তাওবা মুছে ফেলে

পাপ মানবাত্মায় গভীর অন্ধকার সৃষ্টি করে
সে জন্যে তাওবার একান্ত প্রয়োজন মানুষ
যতো বেশী পাপ করে অন্তরেই অন্ধকারের
আস্তর গভীরতর হয়ে থাকে সব কিছু পরে।

অতিশয় অন্ধকার মুছে ফেলার মাধ্যম হল
আন্তরিক তাওবা মানবাত্মা থেকে সৃষ্ট কত
অধিক পাপ করায় হৃদয় কালো হয়ে গিয়ে
লোহা ও পাথরের ন্যায় শত শক্ত করে নিল।

মানুষ সাধনায় নেক প্রবৃত্তির বিকাশ ঘটায়
কু-প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে হাজার বার চেষ্টা করে
অতীতের পাপের জন্য লজ্জিত হয়ে শেষে
পাপকর্ম না করার সংকল্পটি ভাগ্যে জুটায়।

গুণাহ কারীর অন্তরে কত কাল দাগ পড়ে
সেই কালিমা লিপ্ত চিহ্নে সমস্ত হৃদয় ছেয়ে
রয় এর নাম ‘রান’ মরিচিকা তওবা যদি না
করে অবশেষে মিথ্যায় নিমজ্জিত হয় পরে।

পাপ অন্তরে মিথ্যার আস্তর সৃষ্টি করে দেয়
একজন মুমিনের জীবনে পাপ কিংবা সীমা
লংঘনের প্রবণতাও মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে
পারে যেহেতু মানব শত্রু শয়তান পিছু নেয়।

Similar Posts

  • যত গন্ডগোল

    যথাযথ কাজ যদি করোজীবনভর কখনো কোনঅশান্তি স্থায়ী রয়না যদিসময় মতো দায়িত্ব সারো। সুখ শান্তি বয়ে যেতে রয়সময়ের দায়িত্ব সময়মতসম্পন্ন করার ফলেই তোআরো কতোই উন্নতি হয়। কর্তব্যটুকু ফেলে না রেখেযথা সময়ে তা সেরে নিলেআরাম আয়েশে অবশেষেভোগতে থাকে শান্তি সুখে। অলসতা যে অশান্তির মূলকর্তব্য কাজে অবহেলাতেপরিশেষে অনেকের মাঝেবেজে উঠে কত গন্ডগোল।

  • পশুবৃত্তি

    সর্ব নিকৃষ্টতম আচরণ হচ্ছে ধোঁকামানুষের আচরণের পশুবৃত্তির মধ্যেযা অনেকগুলো কত পাশবিক হলেএকজন মানুষ অন্য জনকে কুবুদ্ধিদিয়ে তৎক্ষনাৎ বানিয়ে নেয় বোকা। বেশ যন্ত্রণার মধ্যেও জীবন কাটায়একজন ধোকাবাজ মানুষ বরাবরকৃতকর্মের জন্যে সে পুরো নিশ্চিতযে অসহনীয় দু:খ কষ্ট সম্পুর্ণরুপেভোগার কারণ জেনেই স্বার্থ মিটায়। বিশ্বে বিশ্বাসের ভিত যত গভীর হয়মানুষ কোন সময় যথেষ্ট স্বার্থ সিদ্ধিঅর্জন করে অবিশ্বাসের জন্য কেহকিছু…

  • অকূলের কূল !

    দয়াময় তোমারি নাম রয়েছে জানাসবে ডাকতে পারে নেই কোন মানাদয়াতে ই সকলকে দেও তুমি পানা! তারা রয় ভাঙা ঘরে কত কষ্ট করেদারুণ ব্যাধি আরোও ভোগে জ্বরেখাবারও জোটে না অনাহারে মরে! ভিক্ষা করে কতো ঘুরে দ্বারে দ্বারেস্মরণ করেই তবু নাম ভোলে নারেদু:খী দীনহীন ডাকে আকুল প্রাণে! যারাই উপায়হীন ডেকে ফিরে তারাসব তোমারি বান্দা তুমি দাও সাড়াকরুনাতে…

  • কলকাকলি

    সাত সকালে জেগেকতো পাখির কলরবশুনতে পাই আগে বাগে। তারাও নিয়ম মানেগাছ থেকে অন্য গাছেচলাফেরা করে গানে গানে। যতো ভিন্ন ভিন্ন সুরসুর লহরীতে গায় গানতাদের কন্ঠ কত যে মধুর। দলবদ্ধ হয়ে চলেশত দূর দূরান্তে যায়সাথীদের পেয়ে তারা মিলে। খানা খাদ্যে ব্যস্তগাছ বৃক্ষ জমি জমায়মানবের দায় রয় ভীত সন্ত্রস্ত!

  • কবিতা ০১ থেকে ৯০০ টি

    শারীরিক অনেক অসুস্থতার মধ্যে থেকেও আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য ১২.০৩.২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ , রোজ মঙ্গলবার ; স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৯০০ টিতে পৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা ” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম — ” বাসা বুনে ” । সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায় এ রকম একটি অভীষ্ট…

  • রঙের খেলা

    এই যে, তুমি না বলে ছিলে, এক সাথে আমরা মিলে। অনেক দূরের পথ যাবো, আরো অনেক বন্ধু পাবো। পেরিয়ে কত যে মাট ঘাট, যাব মোরা ঐ খেলার মাঠ। যেথায় বহু রঙের খেলা, কেটে যাবে দিনের বেলা। আমরা সকলে চড়ে দোলনা, আনন্দের থাকবেনা তুলনা। দৌড় ঝাঁপ করে যাব কত, হেলে দূলে যার তার মত। সকলেই সায়াহ্নের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *