ক্ষুধায় কাতর !

অনাথ হতভাগা একটি ছেলে
জন্মের ছয় মাস আগেই তার
বাবা আর পাঁচ বছরের শেষে
মা পৃথিবী থেকে বিদায় নিলে
আত্নীয়ের বাড়ীতে স্থান মিলে!

অভাবে তাঁদেরও যত কষ্ট হত
ছেলেটি সকাল হলেই পাশের
এক মাঠে ছাগল চরাতে যেত
বিকেলে বাড়ীতে ফিরার পরে
হাত ও মুখ ধোয়ে সেরে নিতো!

চিন্তার জগতে হারিয়ে যেতো
কখনো ফুলের দ্রুত – বৃদ্ধি ও
প্রজাপতির ডানা -মেলা এসব
ভাবতে অবশেষে সারা দিনের
ক্লান্তি ও ক্ষুধায় শরীর কাঁপত!

আত্নীয়ের ছেলেও ফিরে যেতো
উভয়ে ঐ জীর্ণ কুটিরে একত্রে
উপস্থিত হলে শেষে ইচ্ছে মতো
পেট ভরে মিলেমিশে স্বাভাবিক
গোগ্রাসেও ভুট্টার রুটি গিলতো!

রুটির সঙ্গে একটু শুকনো ফল
শেষে খড়কুটোরের বিছানাপত্র।
প্রস্তুত করার পূর্বে ফলের সাথে
কখনো তেল সির্‌কায় ডোবানো
তরকারী খেয়ে পান করত জল!

Similar Posts

  • অভিসার

    আজব দেশ বাংলাদেশ,অনুসরণ সবচেয়ে বেশ।অনুকরণ কতই না আছে,সেদিক দিয়ে নেইতো পাছে।প্যান্টের হাঁটু দু’টি ছিড়া পরে,ঘোরে তারা গর্ব ভরে।হাফ প্যান্ট পরে ঘুরছে অনেক,শরিয়তের নেই কোন তিলেক।চাল চলন মডার্ণ বেশের,তারা কিন্তু মুসলিম দেশের।নেইযে তাদের ইসলামী মাইন্ড,করতো যদি কর্তৃপক্ষ ফাইন।

  • দ্রুব সত্য !

    সবার ভিতরের তিনি কর্তাসকলের মাঝে থাকা সত্তা! তিনি প্রতিনিয়ত যেন নিত্যএসব সর্বজন বিধিত সত্য কেবলমাত্র তিনি ই এককদ্রুব সত্য আরো অদ্বিতীয়! তিনি আমাদের হলেন কেএত গুনাবলী বৈশিষ্টের যে! তাঁর কতটুকু যেনো জানিবিশ্বনিয়ন্তা হিসেবেই মানি! তিনিই আল্লাহ মেহেরবানসকলে গাই তাঁর গুনগান! যাঁর অসীম করুণার ফলেইহ পরকালে শান্তি মিলে!

  • সোনালি যুগ

    মহানবী (সা.) তাশরীফ আনেন যখনআরবি কাব্য-সাহিত্যের সোনালি যুগইহ জগতে তখন বিশ্ব বিখ্যাত কবিরাপ্রতিযোগিতার ময়দানে অবতীর্ণ হতআরবের প্রখ্যাত‘ওকাজ’মেলায় যারকবিতা শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হত তাঁকেসেরা উপাধিতে ভূষিত করতেন তখন । বাই তুল্লাহর সাথে ঝুলিয়ে রাখাও হতোকবিতাকে সোনালি রঙের কালি দিয়েইকাপড়ের উপর লিখে দুনিয়ার সবচেয়েমর্যাদাবান স্থান ‘মুয়াল্লাকাত’ যাকে বলাহত ঝুলন্ত কবিতা বিশ্বসাহিত্যে আজও” সাবয়ে মুয়াল্লাকাত “বা ‘ঝুলন্ত কবিতাসপ্তক…

  • অস্বস্তি

    পূর্ণতা জীবনে খুঁজে না পেলেখুব কষ্টের হয় হাসিখুশি থাকাএ বাস্তবতা মেনে নিতে সবারঅন্তর সম্পূর্ণ খারাপ হয় ফলে। সকলের ব্যতিক্রম চিন্তা শক্তিতাই প্রত্যেক ব্যক্তি পৃথকভাবেপ্রকাশ করে থাকে মন খারাপেঅনুভূতির মধ্যেই কষ্টের উক্তি। অন্যের কাছ হতে আড়াল করেনেয় কখনো মন খারাপের জন্যতাইতো দুশ্চিন্তাতে হৃদ মন্দিরেঅশান্তি অস্বস্তি লেগে যায় পরে। বসতে চায়না মন কোনো কাজেকারো সাথে সহজে কোন…

  • সুখের মেলা

    তোমার সখারও আসবেযেদিন এমোনি কারা-বন্ধআমার মতন কেঁদে কেঁদেহয়তো তুমিও হবেই অন্ধ দীর্ঘ বেলা কাটবে না আরবান্ধব তোমার হানবে হেলাবইতে প্রাণের শান- এ ভারভাঙবে তোর সুখের মেলা। মোর বন্ধুর জন্যে সব চেয়েবেশ যত কিছু করতে পারিতা শুধু বন্ধু হয়ে থাকা আরতাকে দেয়ার সুযোগও ধরি। সে যদি জানে যেনো আমিসুখী মহব্বত করেও তাকেবিনিময়ে কোনো পুরস্কারইচাইবে নাতো বন্ধু…

  • ফাল্গুনি

    বসন্তের বাতাস মনোমুগ্ধকর হয়ে জুড়ায় সবার প্রাণঝরে পড়ছে গাছ থেকে পুরাতন যতোনা ধূসর পাতাআর বদল করে তার জায়গা সবুজ কিশলয়ের ঘ্রাণ আগমনেআচানক কোথাও উঠছে কোকিল ডেকেরঙ-বেরঙের ফুলে আর ফলে বাগান গুলো ভরে দীর্ঘশীতের কুয়াশা মোড়ানো প্রান্তর পাড়ি দিয়েছে ফাঁকে। অবশেষে আমাদের দোরগোড়ায় এসে গেছে ফাল্গুনএসেছে ঋতুরাজ বসন্ত গাছ গাছালীরও ঝরে পড়াশুকনো পাতা কুড়িয়ে শিশুদের দল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *