জীর্ণ বস্ত্র !

চলার পথে দূর থেকে দেখি রাস্তার ধারে
এক লোক জড়ো সড়ো হয়ে পড়ে আছে
কৌতুহল বসত তার পাশে গিয়ে দেখতে
পাই পরনে ছেড়া কাপড় সম্পুর্ণ নিস্তেজ
হয়ে গেছে আস্তে করে ডাক দিলে তখন
উঠেনি পুনরায় ডাকলে পরে হাত নাড়ে!

প্রথম দেখে বুঝতে মোর একটু দেরি হয়
অবস্থা দেখে বুঝতে পারিনি এখনো কি
সে বেঁচে আছে নাতো শেষ নিশ্বাস ত্যাগ
করে এ নশ্বর পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়ে
পরোপারে চলে গেছে কতো অবহেলায়
প্রায় নিস্তেজ দেহ খানি সেথায় পড়ে রয়!

ছেলেটি মোর ডাক শুনে যবে জেগে উঠে
দারুণ অসহায় নিরাশ্রয়দের মত অপলক
দৃষ্টিতে থাকিয়ে থাকে তার চাহনিতে কত
ব্যথা বেদনার জ্বালা যন্ত্রণা লুকিয়ে আছে
আমাকে পেয়ে মনে হল যেন এক আশার
আলো জেগে ওর মনের যন্ত্রণা যায় মিটে!

সে কতো যে অসহায় শত নিরাশ্রয় ছেলে
কনকনে শীতে শরীর ঢাকার পর্যাপ্ত জামা
কাপড় ছাড়া গভীর নিদ্রায় ছিলো ব্যাঘাত
সৃষ্টির জন্যে ক্ষমা চেয়ে সাধ্যানুযায়ী হাতে
দিয়ে বলি যা পাও খেয়ে নিও আরোও ওর
মত কতো পড়ে রয় পথে ঘাটে দেখা মিলে!

Similar Posts

  • মোমবাতি

    খোদা তায়ালা তুমি খালিক যত কিছু আছে বিরাজমানআকাশ পাতাল সহ মালিক।  আমরা সবই তোমার বান্দা সুযোগে যারা যেভাবে পারেসকলেই সর্বদা করছে ধান্দা।    কত আচানক স্রষ্টার লীলাতাঁর চেয়ে বড় বিচিত্র ধারায় আল্লাহর সৃষ্টি জগতের খেলা। স্নেহের মানুষের স্মৃতিতে যারা  মৃত মানুষকে মোম জ্বালিয়ে  মনানন্দে স্মরণ করছে তারা। কখনো বা মোম নিভিয়ে কতজীবিত মানুষের ও জম্মদিনপালন করে যেন যাচ্ছে শত।

  • রজনী শেষে

    রজনী শেষ হলে মানুষ ছুটে যায়আবশ্যকের তাগিদে কে কোথায়চলা ফেরা করে এ খবর না পায়। প্রয়োজন কখনো আইন মানে নাসার্থ সিদ্ধির লক্ষ্যে দিন আর রাতমানুষের চলার গতিবেগ থামে না। কেহ আরো কর্তব্য কর্মে থাকে নিষ্ঠজীবনে উন্নতি লাভ করার তাগিদেতার উপর ন্যস্ত দায়িত্বে রয় সচেষ্ট। নিয়মানুবর্তিতা কর্তব্য পরায়ণ যতঐশ্বর্য বিত্ত বৈভব চিরস্থায়ী লাভেরউদ্দেশ্যে কাজ কর্মে লিপ্ত…

  • জীবন বাজি

    রাত পোহালে ছুটে চলে যায়অনেকে কতো মাট ঘাট নদীনালা খাল বিল পাহাড় পর্বতঅতিক্রম করে যার তার রুচিঅনুযায়ী পোশাক পরে গায়। কার গন্তব্যস্থান কোথায় রয়অন্যরা অনেকে তা জানেনাসেথা পৌছিতে যত সীমাহীনদু:খ কষ্ট দুর্ভোগ দুর্গতি আরকতো মাথার ঘাম ছুটেই বয়। প্রত্যেকের যেন উদ্দেশ্য থাকেকেহ প্রমোদ ভ্রমণে দল বেঁধেছুটে চলে যায় আরো অনেকেকর্তব্য কাজে যোগ দিলে পরেশতো কষ্টে…

  • জগৎ অনেকের রঙ্গশালা !

    পৃথিবীর কতো মানুষের কষ্ট চোখ দিয়ে ঝরেঅনেকের ব্যথা মেজাজ দিয়েও প্রকাশ করেআর যাদের দু:খ হৃদয়ের মাঝে শুকিয়ে মরেচেপে রাখতে না পারলে কাঁদে জোরে সোরে! কাহারো বেদনা আছে যা তাকে তুকিয়ে মারেদুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে যে পারেআনন্দ পুরোটা উপভোগ করাতেই চায় যারেঅবশ্য কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হয় তারে! কতো বন্ধু ছাড়া থাকার কোনো সাধ্য…

  • স্বার্থ দিয়ে বলি

    ধরায় কত যেন আছেঅনেকে অবস্থান করেসুন্দর ও সাবলীলভাবেবহু যে রসাতলে গেছে। সহজ সরলভাবে চলেসৎ সত্যনিষ্ঠ ও সঠিকপথটি পার হয়ে গেলেমনে যত প্রশান্তি মিলে। আমরা মানুষের তরেঅন্যের হিতার্থে সবাইকাজ করে গেলে সুখশান্তিতে জীবন ভরে। সকলে স্বার্থ দিয়ে বলিপরের কল্যাণের জন্যখোদা পাকের আদেশনির্দেশ মেনে যেন চলি!

  • অধিক উন্নত

    বেলা শেষে সব ঘরে ফিরেসকাল হতে বিকেল পর্যন্তঅর্জন করে নেয় মন ভরে। কতো মানুষ যায় বেশ দূরেপ্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনশেষে প্রত্যাবর্তন করে পরে। অনেকে কাজ করে অধিকসময়ের মূল্যায়ন করে তারজীবনও উন্নত হয় সর্বাধিক। নিয়মমত সময়ের দেয় মুল্যবাধা বিঘ্নো পেরিয়ে অগ্রসরহয় কেউ থাকেনি তার তুল্য। যথা সময় সে সব নেয় করেকষ্ট সহ্য অধ্যবসায়ের জন্যেতার জীবন উন্নত করে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *