কষ্টের ভাগ !

রাতের আকাশে দেখা যায় লক্ষ তারার মেলা
চাঁদকে যা ঘিরে যেনো তারাদের যতো খেলা।

অসংখ্য ঘনিষ্ঠ বন্ধু পাবো যদিচো বাড়াই হাত
তুমি আমার কাছে যেনো বন্ধু আকাশের চাঁদ।

সকালে তোমার আগমন শিশির কণার মতো
আবার এসো সন্ধ্যার সময় রক্ত জবাও যতো।

রাতের আকাশে জ্বালাও তুমি জোনাকি হয়ে
সারা জীবন চলে যাবে তুমি বন্ধুর মতো রয়ে।

সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত সুর্যের তো বন্ধুত্ব হয়
সন্ধা হতে ও সকাল অবোধি চাঁদের বন্ধুত্ব রয়।

তুমি কিন্তু একা হলে বন্ধু আমাকে দিবে ডাক
গল্প করব তোমার সাথে আমি বসে সারা রাত।

কখনো কষ্ট পাও যদি আমাকে দিও তুমি ভাগ
শেয়ার করো তোমার যন্ত্রণা হাতে রেখেই হাত।

Similar Posts

  • জগৎ অনেকের রঙ্গশালা !

    পৃথিবীর কতো মানুষের কষ্ট চোখ দিয়ে ঝরেঅনেকের ব্যথা মেজাজ দিয়েও প্রকাশ করেআর যাদের দু:খ হৃদয়ের মাঝে শুকিয়ে মরেচেপে রাখতে না পারলে কাঁদে জোরে সোরে! কাহারো বেদনা আছে যা তাকে তুকিয়ে মারেদুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে যে পারেআনন্দ পুরোটা উপভোগ করাতেই চায় যারেঅবশ্য কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হয় তারে! কতো বন্ধু ছাড়া থাকার কোনো সাধ্য…

  • প্রাক্তন ঈদ

    প্রতি বছর ঘুরে ঈদ আসেদল মত নির্বিশেষে সবারইঅন্তরেতে ঈদের অনাবিলআমোদে পরষ্পরে সকলেকোলাকুলির শেষে মিশে। প্রাক্তন রীতি রেওয়াজ মতঈদের আগমনী বার্তা যখনশুরু হত গ্রাম্য শিশুরা জমিথেকেও নাড়া কুড়িয়ে নিয়েগোসল করে অগ্নি পোহাত। একত্রে গোসল করার জন্যছোটো ছোট ছেলে মেয়েরাভোর থেকে প্রাণের খুশিতেআনন্দ উল্লাসে সবাই মিলেঝুলে নিজেদের ভাবত ধন্য। পুকুরে নেমে ডুব ঝাপ দেয়পৌষ কিংবা মাঘের প্রচণ্ডোঠান্ডায়…

  • স্রষ্টাকে স্মরি!

    অনেক স্নেহের বন্ধু তুমিমায়া মহব্বত করি আমি। শুনো আমার মনের কথাবুক ভরা আছে যত ব্যথা। তোমার ব্যথায় কষ্ট পাইঅশান্তির দায় মুক্তি চাই। মোরা স্রষ্টার ভরসা করিদিন রজনী তাঁকে স্মরি! আল্লাহ ছাড়া উপায় নাইতাঁর অনুগ্রহে শান্তি পাই! দুর্ভোগ দুর্গতি দূরে নেনকষ্ট সহিবার শক্তি দেন! সৃষ্টি কর্তা কত দয়াবানদান করেন যত কল্যাণ! উপাসনাতে শক্তি দিলেঅন্তরে বেশ শান্তি…

  • মন কান্দেরে !

    আমার দাদু ছোট মনিকতোই যে স্নেহের খনি ,সুন্দর সুন্দর কথা কয়আমরা মন দিয়ে শুনি! আদরের ই সোনা মনিখিল খিল করেই হাসে ,ফোঁকলা দাঁত দেখতেসবাই একসংগে মিশে! হাসি দেখে আমরা সবেসীমাহীন সুখ যতো পাই,সোহাগের ছোট্ট নাতনীমোদের সাথে কিন্তু নাই! নিজে নিজে ফোন করেআলাপই ধরে মিষ্টি সুরে ,তার বড় বোনকে ডাকেআনন্দে কথা হয় জুরে! খোদা মেহেরবান কতোআরো…

  • শান্তির স্থান

    জুম্মার আযান হলছোট বড় যুবক বৃদ্ধমসজিদে সব গেলসেথায় শান্তি পেল। নামায যখনই শেষবাসায় পৌঁছে দেখিনাতনি দুটি দাঁড়িয়েখুশি উল্লাস ও বেশ। আলতা স্নো সুগন্ধিসাজ গুজ অনেকআরো যত প্রসাধনিহাতে তাদের মেন্দি। তারা আমায় বলেশুক্রবার ছুটির দিনআজ বেড়াতে যাবপোষাক পরে চলে। গাড়ীতে সবাই চড়িসকলেই এক সাথেরওয়ানা দিয়ে মোরাপৌঁছে গেলাম বাড়ি।

  • শ্রমিক – মজুর

    শ্রমিক – মজুর অগনিত লোকরয়েছে তাদের কষ্ট আরো দুঃখ।যেদিকে তাকায় শুধু দেখে নায়ধান্দায় থাকে কোথায় কি পায়।অভাব অনটনে করে হায় হায়দুর্গতি দূর্দশায় পড়ে দিন যায়।প্রতীক্ষারত থাকে কাজে যাবপরিশ্রমের টাকাও যেথায় পাব।বাজার সদায় যত কিনে নিবপরিবার পরিজন নিয়েই খাব।ধনী বিত্তবানগণ সাহায্য দিবেদুর্ভোগ ভোগান্তি দূর যত হবে।সামান্য হলেও সুখ শান্তি সবেক্ষনিকের তরেও ভোগেই রবে।অভাবের মাত্রা দূরে যায়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *