আল্লাহর শুকরিয়া

আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য

০৪.১১.২০২২ খৃঃ, রোজ শুক্রবার ; আমার

স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ১০০ টিতে

পৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা

” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম —

” চারিত্র ” । সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া এবং

সকলের দোয়া / সহযোগিতায় এ রকম

একটি লক্ষ্যে উপনীত হতে পারায় আমি

আপনাদের অশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং

আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি ।

———– ” আমিন ” ———–

Similar Posts

  • পরের তরে

    আমরা সকল যত পরের তরেজন কল্যাণে কাজ করে গেলেআত্নতৃপ্তিতে যাবে জীবন ভরে। মন মানষিক যাদের হয় ভালোসর্বদা কাজ করে অন্যের জন্যেজীবনেও জ্বলায় তাঁরা আলো। ইহাতে খোদার রহমত অসীমআমল আখলাক ভালো হলেসুখ শান্তিতে থাকে সীমাহীন। আমরা সকল যে মানব জাতিএকে অন্যের মংগল কামনায়সুখ শান্তি ও দুঃখের হব সাথী। আল্লাহ পাক মহান দয়াময় যিনিতাঁর সৃষ্ট পৃথিবীতে আছে…

  • মুক্তি পেয়েছি !

    কে কি মনে করে ভাবিনি তো আরলেখনীতে যা আসে প্রতিনিয়ত সবএকাধারেই আমি লিখে যাচ্ছি তার। কখনো যদি কেউ গুরুত্ব নাহি দেয়তাতে সামান্য কিছু ই যায় আসেনিযদিচ মোর কবিতাও পড়ে না নেয়। প্রয়োজন মনে করি তো লিখতে যাইএর মধ্যে আমি ফুটিয়ে তুলার শতোচেষ্টা চালিয়ে থাকি বিধায় শান্তি পাই। আমার কবিতা তো ব্যক্তি লক্ষ্য নয়তথাপি কেউ যদি…

  • তুমি মেহেরবান !

    মোর সাথে যেতে হলে তাড়াতাড়ি এসোতুমি বিলম্ব না করে গাড়ীতে উঠে বসো। যথাশীঘ্র সম্ভব মোরা যাত্রা শুরু করলেআগে বাগেও সময় মতো রাস্তা ধরলে। গন্তব্য স্থানে পৌঁছা আরোও সহজ হবেরাস্তার মধ্যে আটকার চিন্তা নাহি রবে। সাথে মোদের হালকা খাবার পানি নেইচালককে গাড়ী ছাড়ার জন্য বলে দেই। সময়ের মূল্যায়ন করে নিয়ম মেনে চলজ্ঞানী গুনি যত যারা উন্নতি…

  • টক মিষ্টি ঝাল 

    খাব খাব করো কেন?    বসে যাও আহারে বিলাব আজব খাওয়া,  ভোজন কয় যাহারে। কত কিছু খাওয়া লেখে   দেশ বাসীর ভাষাতে   আনব সব এক সাথে    থাকলে সে আশাতে।    তরকারি ডাল ভাত        ফল মূল শস্য,    আমিষ ও নিরামিষ      চর্ব্য আর চোষ্য।     সেমাই রুটি  ভাজি,        টক ঝাল মিষ্টি, দোয়েল কোয়েল সারসের     হরেক রকম সৃষ্টি।

  • চেয়ে চেয়ে দেখলাম —

    শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি কতো আরউপস্থিত সকলে তাকিয়ে রই যারপ্লেন উড্ডয়ন করার সময়েই তাররানওয়ের মুহুর্তে কতো যে বাহার! দূর থেকে আমরা হাত ছানি দেইশীঘ্রই উড়োজাহাজ চললো যেইঅপলক দৃষ্টিতে চেয়ে দেখি সেইঅগোচরে চলে গেলো পরক্ষণেই! পরিচিতদের সাথেও সাক্ষাৎ হয়স্বজনের আগমনে প্রতীক্ষায় রয়কত বিদায়ের অপেক্ষার কষ্ট সয়বিদায় বা আগমন সংবাদও কয়! পাশের এক রেস্তোরাঁয় সকল যাইসেথায় বন্ধু…

  • হাতের মুঠোয়

    হাতের মুঠোয় মানুষেরপৃথিবীটা চলে এসেছেদেশে দেশে যে তথ্যেরনিষেধ যত আরোপিতরয়েছে যা নয় দোষের। বহু আগে উন্নয়ন ঘটেউন্নত বিশ্বে সুকৌশলেঅর্জন করে ডিজিটালসক্ষমতাই যার মাধ্যমেসবধরনের সেবা জুটে। কতো শতো বছর পূর্বেস্কান্ডিনেভিয়ান কোনোদেশের যে অবসরপ্রাপ্তএকজন বয়স্কও অক্ষমব্যক্তি বলেছিলেন গর্বে। তিনি তো পেনশন পেতেনসামাজিকভাবে নিরাপত্তাবলয়েরও অধীনে বাড়িতেতাঁকে সপ্তাহান্তে সেবাকর্মীতাজা খাবার দিয়ে যেতেন। ফেলেই দিতেন সেবাকর্মীবাসিগুলি রেফ্রিজারেটরেদুধের বোতল ও ফলমূলরুটি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *