তুমি চীর মহান!

কতো পশু পাখিই আছে তারা সবে
অসংখ্য আরো প্রহরে প্রহরে জাগে
প্রভাতে ব্যস্ত হয় কল কাকলি রবে।

মানুষ হয়ে কেন তোর চেতন হলনা
পরম প্রেমময় মেহেরবান সৃষ্টিকর্তা
এমন দয়াল খোদার নামই নিলেনা।

আকাশ ছাড়া দেখেনা রাত নিশিথে
আমার কাঁদার ভেদের কথা আল্লাহ
ছাড়া তো কেহো জানেনা পৃথিবীতে।

ছন্দ লিপি কবিতা কাহিনী ও বাণী
কারো কারো কাছে তা ইবাদততুল্য
এ জন্য সৃষ্টি করেছেন সবাই জানি।

মনীষী গায় খোদার প্রেমের গুণগান
ছন্দ কবিতা বা গীতি কবিতায় ব্যক্ত
করবে আজীবন আল্লাহ চীর মহান!

Similar Posts

  • কলির যুগ !

    নিত্য নতুন কতো কিছু দেখিআজগুবি আরোও যত লিখি! পূর্বে অস্তিত্বই ছিলো না কোনপ্রতিনিয়ত এখন চলছে যেন! কতো কিছু আর লিখে যাবোজানিনা কবে যে শান্তি পাবো! পথে ঘাটে যতো বাসা বাড়িতেমোটর সাইকেল আর গাড়িতে! পরনের প্যান্ট কত তালি মারাখাম-খেয়ালী মতো চলে তারা! কেউ হাঁটুর উপরে প্যান্ট পরেছতর ঢাকে না গর্ববোধ করে! এখন যেনো চলছে কলির যুগকবে…

  • কষ্ট সফল

    ভূমিষ্টের পর মানব শিশু কত অসহায়,মা বাবা আত্নীয় সজন একমাত্র সহায়।ঘুম পাড়ানো খাবার গোসল মা করায়,কান্নাকাটি করলেই মায়ের ঘাম ঝরায়।কত আরাম আয়েসে থাকতে পারে সে,চিন্তা ফিকির প্রতিনিয়ত করে থাকে যে।দিন মাস বছর পেরিয়ে একটু বড় হয়,হাঁটা চলা দৌড় ঝাপ করতে তখন রয়।মায়ের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকে হোচট নি খায়,পড়ে গিয়ে কখনো কি কোন ব্যথা পায়।সময়ের বিবর্তনে…

  • নিকৃষ্ট

    প্রতারণায় মানুষের ঈমান দুর্বল হয়,দুর্বল হলে ঈমান শান্তিতে নাহি রয়।দোয়া কবুলের পথও বন্ধ হয়ে যায়,ইহ পরকালে তারা দুঃখ ও কষ্ট পায়।ধোকার ফলে কবুল ও হয় না দোয়া,প্রতারণায় পড়ে যারা দেয় বদদোয়া।সর্বোপরি প্রতারণা জাহান্নামে ঠেলে,দুনিয়া আখেরাতে শান্তি নাহি মিলে।রাসুল (সঃ)এর দল থেকে দূরে চলে,সাফায়াত পায় না ধান্দাবাজির ফলে।প্রতারক আর ধান্দাবাজ কত নিকৃষ্ট,দুনিয়া আখেরাতে তারা হবেনা শ্রেষ্ঠ।ইহকাল…

  • কতো অহংকার

    ঘরবন্দি হলে বাতাসেরা বন্ধ হয় দমপকেট-ভর্তি সূর্য-রোদে মেতে ওঠেইপঞ্চাশের পৌঢ় হলেই শক্তি রয় কম। কতো জনের অহংকারে তোলে ঢেউসুখের ঢোক যেন গিলে যাচ্ছো যতোনদী ভর্তি জল কারুকাজে নেই কেউ। জলেরা চোখের কাজল লেপ্টে দেয়কেহ ফেসবুকে আক্রান্ত হতে চায়নিট্যাগের যন্ত্রণাতেই আলো কমে নেয়। একদিন সুরমার জলকে বলেছিলোতীরের বাতাসে আরো ধনী হতে চায়অহংকারগুলো ছাদ তুল্য হয়ে গেল।…

  • ক্ষুধায় কাতর

    দুগ্ধবতী গাভীর পেছন হেঁটেই শেষ প্রান্তে যেতোপ্রতিদিন সকালে খালি পায়ে ছেঁড়া জামা কাপড়পরে যেখানে সবুজ ঘাসে মোড়া একটা মাঠ ছিলসেখানে চারণ ভূমিতে গাভীটাকে ছেড়ে দিয়ে সেগাছের ছায়ায় বসেই পাখীদের সাথে গান গাইত। নদীর সুরে সুর মিলিয়ে কাঁদতে খুব হিংসা হতোগাভীর অফুরন্ত খাবার দেখে কখন ফুলের দ্রুতবৃদ্ধি এবং প্রজাপতির ডানা মেলা নিয়ে ভাবনায়হারিয়ে যেতো চিন্তার জগতে…

  • ক্ষণস্থায়ী !

    মূল্যায়নের কোনই চিন্তা নাইঅবসর সময় আমি যবে পাইকতো কিছু তো লেখতে যাই! আল্লাহ করেন যা মেহেরবানীতাঁর দয়ায় যতো অঢেল খানিশান্তিতে খাই কত খানা পানি! আল্লাহ রাসুলের যতো বাণীআমরা সকলে তা যাই মানিকৃপাতে হয় কত জ্ঞানী গুনি! যতো লোক চলে তাঁদের পথেওরা বাস করে কতো শান্তিতেপৃথিবী হতে সকল হবে যেতে! ধরণীতে যারা সকল অস্থায়ীআমাদের জীবনটা ক্ষনস্থায়ীআখেরাতের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *