জীবে দয়া

           

রাসুল (সাঃ)বললেন শুন হে মানুষ!
সাওয়ারের জন্য যে জন্তুকে করছ
ব্যবহার সেসব জন্তুর উপর জ্বিন
বা লাগাম বেঁধে তাকে কষ্ট না দিয়ে
তোমরা দয়া দেখানোর জন্য কর হুশ।

নবীজী(সঃ) যাচ্ছিলেন উটের পাশ
দিয়ে করলেন লক্ষ্য প্রচুর ক্ষুধার
তাড়নায় উটের পিঠ পেটের সাথে!
গেছে মিশে এ দৃশ্য দেখে বললেন
খাদ্যের জন্যই সে হয়ে যাচ্ছে লাশ।

বাকশক্তি হীন সকল পশুদের পক্ষে!
বললেন নবীজি সকলে খোদাকে
কর ভয় যখন সুস্থ সক্ষম হয় তখন
এদের আরোহণ ও ক্লান্ত হলে মুক্তি
দাও এ হলো বানী তোদের লক্ষ্যে।

এক আনসারির বাগানে উট দাঁড়িয়ে
রাসুল(সাঃ) কে দেখে কেঁদে ফেলল!
পরে তার কান্না তো করল বন্ধ উটের
যখন তিনি কাঁধ ও মাথার পেছনের
অংশতে দিলেন বুলিয়ে হাত বাড়িয়ে।

খোদার প্রিয় রাসুল (সঃ) করুণার ছবি
জীব-জন্তুকে কষ্ট না দিতে বারণ করে
বলেছেন জীব-জন্তু ও পশু-পাখিদের
অন্যায় ভাবে অযথা হত্যা করা যাবেনা
দয়া করার গুরুত্বই দিলেন দিনের নবী।

Similar Posts

  • সহযাত্রা

    চল, চল, চলরে তোরা ,একসাথে যাইরে মোরা।এখন নাইরে কোন বৃষ্টি ,পথ চারীরা দিল দৃ্ষ্টি।হাঁসগুলো দিঘির জলে ,সাঁতার কাটছে মনের বলে।রাস্তায় চলছে ঘোড়ার গাড়ি ,জন-মানব দিচ্ছে পাড়ি।হাট বাজার করছে যারা ,কোলাহলে পড়ছে তারা।দলে দলে গল্প জোটের ,বিকি দিচ্ছে বাদাম বুটের।সায়াহ্নে সব ফিরছে বাড়ি ,কেউ বা যাচ্ছে দিয়ে গাড়ি।রঙ্গ বেরঙ্গের সবকিছু ই ,ভোগ করেছি মোরা।প্রার্থনা ও নৈশভোজ…

  • শান্তি সারাবেলা !

    যে কোন মুহুর্তে দেখা হবে তোমার সাথেতার পর জীবনভর থাকব তোমার পাশে দীর্ঘদিন প্রতিক্ষার পরেই পরিশেষে দেখাআমাদের সাক্ষাতের ভাগ্যে ছিলো লেখা। কুশল বিনিময়ের পরে উভয় বের হলামকিছুক্ষণ পর রাস্তায় আরো বন্ধু পেলাম। সবে মিলে গল্প করে এক রেস্তোরাঁয় যাইসেথায় কতো পরিচিত কয়েক জন পাই। দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা নাস্তা করিনাস্তা পানীয় সারার পরে বের হয়ে…

  • আকাঙ্খা

    জীবন অল্প দুশ্চিন্তা দিবেযদিচ এর থেকে প্রত্যাশাকম করতে পারো তাহলেদু:খ কষ্ট শতো দূরে নিবে। প্রত্যাশা করার চেয়ে ভালকোনো কিছু ঘটার জন্যেচমৎকৃত হয়ে যাওয়া এতেদুঃখ গিয়ে জ্বলবে আলো। ভরসা পুরোদমে কমে যায়যখন জনৈক একুশ বছরেউপনীত হলো তারপর হতেসবই কিন্তু উপরিলাভ পায়। প্রত্যয় প্রাপ্তির পার্থক্য দুঃখএজন্যেই নিজের আকাঙ্খাএকটু কমিয়ে নিলে দেখবেনদুঃখ চলে গিয়ে আসবে সুখ।

  • গ্রামীণ

    আরম্ভ আর শেষ নেই কোনোশেষ নেই দস্যুতারভোরের বেলায় শূন্যে উঠেছেএক গ্রামের কুঠার।  ত্রিসীমায় কোনো সঞ্চার কেউথাকবে না কোনোভাবেআছে যেখানেই যত সবুজ রক্তসকল কিন্তু শুষে খাবে। উজাড় করে দিয়ে যাবে সববট বৃক্ষ শিমুল শালযাকে বল আজ বনভূমি তাকেজনভূমি বলো কাল। দশ দিগন্ত নান্দী মুখর হারিয়েফেলেই রয়েছে খেইএই জীবনে কোথাও মনে হয়কোনো প্রতিরোধ নেই। কোথা থেকে সেই…

  • যতো গন্ডগোল ! চলে কতো আবুল তবুলসৃষ্টি করে যতো গন্ডগোল পরিবেশ যা ঘোলাটে হয়শত অসন্তোষ লেগে রয়। দোষীও মাত্র কয়েক জনভোগে কতোও লোকজন। তারা সকল দেশের শত্রুকখনো তো হবে না মিত্র। ওদের দ্বারা কলুষিত দেশপলায়ন করে যায় বিদেশ। বিদেশেতে যদি তারা যায়সুখ শান্তি আর নাহি পায়। আল্লার রাস্তার যারা চলেজীবনে কতো শান্তি মিলে! তিনি অসংখ্য…

  • এক ঢিলে দুই পাখি

    কতো গান মুহূর্তেই ধুলোয় লুটিয়ে পড়েচতুর্দিকেতে এতো জম্পেশ খেলাধুলোয়এসবের মধ্যেতেও বয়ে যেতে হবে বলেতুলো কানে আরো বেঁধেছে পিঠে কুলো। তোমার যতো চিন্তা অপমান ছুঁড়ে যাবেকতো কথা বলেই সুখ পাবে ভেবেছিলেচক্ষু দৃষ্টির যত আড়ালে অশ্বত্থের ডালেমরে যাবে ভেবেছ দু’টি পাখি এক ঢিলে। তুমি মেরেছও বটে তবে যা তোমার নয়পাখি তো তোমার লুকানো নৌকোজলেসকলেই জানি লুকোনো যা-কিছু…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *