠিন নয়অন্যের কল্যাণে এবং হিতার্থে সময়মত কাজ করলেই আরো সহজ হয়। আমরা আশরাফুল মাখলুকাত যতআল্লাহ ও রাসুলুল্লাহ (স.) এর পথেকাজ করে পরকালে সুখে রব…

  • পুতুল খেলা

    তাইফা রাইফা দু’টি বোনখেলায় থাকত বেশীক্ষণ।ঘটি বাটি থালা বাসন যতসেগুলো নিয়ে খেলত তত।পুতুলের দিত কানে দোলকেউ নিলে হতো গন্ডগোল।পরাতো তারা সুন্দর শাড়িউভয় হাতে পরাতো চুড়ি।দু’টি বোন গলাগলি করেআনন্দের সীমা নাহি ধরে।পুতুল দু’টি দুজনের হাতেআদর সোহাগ দিত তাতে।ঘুম পাড়াতো নিয়ে কোলেস্নেহ যা করত হেলে দুলে।জন্মদিন উৎসব উদযাপনউল্লাস কত করত জ্ঞাপন।পুতুল ওদের মনে হয় সবতারা করতো অসীম…

  • করেছ ভুল !

    জীবনে হাজার করেছ ভুলঅনেক বার হোঁচট খেয়েছআর মিলেনি কোনোই কুল। ভুলেতে লজ্জার নেই কিছুবারবার ভুল করলে প্রমাণরয় হাল ছেড়ে যায়নি পিছু। হোঁচট খাওয়াই কয়েক বারআরো কতো ভুল শুধরিয়েপ্রবল সাহসও যোগায় যার। জীবনে অনেক বিষয় আছেযেগুলো নিয়ন্ত্রণের একদমবাইরে কতো যে চলে গেছে। মাথা ঘামানোর হয় না মানেকারণ এর বাইরেও হাজারজিনিস আছে সবাই জানে।

  • শান্তির স্থান

    জুম্মার আযান হলছোট বড় যুবক বৃদ্ধমসজিদে সব গেলসেথায় শান্তি পেল। নামায যখনই শেষবাসায় পৌঁছে দেখিনাতনি দুটি দাঁড়িয়েখুশি উল্লাস ও বেশ। আলতা স্নো সুগন্ধিসাজ গুজ অনেকআরো যত প্রসাধনিহাতে তাদের মেন্দি। তারা আমায় বলেশুক্রবার ছুটির দিনআজ বেড়াতে যাবপোষাক পরে চলে। গাড়ীতে সবাই চড়িসকলেই এক সাথেরওয়ানা দিয়ে মোরাপৌঁছে গেলাম বাড়ি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *