দোয়া চাই !

মা যতনে করলেন মানুষ
তিনি কণ্ঠে দিলেন ভাষা
দু’ চোখেতেও স্বপ্ন রেখে
প্রথম দিনে আলো আসা!

মায়ের কাছে কাঁদতে শিখি
উল্লাস আর আনন্দে হাসা
তোমার আঁচলে অনন্তকাল
অসীম অপার স্নেহের ঠাসা!

সবার কাছে রঙের ফানুস
পিতল-তামা আরো কাঁসা
আমার মা তুমি অমূল্য ধন
মুক্তা ও সোনার খনি খাসা!

এক দিন নয় জনম জনম
মাগো দিবেন বাঁচার আশা
এই প্রতীক্ষার দিনেতে তাই
আম্মুকে জানাই ভালবাসা!

আমাকে দশ মাস দশদিন
যাঁর পেটেই দিয়েছেন ঠাঁই
বড় কৃতজ্ঞ আমি তাঁর জন্য
শতো ও সহস্র দোয়াই চাই !

Similar Posts

  • স্রষ্টাকে স্মরি!

    অনেক স্নেহের বন্ধু তুমিমায়া মহব্বত করি আমি। শুনো আমার মনের কথাবুক ভরা আছে যত ব্যথা। তোমার ব্যথায় কষ্ট পাইঅশান্তির দায় মুক্তি চাই। মোরা স্রষ্টার ভরসা করিদিন রজনী তাঁকে স্মরি! আল্লাহ ছাড়া উপায় নাইতাঁর অনুগ্রহে শান্তি পাই! দুর্ভোগ দুর্গতি দূরে নেনকষ্ট সহিবার শক্তি দেন! সৃষ্টি কর্তা কত দয়াবানদান করেন যত কল্যাণ! উপাসনাতে শক্তি দিলেঅন্তরে বেশ শান্তি…

  • বীর দর্পে চলে !

    গভীর বন জংগলের পাশে বাসযখন তখন ও যেখানে সেখানেআচমকা আক্রমণ করে কতোমানুষের ঘটে জীবনের সর্বনাশ! হিংস্র জীব জন্তুর যতো চলাচলওরা অবাধে বিচরণ করে ঘোরেসগতিতে বীরত্বের সাথে বেড়ায়কখনো শুরু করে কত হুলস্থল! মূহুর্তে সুযোগে আক্রমণও করেদলবেধে হাতী মিলে লোকালয়েউপস্থিত হয়ে যত ভাংচুর সেরেউপস্থিত মানুষেরে দৌড়ায় পরে। বন্য প্রাণীদের শত আতংকে রয়যত বীর দর্পে চলে সুযোগে তারাহঠাৎ…

  • বিচিত্র

    দেশ জুড়ে অগনিত মানুষ যা বিরাজ করেছোট বড় যুবক বৃদ্ধ সকল ঘুম থেকে উঠেসুখ সমৃদ্ধ অর্জনের জন্যও হয় রত তাদেরঅবস্থান থেকেই কাজ করে উন্নতির তরে। মাঠে ঘাটে খেতে খামারেই খেটে যায় কতসকাল দুপুর সন্ধ্যা বিকাল বেলায় অধিকপরিশ্রমে কেউ হাল চাষ জমি জমায় পানিচারাগাছ রোপণ ধান কাটে কষ্ট করে শত। ব্যবসা বাণিজ্য করে অসংখ্য লোক যারাপাড়া…

  • মা বাবার সন্তোষ্টিতে সব সুখ

    পথের ধারে বাড়ি তার সেথায় তারা রয়তার ছোটো ভাই বোন মুকুল আর পুতুলসংসারে মা বাবা সহ মোট পাঁচ জন হয়। রাতুল বড়ো তাই ধরেছে সংসারেরই হালসর্বদা রুজি রোজগারের ধান্দায় থাকেওকখনো মাঠে মাছ ধরতে নিয়ে যায় জাল। বয়ষ্ক মা ও বাবা এখন কাজ কর্মে অক্ষমভাই বোন তিন জনের মধ্যে রাতুল যে বড়খানা খাদ্য যোগাড় করতেই ব্যস্ত…

  • প্রায়শ্চিত্ত !

    হে নর পশুদের দলতোমাদের কর্মকাণ্ডদেখে কার চোখেতেআসবে না রে জল! সে তো মানুষ ছিলোএকটি পেষাতে লিপ্তথেকে সে পরিবার সহজীবন চালিয়ে নিলো! সামান্য সুখের তরেপ্রতিদিন অলিগলিকতো বাসা বাড়িতেছুট তো ঘুরে ফিরে ! প্রখর রোদের জ্বালাশ্রমিক মজুরের ন্যায়কষ্টের কাজে করেনিকখনো সে অবহেলা! তোমরা ক’জন মিলেপরস্পর পর্যায়ক্রমেপাথর দিয়ে আঘাতেজীবনটি কেড়ে নিলে! তার জীবন শেষ হলোঐ পাপের প্রায়শ্চিত্তেআল্লাহর নিকট…

  • ঝড় ঝঞ্ঝা

    সেরা অভিজ্ঞতা হওয়া এখনও বাকিতারুণ্য অর্ধেক দেখায় স্রষ্টায় বিশ্বাসআর বার্ধক্যে প্রবেশ করুন জীবনেরসব দেখে সতর্ক হয়ে নির্ধিধায় চলুনঅনেকে কিন্তু উদাসীনতায় হয় দু:খী। বার্ধক্য কোনো উপভোগের বিষয় নয় তবে অনেক দুঃখ বিপদ ও ঝড় ঝঞ্ঝাপেরুনোর অভিজ্ঞতাটির নামই বার্ধক্য এ অবস্থাটি পেরিয়ে যাঁরা যাচ্ছে তাঁরাবলতে গিয়ে তাঁদের ঠোঁট কাঁপতে রয়। যে কথা বলতে চায় সেটাই বদলে যায়বক্তব্যেও অন্য কথা প্রকাশ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *