উতাল পাতাল

চলার পথে দেখিলাম গাড়িতে,
বসে আছে ছেলেটি অন্য সারিতে।
তাহাকে দেখিয়া হইলাম উৎসুক,
চেহারায় কিন্তু ছিলনা কুৎসিত ।
মন মানসিকতায় কতইবা ঠিক,
সময়ের তালে গুলে হয়তো বেটিক।
পরিধানে নতুন প্যান্ট ছিল তাহার,
হাঁটু দুইটি ছিড়া ফ্যাশনের বাহার।
আংকুরা জামাটির হইতে পারে বেশ দাম
আমি কহিলাম রে ছেলে! তোমার কি নাম ?
কৌতুহলী মনে বিনয়ী শুরে নাম বলিল তখন
নাম শুনিয়া অবাক হইয়া করিলাম নির্দেশ,
বাছাধন তুমি মুসলিম ! শুন আমার উপদেশ।
মূল্যবান বস্ত্র কিনেছ তুমি দিয়ে অনেক টাকা,
শরিয়ত মতে বৎস তোমার হয়নি ছতর ঢাকা।

Similar Posts

  • স্বার্থ দিয়ে বলি

    ধরায় কত যেন আছেঅনেকে অবস্থান করেসুন্দর ও সাবলীলভাবেবহু যে রসাতলে গেছে। সহজ সরলভাবে চলেসৎ সত্যনিষ্ঠ ও সঠিকপথটি পার হয়ে গেলেমনে যত প্রশান্তি মিলে। আমরা মানুষের তরেঅন্যের হিতার্থে সবাইকাজ করে গেলে সুখশান্তিতে জীবন ভরে। সকলে স্বার্থ দিয়ে বলিপরের কল্যাণের জন্যখোদা পাকের আদেশনির্দেশ মেনে যেন চলি!

  • কলকাকলি

    সাত সকালে জেগেকতো পাখির কলরবশুনতে পাই আগে বাগে। তারাও নিয়ম মানেগাছ থেকে অন্য গাছেচলাফেরা করে গানে গানে। যতো ভিন্ন ভিন্ন সুরসুর লহরীতে গায় গানতাদের কন্ঠ কত যে মধুর। দলবদ্ধ হয়ে চলেশত দূর দূরান্তে যায়সাথীদের পেয়ে তারা মিলে। খানা খাদ্যে ব্যস্তগাছ বৃক্ষ জমি জমায়মানবের দায় রয় ভীত সন্ত্রস্ত!

  • স্নেহের টান

    আজ আরম্ভ করলাম তোমার প্রসঙ্গ দিয়েকতো কি যে লিখতে পারি তোমাকে নিয়ে। অসংখ্য যত থাকবে খোদা তাওফিক দিলেআল্লাহর নামের সকল কিছুতে শান্তি মিলে। লিখনিতে পর্যায়ক্রমে কত শতো সহস্র চলেঅবিরত লিখতেও পারবো মেহেরবানী হলে। যতো ধন্য তোমার জন্যে সর্ব মহলেই জানেকত কিছু ত্যাগ হলো তোমার স্নেহের টানে। ছোট কালের সাথী তুমি জীবনে ছিল বাঁধাতখন চাল চলন…

  • কৌশলে সহজ হয়

    জীবন যেন এক যন্ত্র বিশ্বায়নের এ যুগেকাজ আর চিন্তায় জীবনে যে অস্থিরতানিয়ে মানুষ সারাক্ষণ-ই কীসের পেছনেছুটছে জীবনকে দিন দিন যেনো ব্যস্ততাঅসহনীয় ও কঠিন করে সকলে ভোগে। জীবন কখনও যা উঠছে অসহনীয় হয়েপারিবারিক সামাজিক আর কর্মস্থলেরইপ্রভাবে তবে জীবনের এ ব্যস্ততা ছাড়তেনাহি পারলেও কৌশলে জীবনকে সহজকরে তুলতে হবে একে সহজভাবে নিয়ে। পরিবর্তন আনতে তো কৌশলী হতে হবেসে…

  • কৃষকদের কষ্ট

    কত মাঠ ঘাট জমি জমা খাল বিল পেরিয়েমানুষ ভোরে গরু বাছুর নিয়ে যায় বেরিয়ে।কেউ গরু হাঁকিয়ে ওদের পিছে পিছে চলেঅনেকে লাঙ্গল কাঁধে নিয়ে কত গল্প বলে।কতেক আবার সাবধানে সাথেতে নেয় মঈবেশ কিচ্ছা কাহিনী আরোও বলে যত পই।গরু গুলো চলার পথে এদিক ওদিক যায়ঘাস ধানের চারাগাছ আরো কত কি খায়।লোকজন গরু দেরকে হাঁকে আর তাড়ায়ছড়ি দ্বারা…

  • কে দিল মন্ত্রণা !

    তাকিয়েই আসমানের দিকেবলোতো সে কি আছে সুখেশতো দু:খ কষ্টে কেঁদেই মরিসে যেনো আমার পাশে নায়। বিধাতা আমাকে তুমি বলোকোথায় গেলেই তারে পাবোজ্বালা যন্ত্রনাগুলো আমাকে অন্তরের মধ্যে কত পোড়ায়। ভাবতে ভাবতেই তারে আমি চোখ বুঝে কতো জড়াই ধরিচোখ মেলেই তবে দেখি পরেসে বন্ধুটিই আমার বুকে নায়। অন্তরেতে যতো জ্বালা যন্ত্রণাজল দিলেও তা আর নিভেনাফুঁপে ও জোরে কতোই কাঁদিদূরে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *