এতিম

এতিম আর হতভাগা যারা
অসহায় এবং দুর্ভাগা তারা!

কষ্টের জীবন চলে কতো
দুঃখ ভোগ করে শত শত!

দুর্গতি ও দুর্দশায় যত পড়ে
জীবন যুদ্ধেতো তারা লড়ে!

অনাহারে ও অর্ধাহারে রয়
ক্ষুধার জ্বালা যত তারা সয়!

আনন্দ নেই খেলতে যায়না
বন্ধু বান্ধব ও যথেষ্ট পায়না!

অনাদর অবহেলা অশান্তি
অন্তরে ও থাকেনা প্রশান্তি!

তাদের মালামাল স্পর্শ নিষিদ্ধ
উল্লেখও রয়েছে যার প্রশিদ্ধ!

এতিমদের ধন গ্রাস করে যারা
উদরে অগ্নি ভক্ষণ করে তারা!

সকলে তাদের করলে সহায়তা
পরকাল হবে শান্তি নিরাপত্তা!

অনাথদের প্রতি সুবিচার কর
দয়া পরবশে আল্লার পথ ধর।

Similar Posts

  • ঝটপট গ্রাস করে

    স্রোতে স্রোতে নদীর যত ঢেউহঠাৎ ওঠে জেগে তো ঝাপটেপড়ে কতো ভেজা ভেজা মাটিবালু কাঁকর পাথর সহ আরোসিমেন্টের শক্ত বাঁধেরই ওপরকিছু দিয়ে তাকে বেঁধে কেউ। আটকেতো রেখেছিল সকলেলাফিয়ে লাফিয়ে নেচে নেচেউল্লসিত উচ্চ স্বরে চারিদিকেপাড়ায় পাড়ায় অলি গলিতেঘরে আঙিনায় কামরায় আরবাগিচায় সর্বস্থানে ঢুকে পড়ে। কত ঝটপট গ্রাস করে ফেলেকোনো জিনিসই পায়না ছাড়াতার হাত হতে বাসন কোসনঅলঙ্কার কাপড়…

  • এসো হে বৈশাখ

    পহেলা বৈশাখে বাঙ্গালী উৎসবে মেতে উঠেজাতীয় জীবনের অন্যতম ইহা একটি দিনবাঙ্গালী জাতি দল-মত নির্বিশেষেই অনেকঅনুষ্ঠান করে আনন্দ ও উল্লাস আরো ঘটে। প্রাচীনকাল হতে বৈশাখের চলছে উদযাপনপহেলা বৈশাখ এক সময় গ্রামীণ জীবনেরঅংশ থাকলেও বর্তমানে গ্রাম আরো শহরউভয় স্থানে সমানভাবে পালিত হয় অনুষ্ঠান। গ্রাম কয়েকটি মিলে করা হয় বৈশাখী মেলাপণ্যের দোকান সেথায় হরেক রকম থাকেশিশুদের নাগর দোলা…

  • তোমার করুণাকামী !

    তোমাকে চিনতে করব না যেনো কখনো ভুলকারণ একমাত্র তুমি হলে আমার জীবনের ওপ্রথমে আসা স্নেহো মমতায় ফোটা পদ্ম ফুল! তুমি অন্ধকার ঘরের প্রদীপ শিখার ই আলোআমার কুশল মংগল ও কল্যাণ প্রার্থীই ছাড়াকিভাবে আমার জীবনে আমি থাকব ভালো! চাঁদের মিষ্টি আলো দূর আকাশে কতো দেখিআন্তরিক বন্ধু তুমি তোমায় কতো স্নেহ মায়াদিয়ে ভালো বাসি আলোকে এর সাক্ষী…

  • রে পাষাণ !

    রে পাষাণ তোর কি কোনই দয়া মায়া নেইএতো করে তোকে বলার পর তুই এখনোঅবহেলা করেই যাচ্ছিস আগের মত যেই! দেখো এ পৃথিবীতে কেহই দীর্ঘ স্থায়ীযে নয়অনাদর আর অবহেলা করতে পারিস তুইউদরের সন্তান হয়ে বেখবর ইহা কিরে সয়! ছোট ছিলে যবে আদর দিয়ে রেখেছি বুকেকত কষ্ট উপেক্ষা করে মায়া মমতায় ভূলেযেতাম দুঃখ দুর্দশা যতই চেয়ে তোর…

  • সুখে – দু:খে জীবন !

    বিচরণ করছে যার-তার ভাবেসকাল দুপুর রাতের বেলা কেকোথায় যাতায়াত করে সবারপ্রয়োজন মতো ছুটছে ই সবে। অনেকে যা সুখ সাচ্ছন্দ্য ভরেহাসি খুশী আরো ফুর্তির ফলেঅগোচরেই আনন্দ অশ্রু পড়েউৎফুল্ল উল্লাসের সীমা না ধরে! কাহারো জীবনে কত কষ্ট বয়তারা তো কখনো শান্তিতে নয়অবর্ননীয় দুর্ভোগ কপালে সয়নিপিড়ন জ্বালাতন ভাগ্যে রয়! রাব্বুল আলামীন আল্লা পাকনির্মল আর পবিত্রই তাঁর জাতঅধম পাপিষ্ঠ…

  • শৈশব

    হাঁটি হাঁটি পা পা করে,কোথাও কিছু না ধরে।চলতে শিখেছি আমি,ফেলে যেওনা তুমি।পারবেনা যেতে একা,গেলে হতে পার বোকা।আমি কিন্তু বুঝতে পারি,করবনা মোরা মারামারি।চলবো হাতে ধরাধরি,করতে যাবনা জুরাজুরি।থাকবো করে গলাগলি,উড়াবোনা ধুলোবালি।একত্রে চলবে খাওয়া,থাকবেনা বেশী চাওয়া।মিলেমিশে মোরা পড়ব,সুন্দর জীবন গড়ব । তাপদাহবইতেছে কত প্রখর রোদ,অতিরিক্ত গরমের ক্রোধ।প্রচণ্ড রোদের তীব্রতায়,তাপদাহের অতিষ্টতায়।রাস্তা – ঘাট মাঠ পথ প্রান্তর,খা খা রোদে হয়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *