উদ্ধার করে

সঠিক বন্ধু জুটানো দায়
যার মাঝে অন্তরের মিল
চলাচলে একাগ্রতা এবং
একে অপরে শান্তি পায়।

আসল মনের মানুষ যাঁরা
বিপদ আপদে যথা সময়ে
দেয় সাড়া অসুখ বিসুখেই
ভাগাভাগি করে নেয় তাঁরা।

ঘনিষ্ট বন্ধুটি রয় যদি পরে
প্রতিনিয়ত সাহায্য আরো
সহানুভূতির উদ্দেশ্যে চলে
কঠিন বিপদে উদ্ধার করে।

সহোযোগীতায় মুক্তি মিলে
সহনশীল মনোভাবে সকল
চলে শত সমস্যা দূরে যাবে
সৃষ্টি কর্তার করুণার ফলে!

Similar Posts

  • পাগলের খেলা

    একদিন দুপুর বেলাদেখি পাগলের খেলা।পাথরে পাথরে ঘষেদৌড়ে লাফায় বসে।কখনো হয় বিভোরপাশে কয়েক কুকুর।পাগলা কি যেন খায়কুকুর ভিড় জমায়।ওদেরকে কত দেয়নিজের মুখেও নেয়।ছিড়া ব্যাগ যত ঝাড়েওরা লেজ তত নাড়ে।কুকুরগুলো এত ভক্ততাদের চোখ ও শিক্ত।লাঠিটি হাতে উঠায়কুকুর লেজ গুটায়।খাবার লয় কুড়িয়েকুকুর দেয় তাড়িয়ে।এভাবেই চলতে রয়ওরা তার তাড়া শয়।সে কাছে নেয় ডেকেআসে যে ওরা হেঁকে।কখনো কুলে তুলেমাথায় হাত…

  • অপার মায়া

    মাগো তুমি করলে মানুষআমার কণ্ঠে দিলি ভাষাতোমার সকল স্বপ্ন রেখেপ্রথম আলোতেই আসা। কান্নায় যত কাঁদতে শিখিআনন্দ উল্লাস করে হাসাযাঁর দয়াতেও অনন্তকালভরে অপার মায়ায় তাসা। সব স্থানেই রঙের ফানুসপিতল তামা যতো কাঁসাতুমি যে মোর অমূল্য ধনকতো সোনার খনি খাসা। আমার সমস্ত জনম ভরেমাগো দিও বাঁচার আশাজীবন ভর মাকে জানাইযত আন্তরিক ভালবাসা।

  • দৈন্যের নিগ্রহ !

    ধনী-গরিবের মাঝে একটা দূরত্ব তৈরি হয়পুঁজিপতিরা নিজের সঞ্চয়ের ভাণ্ডারকেইভারি করতে অধীনস্থদের ওপর অশালীনআচরণ শোষণ-নির্যাতন করতে কখনোইকরে না দ্বিধাবোধ যা সমাজে প্রচলন রয়। সম্পদ আহরণ যে কোনোও প্রকারে চায়একক মালিকানার একচেটিয়া প্রভাবেওপুঞ্জীভূতকরণ পুঁজিবাদীরা কোনো রকমএমন দৃষ্টি ভঙ্গির কারণে রাতারাতি তারাসম্পদের পাহাড় গড়ার যত সুযোগ পায়। সমাজের অন্যান্য মানুষ ফল ভোগ করেমানব গোষ্ঠীর বিশাল অংশকে সমাজেরঅর্থনৈতিক দৈন্য…

  • উন্নতির শিখর

    এ জগতে ব্যস্ত মানুষ যতোযদি সঠিক ভাবে সবে সময়ভালো আর মহৎ কাজকর্মেকাটায় তারা হয় কত উন্নত। ব্যক্তি পরিবার আর সমাজসবার সম্মিলিত ঐকান্তিকপ্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নয়নেরশিখরে এগিয়ে পরায় তাজ। দশের লাঠিটি একের বোঝামিলে মিশে দায়িত্ব ঠিক মতআদায় করে গেলেই অত্যন্তকঠিন কাজটিও হয় সোজা। যাঁরা কর্তব্য নিষ্ঠো সচেষ্ট হয়তাঁদের মাধ্যমে প্রত্যেক দেশগোষ্ঠী জাতি আর সমাজ যাকল্যাণের পথেও চলতে…

  • কষ্ট সফল

    ভূমিষ্টের পর মানব শিশু কত অসহায়,মা বাবা আত্নীয় সজন একমাত্র সহায়।ঘুম পাড়ানো খাবার গোসল মা করায়,কান্নাকাটি করলেই মায়ের ঘাম ঝরায়।কত আরাম আয়েসে থাকতে পারে সে,চিন্তা ফিকির প্রতিনিয়ত করে থাকে যে।দিন মাস বছর পেরিয়ে একটু বড় হয়,হাঁটা চলা দৌড় ঝাপ করতে তখন রয়।মায়ের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকে হোচট নি খায়,পড়ে গিয়ে কখনো কি কোন ব্যথা পায়।সময়ের বিবর্তনে…

  • বিনিদ্র রজনী !

    সবচেয়ে অধিক মহব্বত যারপৃথিবীতে যতো মানুষ রয়েছেঅতিরিক্ত থাকে নিজের মা’র। যদিবা কোন শিশু অসুখ হলেখাওয়া দাওয়া সবই বন্ধ করেবিনিদ্র কতো পেরেশানি চলে। এত আদর সোহাগ করে যায়অধিক সেবা শুশ্রূষাতে শিশুরদু:খ দুর্ভোগ সেরে শান্তি পায়। সব সময় মায়ের দোয়ার ফলেআল্লাহ তায়ালা অসংখ্য দুর্গতিনিবারণ করলেই প্রশান্তি মিলে। তাসবিহ পড়েন নামাজের পরেকাকুতি মিনতি সন্তানের জন্যেযা কান্নাকাটি করেন জুরে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *