ঠেলার নাম বাবাজি

আঞ্চলিক  ভাষায় ছোট  একটি  কথা, 

প্রায়শঃই শুনতে পাওয়া যায় যথাতথা।

বিপদে পড়লে বিড়াল উঠে যায় গাছে , 

তাড়া করে যদি কেহ থাকে সেই পাছে।

বিপদের সময়  কতটা হয় যে অসহায় , 

উদ্ধার করতে আসলে পায় যেন সহায়।

সে বোঝে কত ধানে  তার কত হয় চাল,

নিস্কৃতি না পেলে যত খারাপ যে হয় হাল।

একদা একজন হয়েছিল গ্রামে যেন খুন!

মামলার  কারনে পড়ল সেথায় বেশ ধুম! 

ওই গ্রামের এক পাগলা মদন নামে ছিল,

পাগলার উপর তখন খুনের মামলা হলো। 

পাগলাকে খুনের মামলায় যখন জড়ায় , 

পুলিশের ধড় পাকড়ে তখন সেও গড়ায়।

পুলিশের চলায় পায়ের আওয়াজ শুনে , 

পাগলা হঠাৎ পালিয়ে যাওয়ার পথ গনে।

পুলিশ ঝাপ্টে ধরেই তাকে দিল কয় বাড়ি! 

বাড়ির আঘাতে মদন বললো তাড়াতাড়ি ! 

ওরে মদন অস্ত্র কোথায় তাড়াতাড়ি বল? 

আমাদের সাথে এখনই তুমি শীঘ্রই  চল।

প্রথম দিন রিমান্ডের ধোলাইয়ে সে বলে,

অস্ত্র বাড়ির উঠানে রেখেছে যে ফেলে। 

পুলিশ এসে খুঁজে দেখে সেথা কিছু নেই,

 শুরু হয় ঐ রিমান্ডেরও কত মার সেই। 

এবার মারের চোটে সে বলল একবার , 

অস্ত্র আছে বদনার ভিতর তার আব্বার। 

পরে বলল অস্ত্র পানের কৌটায়ই ছিল!  

আবলতাবল বকায় তাকে ছেড়ে দিলো। 

বুজলো পাগলাকে জড়ানোর কারসাজি,

একেই বলে “ঠেলার নাম হলো বাবাজি”।

Similar Posts

  • সকাল সন্ধ্যা

    সময় হয়ে গেলেই ফিরেসারা দিনই সকলে ঘুরে। সকাল থেকে ও সন্ধ্যায়চলাফেরা থাকে ধান্ধায়। বহু লোকের ফল মন্দাক্ষতিগ্রস্থদের যত ধান্ধা! ঘুরে ফিরে অনেক দূরে সংগ্রহ করে নেয় জুড়ে। কেউ হালাল চিন্তা করেবাকী সবে ধার না ধারে!পেট পুরে খেলেই হলো চিন্তা নাই গোল্লায় গেল!আরোও যারা সত্যনিষ্ঠকখনও করেনা অনিষ্ঠ!তাঁদের উপার্জনও শ্রেষ্ঠ লোকজন থাকে সন্তুষ্ট! তাঁরা হালাল যতই খায়মনে প্রানে শান্তিও পায়!খেয়াল খুশিতে যে চলে আত্মা অশান্তিতে জ্বলে!আল্লার…

  • অশ্রু সিক্ত

    কত কি আর বলিরাস্তায় তখন চলি।লোকে লোকারণ্যআওয়াজ অনন্য!দেখি একটি লোকতার অনেক দুঃখ!বলে আরও কাঁদেপড়েছিল সে ফাঁদে!যখন ছিল দাঁড়িয়েটাকা নিল কাড়িয়ে।সে তখন বাদ সাধেঝামেলা কত বাধে!ওরা তাকে যে ধরেসবাই অধিক মারে।সে করল টানাটানিসকলে গেল জানি।জনগন দৌড়ে যায়ওদেরকে নাহি পায়।মাটিতে তখন পড়েচোখের পানি ঝরে!সকলে শান্তনা দেয়তুলে তার ঘরে নেয়।

  • নিজস্ব ডায়েরি

    প্রত্যেকে ব্যক্তিগত ডায়রি লিখা ভালোসামাজিক মাধ্যম এড়িয়ে চলে পুরাতনকষ্টের ছবি বা বার্তাগুলো মুছে নিজেরমনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে রেখে দ্রুতসিদ্ধান্ত না নিলে তয় জ্বলবে না আলো। পুরাতন সাথীর খারাপ নিয়ে ভাবুন সবেযত আচার আচরণ কিছুদিন পরে যারআল্লাহর করুণায় সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়েএমন হতে পারে যেন অনেক উত্তম তারব্যবহার শত শ্রেষ্ঠ হয়ে সবার কাছে রবে। পরক্ষণে মুগ্ধ হবে চলা…

  • বড়ো কষ্ট হয়

    জীবিত না মৃত-বোঝা দায়রেল স্টেশনে এভাবেই রাতকাটে যে অনেকের অবশিষ্টযেটুকু জায়গা খালি আছেসেখানেও ঝাড়ু দিয়ে কতোপরিস্কার করেই শুতে যায়! অন্যান্য আরোও খালি স্থানেশোয়ার আয়োজন করে তয়অনেকে তো ডেকেরোটরেরদোকানে খানশামার কাজেরলোক হয় থাকার জন্যে স্থানকরেও নেয় যেখানে সেখানে! জায়গার জন্যে স্টেশনে রয়অভাবে কয়েক বছর ধরে ইতিনি আছেন থাকার মতোওএকটি ঠিকানা আছে ছেলেএবং ছেলে বউয়েরা চায় নাবলেও…

  • স্বপ্ন তিন প্রকার

    স্বপ্ন ঘুমের ঘোরে দর্শিত চিন্তা-ভাবনার নামস্বপ্নও মানুষের কাঙ্খিত ভবিষ্যৎ আরবিতেস্বপ্নকে রুইয়া ফার্সিতে খাব বলে দেয় দাম। ধর্মীয় গবেষক ও দার্শনিকদের পার্থক্যই হয়দার্শনিকদের মতে ই মানুষের চিন্তা ভাবনারএক প্রতিচ্ছবি ঘুমের মাঝে ফুটে ওঠতে রয়! আলেমরা এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করেনযে তাদের বক্তব্য সব স্বপ্নই মানুষের ধারণানয় অনেক স্বপ্ন যা অর্থবোধক বলে ধরেন। স্বপ্ন সালেহাহসহ যে রুইয়া…

  • গরমের তীব্রতা !

    গরমের অতিরিক্ত তাপঘরে বাহিরে কত মানুষঅসহ্য যন্ত্রণাতে ভোগেঅনেকে আরো বলছেকি উষ্ণতা বাপরে বাপ! অস্বাভাবিক তেজ যারমাঠে ঘাটে ক্ষেতে আরখামারে দারুণ কষ্ট সহ্যকরে নির্ধারিত অবস্থানদখল করছে যার তার। দুর্ভোগের কতো জ্বালাপ্রখর রোদের তীব্রতায়মাথার ঘাম পায়ে ফেলেঅসহনীয় যাতনা ভোগকরছে কাজে নেই হেলা। অসহায় দিন মজুর যতঅসহনীয় দুর্গতি আরোব্যথা বেদনায় জর্জরিতহয়ে অনেক লোক কিন্তুশোকে দু:খে আছে শত!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *