কতো কষ্টের জীবন !
দরিদ্র এক ছেলে হাতিরঝিলে নেয় ঠাঁই
মন চাইলে পানির বোতল যত চটপটির
দোকান থেকে নিয়ে ফেরি করে বিক্রির
টাকা দিয়ে খাবার কিনে খায় আরো সে
বলে এখানেতো অবারিত স্বাধীনতা পাই!
মন না চাইলে কৃষ্ণচূড়ার নিচে শুয়ে বসে
ঘুমিয়ে বা আড্ডায়ও সময় কাটিয়ে দেয়
স্কুল আর পড়ালেখা টাকার জন্য কোনো
দোকানে নিয়মিত কাজ করা একদম সহ্য
করতে পারে না অধিকন্তু ভাগ্যকে দোষে!
তার পড়াশোনা প্রসঙ্গে জানতে ইচ্ছে হয়
যদি তোমাকে স্কুলে ভর্তি করে দেয় কেউ
তুমি কি যাবে এ প্রশ্নে চরম বিরক্ত হয়েই
জবাব আমার কোনো জায়গায় যাওনের
দরকার নাই পড়াশোনা ভাল্লাগে না কয়!
আরো জানায় সে এই খানে ভালো আছে
যে বয়সে বিদ্যালয়ের বন্ধু বান্ধব একত্রে
মিলে মিশে আরো হইহুল্লোড় করে সময়
পার করার কথা তখন ছেলেটিই নিস্তেজ
কোন কিছুতে আগ্রহ নেই সব চলে গেছে!
ছেলেটিরই আগ্রহ আসেনি লেখা পড়ায়
অনিয়ন্ত্রিত জীবন ও সংগঠিত পরিবারে
না থাকায় এ ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে
তার মধ্যে পরিবারের নিয়ম-শৃঙ্খলা নেই
ফলে অবারিত স্বাধীনতায় জীবন ছড়ায়!
অন্যদের মতো ভিক্ষা করে না পাইলে খায়
না হইলে নায় ভ্রাম্যমাণ দোকানি বললেন
কয়েক মাস ধরে এখানে ছেলেটিকে দেখা
যাচ্ছে দোকানের কাজ দিতে চাই কিন্তু ও
করতে চায় না আলসেমি করে সময় যায়!
সুবিধাবঞ্চিত বা পথশিশুরও দেখা মেলে
আলসেমিতে ঘুমায় আড্ডাও দেয় খাবার
দাবার ঠিকমতো পায় না যে কোনো সময়
অনেক শিশুকে পথচারীদের কাছে টাকা
চায় এ ভাবেতে তাদের দিন রজনী চলে!