কতো স্নেহ !

আমি যে তোমাকে কতো স্নেহ করি
তাইতো সুখে ও দু:খে একে অন্যকে
সমানভাবে ভাগাভাগির সুযোগ ধরি।

সারাটি জীবনভর রাখব সাথী করে
চেষ্টায় আছি সম্পর্ক গভীর রাখতে
একত্রে থাকতে পারবো জীবন ভরে।

আমাদের থাকবে ছোট্ট খেলার মাঠ
যেখানে বন্ধু বান্ধব তুমি আর আমি
একত্রে খেলা শেষে যাব পুকুর ঘাট।

সেথা হাত পা ও মুখ ধৌত করে সবে
কর মর্দন আরো বিদায়ী শুভেচ্ছাসহ
বাড়ির দিকেতে রওয়ানা দিবো তবে।

অবশেষে কেবলমাত্র তোমাকে নিয়ে
পায়ে হেঁটে গল্প গুজব করেই উভয়ে
কিছু সময় পর বাড়িতে পৌছব গিয়ে।

পরিশেষে একটু বিশ্রাম নিবো মোরা
নাস্তা করে পড়ার টেবিলে মনোযোগ
দিলে পড়া ও লেখা হয়ে যাবে সারা !

Similar Posts

  • উপহাস

    মানুষ ভালোবাসে না থাকতে একাতার দুঃখ গুলো যখন কেউ বুঝতেচায় না সে মানুষটি বাধ্য হয়ে তখননিজেকে সবার কাছে দেয়না দেখা। অন্যের কাছেও প্রকাশ করতে নেইনিজের দুঃখ সবে সমবেদনার সুরেমজা নেবে সুযোগ পেলে ই উপহাসকরে সময় মতো আঘাত দিবে সেই। জল যেমনই একদা বরফ হয়ে যায়অনেক ঠান্ডা হতে হতে ঠিক তেমনিএকটা মন অনেক কষ্ট পেতে পেতেপরে…

  • দোয়া চাই !

    মা যতনে করলেন মানুষতিনি কণ্ঠে দিলেন ভাষাদু’ চোখেতেও স্বপ্ন রেখেপ্রথম দিনে আলো আসা! মায়ের কাছে কাঁদতে শিখিউল্লাস আর আনন্দে হাসাতোমার আঁচলে অনন্তকালঅসীম অপার স্নেহের ঠাসা! সবার কাছে রঙের ফানুসপিতল-তামা আরো কাঁসাআমার মা তুমি অমূল্য ধনমুক্তা ও সোনার খনি খাসা! এক দিন নয় জনম জনমমাগো দিবেন বাঁচার আশাএই প্রতীক্ষার দিনেতে তাইআম্মুকে জানাই ভালবাসা! আমাকে দশ মাস…

  • প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়

    পরিবেশ বিপর্যয় সহ নানা কারণে সৃষ্টি হয়সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবেই তীরবর্তীদেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দৃষ্টান্ত যত রয়। পৃথিবীতে প্রতি বছর সৃষ্টি হয় যত ঘূর্ণিঝড়গড়ে আশিটি এগুলোর বেশিরভাগ সমুদ্রেইবিলীন হয় আরো ধ্বংস হয় কত বাড়ি ঘর। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হানেসেগুলোই ক্ষতির বেশ কারণ হয়ে দাঁড়ায়সমুদ্র তীরবর্তী দেশ ও যায় ক্ষতির পানে। অঞ্চল ভেদে ভিন্ন ভিন্ন নামে…

  • বিয়ে বাড়ি 

    হৈ চৈ কাণ্ড  রৈ রৈ শব্দ খুশিতে সব অজস্র রব শিশু কিশোর  যুবক দোসর। মেয়ে কন্যা  খুশির বন্যা  হাসি কান্না কতকি রান্না উল্লাস আনন্দ  আরো মহানন্দ।

  • দাম্ভিকতা নেই

    পথবাসী বাবা মায়ের চিন্তা কতোমাথা গোঁজার নিরাপদ আবাসেরজন্য তারা কষ্ট করে যাচ্ছে যতো। কত সচেতন ছেলে মেয়েদের জন্যতাদের কিভাবে ই নিরাপত্তা প্রদানকরা যায় সে চিন্তায় ঘুরে হয়ে হন্য। শিশুদের তো কোন দাম্ভিকতা নেইছোট ছোট শিশুদের কেউ যে বলেরাস্তায় থাকতেই ভালো লাগে যেই। যারা যে একটু বুঝতে শিখেছে যবেতারা বলছে খোলা আকাশের নিচেঅনিশ্চিত জীবন ওরা চায়…

  • অসীম খুশী

    লোকজন প্রস্তুতি নিয়ে বাজারে যায়আশ পাশের কত প্রতিবেশী সাথী পায়।কয়েক জন একত্রে হেঁটে রওয়ানা দেয়কেউ বা শিশু কিশোর যুবক যত নেয়।গল্প গুজব করে করে হাঁটতে ও থাকেকেহ আবার বিড়ি ধরিয়ে টানে ফাঁকে।শিশু কিশোররা কত দৌড়াদৌড়ি করেকতেক শিশু চলে যেন হাতে হাত ধরে।দৌড়াদৌড়ি করে ও সবার আগে যায়পরিশ্রান্ত হয়ে পরে সামনে তো দাঁড়ায়।কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাজারে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *