ডিজিটাল প্রতারক

প্রতারকচক্র ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে
ফেসবুক ইউটিউবসহ বিভিন্ন রকম সোশ্যাল
মাধ্যম কাজে লাগিয়েই কৌশলের পথ ধরে।

অপরাধীদের লোভের ফাঁদে ও হচ্ছেন নিঃস্ব
অজস্র ও অসংখ্য আবার এমন পরিস্থিতির
শিকার হয়ে হারাচ্ছেন কত মানুষেরই সর্বস্ব।

প্রতিকার চাইতে অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হন না তারা
তাঁদের কাছে অভিযোগ রয়েছে শয়ে শয়ে।

প্রায়ই ডিজিটাল অপরাধী যারা ধরা পড়ছে
এরপরও কমছে না অপরাধের মাত্রা বেড়ে
যাচ্ছে দৌরাত্ম্য এভাবেই জীবনভর লড়ছে।

Similar Posts

  • কতো মনোহর !

    আত্ম প্রেমীদের থাকে মনোহর স্বভাবধান্দাবাজ একগুয়ে সহজেই অন্যকেদোষে অপছন্দে রয় শীতল মনোভাব। গালগল্পবাসী নিজেদের ভালোর জন্যবানিয়ে কথা বলে তাদের সঙ্গ মোটেইস্বাস্থ্যকর নয় স্বার্থের জন্যে থাকে হন্য। আত্ম-ধ্বংসাত্মক অতিরিক্ত মদ্যপানহাত-পা কাটা কিংবা ক্ষুধামন্দা মানুষএসব বৈশিষ্টদের নেই কোনো সম্মান। সহানুভূতি পেতে যারা আবেগে খেলেবলা যেতে পারে আবেগেরই পরজীবীওদের থেকে দূরে থাকাই ভালো বলে। নিজেকে ক্ষণোস্থায়ী উপস্থাপনও করেঅন্যের…

  • সুগন্ধী ফসলি হাওর

    আজব ডানা ওয়ালা গর্জিত শকুনের দলতারা সবাই আচানক আকাশে দেখেছিলমানুষদের ভাবনারও অতীত এসব দৃশ্যেরকাছে হার মানে তাদের কল্পনার সব সীমানিজ হাতে বানানো তাদের অস্ত্রের চেয়েওশক্তিশালী আরোও কিছু আছে নাকি বল! এক ছোট বিন্দুতে এমন করে টিনের চালফুটো করে বেরিয়ে যায় তবুও অনেকে ইউঠান পেরিয়ে দা বল্লমও হাতে নিয়ে ছুটেগিয়েছিল ফসলি জমির দিকে বৃষ্টির তোড়বেড়ে এলে…

  • সুখের মেলা

    তোমার সখারও আসবেযেদিন এমোনি কারা-বন্ধআমার মতন কেঁদে কেঁদেহয়তো তুমিও হবেই অন্ধ দীর্ঘ বেলা কাটবে না আরবান্ধব তোমার হানবে হেলাবইতে প্রাণের শান- এ ভারভাঙবে তোর সুখের মেলা। মোর বন্ধুর জন্যে সব চেয়েবেশ যত কিছু করতে পারিতা শুধু বন্ধু হয়ে থাকা আরতাকে দেয়ার সুযোগও ধরি। সে যদি জানে যেনো আমিসুখী মহব্বত করেও তাকেবিনিময়ে কোনো পুরস্কারইচাইবে নাতো বন্ধু…

  • বিদ্যুতের রুটিন

    বিদ্যুতের প্রত্যেক দিনের খেলাযেহেতু নিয়মিতও চালাতে হবেসময়ে অসময়ে তা বন্ধ না করেএকটি রুটিন মতো সেরে নিবে। ফজরের নামাজ শেষ হয়ে গেলেপ্রত্যেক দিন নিয়মিত করে নিলেঅফিস – আদালত যত প্রতিষ্ঠানখোলার পূর্ব পর্যন্ত যেন বন্ধ চলে। যদি বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রাখতে হয়প্রতিদিন ভোরের নামাজের পরেনিয়মিত করে সকাল নয় টা তকবন্ধ রাখলে সমস্যা থাকবে দূরে। হয়তো বা আর…

  • কলকাকলি

    সাত সকালে জেগেকতো পাখির কলরবশুনতে পাই আগে বাগে। তারাও নিয়ম মানেগাছ থেকে অন্য গাছেচলাফেরা করে গানে গানে। যতো ভিন্ন ভিন্ন সুরসুর লহরীতে গায় গানতাদের কন্ঠ কত যে মধুর। দলবদ্ধ হয়ে চলেশত দূর দূরান্তে যায়সাথীদের পেয়ে তারা মিলে। খানা খাদ্যে ব্যস্তগাছ বৃক্ষ জমি জমায়মানবের দায় রয় ভীত সন্ত্রস্ত!

  • কে দিল মন্ত্রণা !

    তাকিয়েই আসমানের দিকেবলোতো সে কি আছে সুখেশতো দু:খ কষ্টে কেঁদেই মরিসে যেনো আমার পাশে নায়। বিধাতা আমাকে তুমি বলোকোথায় গেলেই তারে পাবোজ্বালা যন্ত্রনাগুলো আমাকে অন্তরের মধ্যে কত পোড়ায়। ভাবতে ভাবতেই তারে আমি চোখ বুঝে কতো জড়াই ধরিচোখ মেলেই তবে দেখি পরেসে বন্ধুটিই আমার বুকে নায়। অন্তরেতে যতো জ্বালা যন্ত্রণাজল দিলেও তা আর নিভেনাফুঁপে ও জোরে কতোই কাঁদিদূরে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *